
মু. আ. মোতালিব, তালতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

বরগুনার তালতলীর টেংরাগিরি ইকোপার্কের কুমির প্রজনন কেন্দ্র দীর্ঘ এক যুগ পার হলেও এখনো সফলতার মুখ দেখেনি। ‘টেংরা’ ও ‘সখিনা’ নামের কুমির জুটির নারী কুমির ‘সখিনা’ নিয়মিত ডিম দিলেও জন্ম নেওয়া শতাধিক শাবকের একটিও বাঁচানো সম্ভব হয়নি। বন বিভাগের দায়িত্বহীনতা ও দক্ষ জনবলের অভাবকে এ ব্যর্থতার প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
জানা গেছে, টেংরাগিরি ইকোপার্কের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে ২০১১-১২ অর্থবছরে বন বিভাগের উদ্যোগে মিঠাপানির কুমির সংরক্ষণ ও বংশবিস্তারের লক্ষ্যে প্রজনন কেন্দ্রটি গড়ে তোলা হয়। শুরুতে পুরুষ কুমির ‘টেংরা’ ও নারী কুমির ‘সখিনা’কে দিয়ে কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর ‘সখিনা’ প্রতি বছর গড়ে ৮ থেকে ১০টি ডিম দিয়েছে। গত ১৩ বছরে শতাধিক শাবকের জন্ম হলেও কোনো শাবকই টিকিয়ে রাখা যায়নি।
প্রজনন নীতিমালা অনুযায়ী, ডিম ফুটে শাবক বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেগুলোকে বড় কুমির থেকে আলাদা করে নিরাপদ পরিবেশে লালন-পালনের কথা। কিন্তু বাস্তবে সে ব্যবস্থা না থাকায় বড় কুমিরের আক্রমণে একের পর এক নবজাতক শাবকের মৃত্যু হচ্ছে। এতে কেন্দ্রটির মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে।
সম্প্রতি কেন্দ্রটি ঘুরে দেখা গেছে, একটি সদ্যজাত শাবক পানিতে ছোটাছুটি করছে। জন্মের পর থেকেই যেন তার অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই শুরু হয়েছে। আগের শাবকগুলোরও একই পরিণতি হওয়ায় নতুন শাবকটির ভবিষ্যৎ নিয়েও শঙ্কা তৈরি হয়েছে দর্শনার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে।
স্থানীয় বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম অমি বলেন, “মা কুমিরটি প্রতিবছর বাচ্চা দেয়, কিন্তু সেগুলোকে বাঁচানোর কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেই। দ্রুত দক্ষ জনবল নিয়োগ ও কার্যকর তদারকি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।”
পরিবেশকর্মী মো. শহিদুল ইসলাম মিলন বলেন, “দেশের অন্যান্য প্রজনন কেন্দ্রে কুমিরের সংখ্যা বাড়লেও টেংরাগিরিতে উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে। এতে কেন্দ্রটি তার মূল উদ্দেশ্য ও পর্যটন সম্ভাবনা হারাচ্ছে।”
বন বিভাগের সখিনা বিট কর্মকর্তা রাহিমুল ইসলাম জুয়েল বলেন, শাবক জন্মের পর আলাদা করে লালন-পালনের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবল নেই। ফলে বড় কুমিরের আক্রমণ থেকে শাবকগুলোকে রক্ষা করা যাচ্ছে না।
তালতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি ইতোমধ্যে বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবল নিয়োগ ও আধুনিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। দ্রুত সমাধান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বরগুনার তালতলীর টেংরাগিরি ইকোপার্কের কুমির প্রজনন কেন্দ্র দীর্ঘ এক যুগ পার হলেও এখনো সফলতার মুখ দেখেনি। ‘টেংরা’ ও ‘সখিনা’ নামের কুমির জুটির নারী কুমির ‘সখিনা’ নিয়মিত ডিম দিলেও জন্ম নেওয়া শতাধিক শাবকের একটিও বাঁচানো সম্ভব হয়নি। বন বিভাগের দায়িত্বহীনতা ও দক্ষ জনবলের অভাবকে এ ব্যর্থতার প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
