
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশ ঘিরে সংঘর্ষের জেরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গণগ্রেপ্তার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপি। গণগ্রেপ্তার বন্ধ না করা হলে স্থানীয় জনতাকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন স্থানীয় বিএনপি নেতারা।
এ অভিযোগ তুলে রোববার (২০ জুলাই) বিকেলে কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপি দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম মহিউদ্দিন বলেন, গত ১৬ জুলাই বাংলাদেশের যে ফ্যাসিস্ট সরকার পতিত হয়েছে তার কিছু লোকজন আমাদের ওয়াবদার হাটে রাস্তাঘাট বন্ধ করে অরাজকতা করে। এ কারণে কোটালীপাড়া উপজেলা পুলিশ প্রশাসন তাদের ১৫৫ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ১৫০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি হিসেবে রেখে মামলা করেছে।
ওই মামলায় এখন বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষকে নির্বিচারে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন এস এম মহিউদ্দিন। বলেন, এ মামলায় কোটালীপাড়ার বিভিন্ন স্থানে ছাত্র-শিক্ষক থেকে শুরু করে কৃষক, ভ্যানচালকসহ মেহনতি মানুষ যাদেরই রাস্তায় পাচ্ছে, পুলিশ তাদের ধরে নিয়ে আসামি করে চালান দিচ্ছে।
এ রকম গণগ্রেপ্তারের নিন্দা জানান এই বিএনপি নেতা। এভাবে গ্রেপ্তার অব্যাহত থাকলে স্থানীয় জনতাকে নিয়ে প্রতিবাদ করার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
এস এম মহিউদ্দিন বলেন, যদি এভাবে গ্রেপ্তার করা হয়, তাহলে কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপি ও পৌর বিএনপি কোটালীপাড়ার সাধারণ জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এর প্রতিবাদ জানাবে, যেন প্রশাসন আর এভাবে মামলা না করতে পারে, গ্রেপ্তার করতে না পারে।
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বশার হাওলাদার বলেন, যতটুকু জানতে পেরেছি, এ মামলায় অধিকাংশ আসামি সাধারণ মানুষ। তাদের বেশির ভাগই রাজনীতিতে যুক্ত নন। তাহলে কেন, কীভাবে, কাদের মদতে এসব নিরীহ মানুষদের আসামি করা হলো?
কোটালীপাড়া পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ওলিউর রহমান হাওলাদার বলেন, বিক্ষোভের সময় সেখানে উপস্থিত থেকেও একজনকেও আপনারা আটক করতে পারেননি। আপনারা ফুটেজ দেখে আসামি গ্রেপ্তার করতে পারতেন। তা না করে নিরীহ মানুষদের গ্রেপ্তার করছেন। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। আপনারা যদি সাধারণ মানুষকে হয়রানি করেন, তাদের সঙ্গে নিয়েই প্রতিরোধ করব।
সংবাদ সম্মেলনে পৌর বিএনপির সভাপতি ইউছুপ আলী দাড়িয়া, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক শেখ ফায়েকুজ্জামান, রফিকুল ইসলাম হাওলাদার, সাংগঠনিক সম্পাদক ছলেমান শেখ, যুবদলের সদস্যসচিব মান্নান শেখ, ছাত্রদলের আহ্বায়ক লালন শেখসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ অবশ্য বিএনপি নেতাদের এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে। কোটালীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, এখন পর্যন্ত ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গণগ্রেপ্তার করছি না। ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, শুধু তাদেরকেই গ্রেপ্তার করছি।

গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশ ঘিরে সংঘর্ষের জেরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গণগ্রেপ্তার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপি। গণগ্রেপ্তার বন্ধ না করা হলে স্থানীয় জনতাকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন স্থানীয় বিএনপি নেতারা।
