
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঢাকার কেরানীগঞ্জের কদমতলী এলাকার অবৈধ লাইটার কারখানার আগুন লাগার পর সেখান থেকে এখন পর্যন্ত ছয়জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে কেবল একটি মরদেহই শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। বাকিগুলো এমনভাবে দগ্ধ হয়েছে যে সেগুলো শনাক্ত করার কোনো উপায় নেই। ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে মরদেহগুলো শনাক্ত করার কথা জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এ অগ্নিকাণ্ড ছাপিয়ে সামনে এসেছে কারখানা কর্তৃপক্ষের নিষ্ঠুরতার অভিযোগ। প্রত্যক্ষদর্শী ও বেঁচে ফেরা শ্রমিকদের দাবি, আগুন লাগার পর তাদের বাইরে বের হতে না দিয়ে মূল ফটক তালাবদ্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। আর সে কারণেই তারা কারখানা থেকে বের হতে পারেননি, দগ্ধ হয়ে তাদের পাড়ি জমাতে হয়েছে না ফেরার দেশে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে কদমতলীর ওই লাইটার কারখানায় আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বিকেলেই ওই কারখানা থেকে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মধ্যরাতে উদ্ধার হয় আরও এক মরদেহ।
ছয়টি মরদেহই স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়। ওই কারখানায় কর্মীদের মধ্যে এখনো যারা নিখোঁজ, তাদের স্বজনরা রোববার (৫ এপ্রিল) সকাল থেকে সেখানে জড়ো হতে থাকেন। সেখানে ছয় মরদেহের মধ্যে তিনজনের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। বাকি তিনটি মরদেহ শনাক্ত করার জন্য ডিএনএ পরীক্ষা প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে ওই কারখানা থেকে বেঁচে ফেরা কর্মীদের কেউ কেউ অবস্থান করছিলেন। তাদের একজন ১১ বছর বয়সী শিশুশ্রমিক মিম। আগুন লাগার পর কোনোমতে কারখানা থেকে বের হতে পারে সে। তার দাদিও একই কারখানায় কাজ করতেন। তার খোঁজ এখনো মিলছে না।
অগ্নিকাণ্ডের সেই ভয়াবহ সেই মুহূর্তের বর্ণনা দিতে গিয়ে মিম রাজনীতি ডটকমকে বলে, ‘আগুন লাগার পর আমরা সবাই দৌড়ে বাইরে বের হওয়ার চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু আমাদের বের হতে দেওয়া হচ্ছিল না। আমি অনেক কষ্টে ধাক্কা দিয়ে কোনোমতে গেট দিয়ে বেরিয়ে আসি।’

‘এরপরই দেখি দারোয়ান বাইরে থেকে মেইন গেটে তালা মেরে দিলো। আমার দাদি আর বের হয়ে পারল না। ভেতরে অনেক মানুষ আটকা পড়েছিল, তারা বের হতে পারছিল না,’— বলছিল মিম।
মিমের মতো একই বক্তব্য মিলেছে স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকেও। তারা বলছেন, কারখানাটির অনুমোদন ছিল না। এ কারণে আগুন লাগলেও তারা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিতে চায়নি। নিজেরাই কারখানার গেট বন্ধ করে আগুন নেভানোর চেষ্টা করতে গেছে। ফলে লাইটার কারখানার এ আগুন নিছক দুর্ঘটনা নয়, একে ‘হত্যাকাণ্ড’ বলে দাবি করছেন তারা।
অগ্নিকাণ্ড-পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া ও উদ্ধার অভিযান সম্পর্কে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম রাজনীতি ডটকমকে বলেন, ‘খবর পাওয়ার পাঁচ মিনিটের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাই। সবার আগে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেই এবং দ্রুত আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। ঘণ্টাখানেক পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে, ফায়ার সার্ভিসের প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন পুরোপুরি নেভানো সম্ভব হয় বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে।’
