
গাজীপুর প্রতিনিধি

একসময় গাজীপুর সাফারি পার্কে ঢুকলেই দূর থেকে দেখা যেত লম্বা গলা উঁচিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা জিরাফ। দর্শনার্থীরা উৎসাহে তাকিয়ে থাকতেন আফ্রিকার সেই শান্ত স্বভাবের প্রাণীগুলো দেখতে। কিন্তু আজ সেই দৃশ্য কেবল স্মৃতির অংশ। সর্বশেষ স্ত্রী জিরাফটির মৃত্যুর মধ্য দিয়ে গাজীপুর সাফারি পার্ক এখন জিরাফশূন্য।
পার্ক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, টিউবারকিউলোসিস বা টিবি রোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ জিরাফটি চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২০ অক্টোবর বিকেলে মারা যায়। শনিবার (২৫ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমকে জানান পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সহকারী বন সংরক্ষক তারেক রহমান।
গাজীপুর সাফারি পার্কে জিরাফের যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০১৩ সালে, পার্ক প্রতিষ্ঠার পরপরই। দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে দুই দফায় মোট ১০টি জিরাফ আনা হয়। এরপর ২০১৭ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে চারটি বাচ্চার জন্ম দেয় তারা। কিন্তু ধীরে ধীরে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে একের পর এক জিরাফ মারা যেতে থাকে। সর্বশেষ ১৮ সেপ্টেম্বর একটি পুরুষ জিরাফের মৃত্যুর পর স্ত্রী জিরাফটি একা হয়ে পড়ে। সেই নিঃসঙ্গতাই যেন শেষ পর্যন্ত বাড়তি চাপ হয়ে দাঁড়ায় তার জীবনে।
১৪ অক্টোবর অসুস্থ হয়ে পড়লে গঠিত হয় বিশেষজ্ঞ মেডিকেল বোর্ড। গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন প্রফেসর ড. গোলাম হায়দারের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের এই টিম চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণ চালায়। তবুও প্রাণ ফিরে পায়নি প্রাণীটি। পোস্টমর্টেমে নিশ্চিত হয়, টিবি রোগই মৃত্যুর কারণ। এরপর পার্কের ভেতরেই তাকে মাটিচাপা দেওয়া হয়।
সাফারি পার্কের বন্যপ্রাণী পরিদর্শক রাজু আহমেদ জানান, মৃত্যুর পরদিন ঘটনাটি শ্রীপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। সরকারি কার্যক্রমের ব্যস্ততায় কিছুটা দেরি হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ট্যুরিস্ট পুলিশের পরিদর্শক কামাল হোসেন বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করে একটি প্রতিবেদন তৈরি করে কর্তৃপক্ষকে জমা দেওয়া হয়েছে।
গাজীপুর সাফারি পার্কে একসময় সিংহ, বাঘ, জেব্রা, উট, মৃগের পাশাপাশি জিরাফ ছিল দর্শকদের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ। লম্বা গলার শান্ত স্বভাবের প্রাণীটিকে ঘিরে শিশু থেকে বয়স্ক—সবার আগ্রহ ছিল প্রবল। এখন সেই জায়গায় শূন্যতা।
দর্শনার্থীরা বলছেন, পার্কে জিরাফ না থাকায় যেন এক বিশেষ আবেদন হারিয়েছে পুরো পরিবেশ। কেউ কেউ আশা করছেন, কর্তৃপক্ষ আবারও জিরাফ আনার উদ্যোগ নেবে।