এ অভিযোগ তুলে রোববার (২০ জুলাই) বিকেলে কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপি দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম মহিউদ্দিন বলেন, গত ১৬ জুলাই বাংলাদেশের যে ফ্যাসিস্ট সরকার পতিত হয়েছে তার কিছু লোকজন আমাদের ওয়াবদার হাটে রাস্তাঘাট বন্ধ করে অরাজকতা করে। এ কারণে কোটালীপাড়া উপজেলা পুলিশ প্রশাসন তাদের ১৫৫ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ১৫০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি হিসেবে রেখে মামলা করেছে।
ওই মামলায় এখন বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষকে নির্বিচারে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন এস এম মহিউদ্দিন। বলেন, এ মামলায় কোটালীপাড়ার বিভিন্ন স্থানে ছাত্র-শিক্ষক থেকে শুরু করে কৃষক, ভ্যানচালকসহ মেহনতি মানুষ যাদেরই রাস্তায় পাচ্ছে, পুলিশ তাদের ধরে নিয়ে আসামি করে চালান দিচ্ছে।
এ রকম গণগ্রেপ্তারের নিন্দা জানান এই বিএনপি নেতা। এভাবে গ্রেপ্তার অব্যাহত থাকলে স্থানীয় জনতাকে নিয়ে প্রতিবাদ করার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
এস এম মহিউদ্দিন বলেন, যদি এভাবে গ্রেপ্তার করা হয়, তাহলে কোটালীপাড়া উপজেলা বিএনপি ও পৌর বিএনপি কোটালীপাড়ার সাধারণ জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এর প্রতিবাদ জানাবে, যেন প্রশাসন আর এভাবে মামলা না করতে পারে, গ্রেপ্তার করতে না পারে।
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বশার হাওলাদার বলেন, যতটুকু জানতে পেরেছি, এ মামলায় অধিকাংশ আসামি সাধারণ মানুষ। তাদের বেশির ভাগই রাজনীতিতে যুক্ত নন। তাহলে কেন, কীভাবে, কাদের মদতে এসব নিরীহ মানুষদের আসামি করা হলো?
কোটালীপাড়া পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ওলিউর রহমান হাওলাদার বলেন, বিক্ষোভের সময় সেখানে উপস্থিত থেকেও একজনকেও আপনারা আটক করতে পারেননি। আপনারা ফুটেজ দেখে আসামি গ্রেপ্তার করতে পারতেন। তা না করে নিরীহ মানুষদের গ্রেপ্তার করছেন। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। আপনারা যদি সাধারণ মানুষকে হয়রানি করেন, তাদের সঙ্গে নিয়েই প্রতিরোধ করব।
সংবাদ সম্মেলনে পৌর বিএনপির সভাপতি ইউছুপ আলী দাড়িয়া, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক শেখ ফায়েকুজ্জামান, রফিকুল ইসলাম হাওলাদার, সাংগঠনিক সম্পাদক ছলেমান শেখ, যুবদলের সদস্যসচিব মান্নান শেখ, ছাত্রদলের আহ্বায়ক লালন শেখসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ অবশ্য বিএনপি নেতাদের এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে। কোটালীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, এখন পর্যন্ত ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গণগ্রেপ্তার করছি না। ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, শুধু তাদেরকেই গ্রেপ্তার করছি।

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও পরমেশ্বরদী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান মাতুব্বরকে (৬৬) আটক করেছে যৌথবাহিনী। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়। তিনি ময়েনদিয়া বাজার এলাকার বাসিন্দা।
২১ ঘণ্টা আগে
গত শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) শিবগঞ্জ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের শেখটোলা মহল্লায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি জানাজানি হলে দম্পতির পৃথক বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
১ দিন আগে
আহতদের অভিযোগ, তাদের কোপানোর ঘটনায় প্রধান দুই অভিযুক্ত জিয়ারুল মোল্লা (২৮) জামায়াত কর্মী ও দীন ইসলাম মোল্লা (২৫) শিবির কর্মী। জিয়ারুল সরদার পাড়া গ্রামের সিদ্দিক মোল্লার ছেলে। দীন ইসলাম একই গ্রামের জামসেদ মোল্লার ছেলে।
১ দিন আগে
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থানীয় নেতাকর্মীরা প্রথমদিকে সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তির আশ্বাস দিলেও দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় যুবদল বিষয়টি আমলে নিয়ে অভিযুক্তদের বহিষ্কার করে এবং ভুক্তভোগী বিভাস ঋষির পরিবারের খোঁজখবর নেয়।
২ দিন আগে