জানা গেছে, টেংরাগিরি ইকোপার্কের অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে ২০১১-১২ অর্থবছরে বন বিভাগের উদ্যোগে মিঠাপানির কুমির সংরক্ষণ ও বংশবিস্তারের লক্ষ্যে প্রজনন কেন্দ্রটি গড়ে তোলা হয়। শুরুতে পুরুষ কুমির ‘টেংরা’ ও নারী কুমির ‘সখিনা’কে দিয়ে কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর ‘সখিনা’ প্রতি বছর গড়ে ৮ থেকে ১০টি ডিম দিয়েছে। গত ১৩ বছরে শতাধিক শাবকের জন্ম হলেও কোনো শাবকই টিকিয়ে রাখা যায়নি।
প্রজনন নীতিমালা অনুযায়ী, ডিম ফুটে শাবক বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেগুলোকে বড় কুমির থেকে আলাদা করে নিরাপদ পরিবেশে লালন-পালনের কথা। কিন্তু বাস্তবে সে ব্যবস্থা না থাকায় বড় কুমিরের আক্রমণে একের পর এক নবজাতক শাবকের মৃত্যু হচ্ছে। এতে কেন্দ্রটির মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে।
সম্প্রতি কেন্দ্রটি ঘুরে দেখা গেছে, একটি সদ্যজাত শাবক পানিতে ছোটাছুটি করছে। জন্মের পর থেকেই যেন তার অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই শুরু হয়েছে। আগের শাবকগুলোরও একই পরিণতি হওয়ায় নতুন শাবকটির ভবিষ্যৎ নিয়েও শঙ্কা তৈরি হয়েছে দর্শনার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে।
স্থানীয় বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম অমি বলেন, “মা কুমিরটি প্রতিবছর বাচ্চা দেয়, কিন্তু সেগুলোকে বাঁচানোর কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেই। দ্রুত দক্ষ জনবল নিয়োগ ও কার্যকর তদারকি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।”
পরিবেশকর্মী মো. শহিদুল ইসলাম মিলন বলেন, “দেশের অন্যান্য প্রজনন কেন্দ্রে কুমিরের সংখ্যা বাড়লেও টেংরাগিরিতে উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে। এতে কেন্দ্রটি তার মূল উদ্দেশ্য ও পর্যটন সম্ভাবনা হারাচ্ছে।”
বন বিভাগের সখিনা বিট কর্মকর্তা রাহিমুল ইসলাম জুয়েল বলেন, শাবক জন্মের পর আলাদা করে লালন-পালনের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবল নেই। ফলে বড় কুমিরের আক্রমণ থেকে শাবকগুলোকে রক্ষা করা যাচ্ছে না।
তালতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি ইতোমধ্যে বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবল নিয়োগ ও আধুনিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। দ্রুত সমাধান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বলিখেলায় রাঙ্গামাটিসহ তিন পার্বত্য জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মোট ১০ জন বলী অংশগ্রহণ করেন। প্রতিযোগিতায় চমৎকার নৈপুণ্য দেখিয়ে নতুন বলি হিসেবে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন রাঙামাটি শহরের দক্ষিণ কালিন্দীপুর এলাকার দীপু তালুকদার (দীপু বলি)।
২ দিন আগে
ওসি জানান, ফেরিতে ওঠার সময় একটি মালবাহী ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে গেলে ট্রাকচাপায় আপন নামের এক যুবককের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। বর্তমানে দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটি উদ্ধারের চেষ্টা চালছে।
২ দিন আগে
স্থানীয়দের অভিযোগ, সকাল থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে শামিমকে একটি অনুষ্ঠানে কোরআন সম্পর্কে অবমাননাকর বক্তব্য দিতে দেখা যায়। এতে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে ক্ষুব্ধ জনতা দরবারে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এতে ঘটনাস্থলেই শামিমসহ কয়েকজন আহত হন। পর
২ দিন আগে
খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৯টি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
২ দিন আগে