একসময় গাজীপুর সাফারি পার্কে ঢুকলেই দূর থেকে দেখা যেত লম্বা গলা উঁচিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা জিরাফ। দর্শনার্থীরা উৎসাহে তাকিয়ে থাকতেন আফ্রিকার সেই শান্ত স্বভাবের প্রাণীগুলো দেখতে। কিন্তু আজ সেই দৃশ্য কেবল স্মৃতির অংশ। সর্বশেষ স্ত্রী জিরাফটির মৃত্যুর মধ্য দিয়ে গাজীপুর সাফারি পার্ক এখন জিরাফশূন্য।
পার্ক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, টিউবারকিউলোসিস বা টিবি রোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ জিরাফটি চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২০ অক্টোবর বিকেলে মারা যায়। শনিবার (২৫ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমকে জানান পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সহকারী বন সংরক্ষক তারেক রহমান।
গাজীপুর সাফারি পার্কে জিরাফের যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০১৩ সালে, পার্ক প্রতিষ্ঠার পরপরই। দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে দুই দফায় মোট ১০টি জিরাফ আনা হয়। এরপর ২০১৭ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে চারটি বাচ্চার জন্ম দেয় তারা। কিন্তু ধীরে ধীরে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে একের পর এক জিরাফ মারা যেতে থাকে। সর্বশেষ ১৮ সেপ্টেম্বর একটি পুরুষ জিরাফের মৃত্যুর পর স্ত্রী জিরাফটি একা হয়ে পড়ে। সেই নিঃসঙ্গতাই যেন শেষ পর্যন্ত বাড়তি চাপ হয়ে দাঁড়ায় তার জীবনে।
১৪ অক্টোবর অসুস্থ হয়ে পড়লে গঠিত হয় বিশেষজ্ঞ মেডিকেল বোর্ড। গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন প্রফেসর ড. গোলাম হায়দারের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের এই টিম চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণ চালায়। তবুও প্রাণ ফিরে পায়নি প্রাণীটি। পোস্টমর্টেমে নিশ্চিত হয়, টিবি রোগই মৃত্যুর কারণ। এরপর পার্কের ভেতরেই তাকে মাটিচাপা দেওয়া হয়।
সাফারি পার্কের বন্যপ্রাণী পরিদর্শক রাজু আহমেদ জানান, মৃত্যুর পরদিন ঘটনাটি শ্রীপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। সরকারি কার্যক্রমের ব্যস্ততায় কিছুটা দেরি হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ট্যুরিস্ট পুলিশের পরিদর্শক কামাল হোসেন বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করে একটি প্রতিবেদন তৈরি করে কর্তৃপক্ষকে জমা দেওয়া হয়েছে।
গাজীপুর সাফারি পার্কে একসময় সিংহ, বাঘ, জেব্রা, উট, মৃগের পাশাপাশি জিরাফ ছিল দর্শকদের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ। লম্বা গলার শান্ত স্বভাবের প্রাণীটিকে ঘিরে শিশু থেকে বয়স্ক—সবার আগ্রহ ছিল প্রবল। এখন সেই জায়গায় শূন্যতা।
দর্শনার্থীরা বলছেন, পার্কে জিরাফ না থাকায় যেন এক বিশেষ আবেদন হারিয়েছে পুরো পরিবেশ। কেউ কেউ আশা করছেন, কর্তৃপক্ষ আবারও জিরাফ আনার উদ্যোগ নেবে।

গত শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) শিবগঞ্জ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের শেখটোলা মহল্লায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি জানাজানি হলে দম্পতির পৃথক বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
১৪ ঘণ্টা আগে
আহতদের অভিযোগ, তাদের কোপানোর ঘটনায় প্রধান দুই অভিযুক্ত জিয়ারুল মোল্লা (২৮) জামায়াত কর্মী ও দীন ইসলাম মোল্লা (২৫) শিবির কর্মী। জিয়ারুল সরদার পাড়া গ্রামের সিদ্দিক মোল্লার ছেলে। দীন ইসলাম একই গ্রামের জামসেদ মোল্লার ছেলে।
১৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থানীয় নেতাকর্মীরা প্রথমদিকে সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তির আশ্বাস দিলেও দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় যুবদল বিষয়টি আমলে নিয়ে অভিযুক্তদের বহিষ্কার করে এবং ভুক্তভোগী বিভাস ঋষির পরিবারের খোঁজখবর নেয়।
১ দিন আগে
দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় নির্বাচনের ফফাফল ঘোষণার (বৃহস্পতিবার) রাত থেকেই জুড়ী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা যায়। দলীয় ভেদাভেদ ভুলে সাধারণ মানুষ একে অপরকে মিষ্টিমুখ করিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করেন।
১ দিন আগে