ওসি বলেন, ‘বিকেলেই ওই কারখানায় পাঁচটি মরদেহ পাওয়া যায়। রাত ১২টার দিকে উদ্ধার অভিযান চলাকালে আরও একটি মরদেহ উদ্ধার করি। আমরা মোট ছয়টি মরদেহ পেয়েছি।’
মরদেহ শনাক্তকরণ ও পরিচয় নিশ্চিত করার বিষয়ে ওসি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত তিনটি মরদেহ তাদের স্বজনরা শনাক্ত করতে পেরেছেন। এর মধ্যে মিম (১৭) নামে একজনের মরদেহ তার বাবা চিনেছেন, মঞ্জু বেগমকে তার ছেলে চাবির গোছা দেখে ও শাহিনুর আক্তারকে তার বাবা চুলের ক্লিপ দেখে দেখে শনাক্ত করেছেন। বাকি তিনটি মরদেহ অতিরিক্ত পুড়ে যাওয়ায় চেনার কোনো উপায় নেই। তাদের অজ্ঞাত হিসেবে পোস্টমর্টেম ও ডিএনএ প্রোফাইলিংয়ের জন্য আবেদন করেছি। ডিএনএ নমুনা মিলে গেলে আমরা সেগুলো পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেবো।’
পুরো ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার আশ্বাস দিয়ে সাইফুল আলম বলেন, ‘আমি নিজে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে পুরো প্রক্রিয়া তদারকি করছি। জেলা প্রশাসন থেকে এরই মধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আমরা পুলিশের পক্ষ থেকে এ ঘটনায় বাদী হয়ে মামলা করব, অথবা পরিবার থেকে কেউ চাইলে তাদের মামলাও নেওয়া হবে। কীভাবে এ আগুনের সূত্রপাত এবং কার গাফিলতিতে এতগুলো প্রাণহানি, তা আমরা পঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করে দেখছি।’
সলিমুল্লাহ কলেজ হাসপাতালের মর্গের দায়িত্বে থাকা মিলন শেখ রাজনীতি ডটকমকে বলেন, ‘৩০ বছর ধরে মর্গে কাজ করছি। এমন বীভৎসভাবে পুড়ে যাওয়া লাশ কখনো দেখিনি। আগুনের তাপে লাশ ছোট হয়ে দেড় থেকে দুই ফিটের হয়ে গেছে, তুলতে গেলেই অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ খুলে হাতে চলে আসছে।’
রোববার দুপুরে মিটফোর্ড হাসপাতালের মর্গ প্রাঙ্গণ স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যারা এখনো নিখোঁজ রয়েছেন তাদের জন্য ডিএনএ টেস্টই এখন একমাত্র ভরসা।
সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, শনাক্ত হওয়া তিনটি মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের কাজ চলছে। শনাক্ত করতে না পারা বাকি তিন মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজের হিমাগারে পাঠানো হবে।
এদিকে ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, এর আগেও অগ্নিনিরাপত্তা ইস্যুতে তিনবার চিঠি দেওয়া হয়েছিল কারখানাটিকে। কিন্তু মালিকপক্ষ তাতে কর্ণপাত না করে কারখানাটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থাতেই চালিয়ে গেছে। ফায়ার সার্ভিসের আপত্তি সত্ত্বেও আবাসিক এলাকায় এমন বিপজ্জনক ও অবৈধ কারখানা কীভাবে চলছিল, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তারা এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

ঢাকার কেরানীগঞ্জের কদমতলী এলাকার অবৈধ লাইটার কারখানার আগুন লাগার পর সেখান থেকে এখন পর্যন্ত ছয়জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে কেবল একটি মরদেহই শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। বাকিগুলো এমনভাবে দগ্ধ হয়েছে যে সেগুলো শনাক্ত করার কোনো উপায় নেই। ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে মরদেহগুলো শনাক্ত করার কথা জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এ অগ্নিকাণ্ড ছাপিয়ে সামনে এসেছে কারখানা কর্তৃপক্ষের নিষ্ঠুরতার অভিযোগ। প্রত্যক্ষদর্শী ও বেঁচে ফেরা শ্রমিকদের দাবি, আগুন লাগার পর তাদের বাইরে বের হতে না দিয়ে মূল ফটক তালাবদ্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। আর সে কারণেই তারা কারখানা থেকে বের হতে পারেননি, দগ্ধ হয়ে তাদের পাড়ি জমাতে হয়েছে না ফেরার দেশে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে কদমতলীর ওই লাইটার কারখানায় আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বিকেলেই ওই কারখানা থেকে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মধ্যরাতে উদ্ধার হয় আরও এক মরদেহ।
ছয়টি মরদেহই স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়। ওই কারখানায় কর্মীদের মধ্যে এখনো যারা নিখোঁজ, তাদের স্বজনরা রোববার (৫ এপ্রিল) সকাল থেকে সেখানে জড়ো হতে থাকেন। সেখানে ছয় মরদেহের মধ্যে তিনজনের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। বাকি তিনটি মরদেহ শনাক্ত করার জন্য ডিএনএ পরীক্ষা প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে ওই কারখানা থেকে বেঁচে ফেরা কর্মীদের কেউ কেউ অবস্থান করছিলেন। তাদের একজন ১১ বছর বয়সী শিশুশ্রমিক মিম। আগুন লাগার পর কোনোমতে কারখানা থেকে বের হতে পারে সে। তার দাদিও একই কারখানায় কাজ করতেন। তার খোঁজ এখনো মিলছে না।
অগ্নিকাণ্ডের সেই ভয়াবহ সেই মুহূর্তের বর্ণনা দিতে গিয়ে মিম রাজনীতি ডটকমকে বলে, ‘আগুন লাগার পর আমরা সবাই দৌড়ে বাইরে বের হওয়ার চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু আমাদের বের হতে দেওয়া হচ্ছিল না। আমি অনেক কষ্টে ধাক্কা দিয়ে কোনোমতে গেট দিয়ে বেরিয়ে আসি।’

‘এরপরই দেখি দারোয়ান বাইরে থেকে মেইন গেটে তালা মেরে দিলো। আমার দাদি আর বের হয়ে পারল না। ভেতরে অনেক মানুষ আটকা পড়েছিল, তারা বের হতে পারছিল না,’— বলছিল মিম।
মিমের মতো একই বক্তব্য মিলেছে স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকেও। তারা বলছেন, কারখানাটির অনুমোদন ছিল না। এ কারণে আগুন লাগলেও তারা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিতে চায়নি। নিজেরাই কারখানার গেট বন্ধ করে আগুন নেভানোর চেষ্টা করতে গেছে। ফলে লাইটার কারখানার এ আগুন নিছক দুর্ঘটনা নয়, একে ‘হত্যাকাণ্ড’ বলে দাবি করছেন তারা।
অগ্নিকাণ্ড-পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া ও উদ্ধার অভিযান সম্পর্কে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম রাজনীতি ডটকমকে বলেন, ‘খবর পাওয়ার পাঁচ মিনিটের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাই। সবার আগে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেই এবং দ্রুত আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। ঘণ্টাখানেক পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে, ফায়ার সার্ভিসের প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন পুরোপুরি নেভানো সম্ভব হয় বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে।’
ওসি বলেন, ‘বিকেলেই ওই কারখানায় পাঁচটি মরদেহ পাওয়া যায়। রাত ১২টার দিকে উদ্ধার অভিযান চলাকালে আরও একটি মরদেহ উদ্ধার করি। আমরা মোট ছয়টি মরদেহ পেয়েছি।’
মরদেহ শনাক্তকরণ ও পরিচয় নিশ্চিত করার বিষয়ে ওসি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত তিনটি মরদেহ তাদের স্বজনরা শনাক্ত করতে পেরেছেন। এর মধ্যে মিম (১৭) নামে একজনের মরদেহ তার বাবা চিনেছেন, মঞ্জু বেগমকে তার ছেলে চাবির গোছা দেখে ও শাহিনুর আক্তারকে তার বাবা চুলের ক্লিপ দেখে দেখে শনাক্ত করেছেন। বাকি তিনটি মরদেহ অতিরিক্ত পুড়ে যাওয়ায় চেনার কোনো উপায় নেই। তাদের অজ্ঞাত হিসেবে পোস্টমর্টেম ও ডিএনএ প্রোফাইলিংয়ের জন্য আবেদন করেছি। ডিএনএ নমুনা মিলে গেলে আমরা সেগুলো পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেবো।’
পুরো ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার আশ্বাস দিয়ে সাইফুল আলম বলেন, ‘আমি নিজে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে পুরো প্রক্রিয়া তদারকি করছি। জেলা প্রশাসন থেকে এরই মধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আমরা পুলিশের পক্ষ থেকে এ ঘটনায় বাদী হয়ে মামলা করব, অথবা পরিবার থেকে কেউ চাইলে তাদের মামলাও নেওয়া হবে। কীভাবে এ আগুনের সূত্রপাত এবং কার গাফিলতিতে এতগুলো প্রাণহানি, তা আমরা পঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করে দেখছি।’
সলিমুল্লাহ কলেজ হাসপাতালের মর্গের দায়িত্বে থাকা মিলন শেখ রাজনীতি ডটকমকে বলেন, ‘৩০ বছর ধরে মর্গে কাজ করছি। এমন বীভৎসভাবে পুড়ে যাওয়া লাশ কখনো দেখিনি। আগুনের তাপে লাশ ছোট হয়ে দেড় থেকে দুই ফিটের হয়ে গেছে, তুলতে গেলেই অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ খুলে হাতে চলে আসছে।’
রোববার দুপুরে মিটফোর্ড হাসপাতালের মর্গ প্রাঙ্গণ স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যারা এখনো নিখোঁজ রয়েছেন তাদের জন্য ডিএনএ টেস্টই এখন একমাত্র ভরসা।
সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, শনাক্ত হওয়া তিনটি মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের কাজ চলছে। শনাক্ত করতে না পারা বাকি তিন মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজের হিমাগারে পাঠানো হবে।
এদিকে ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, এর আগেও অগ্নিনিরাপত্তা ইস্যুতে তিনবার চিঠি দেওয়া হয়েছিল কারখানাটিকে। কিন্তু মালিকপক্ষ তাতে কর্ণপাত না করে কারখানাটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থাতেই চালিয়ে গেছে। ফায়ার সার্ভিসের আপত্তি সত্ত্বেও আবাসিক এলাকায় এমন বিপজ্জনক ও অবৈধ কারখানা কীভাবে চলছিল, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তারা এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

গত বছর একই কারখানায় আগুন লাগার পর উপজেলা প্রশাসন এটি সিলগালা করে দিয়েছিল বলে জানা গেছে। কিন্তু কীভাবে, কার অনুমতিতে এটি আবার চালু হলো— তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
১ দিন আগে
ঢাকার কেরানীগঞ্জে একটি গ্যাস লাইটার তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে কেরানীগঞ্জের কদমতলী গোলচত্বর এলাকায় এ আগুনের ঘটনা ঘটে।
১ দিন আগে
রাজধানীর কেরানীগঞ্জের কদমতলীর গ্যাস লাইটার কারখানায় লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ফায়ার সার্ভিসের ৭ ইউনিট চেষ্টা করে বিকেল ৩ টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
খাগড়াছড়ি থেকে দীঘিনালা পর্যন্ত ১৮ কিলোমিটার সড়কটি সম্প্রসারণের কাজ চললেও তা আগাচ্ছে খুবই ধীরগতি। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এ সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় সড়কটি ১২ ফুট থেকে বাড়িয়ে ১৮ ফুট প্রশস্ত করা হচ্ছে। তবে বর্ষা ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সংস্কার কাজ প্রভাবিত হচ্ছে, ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের।
১ দিন আগে