
বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের ঐতিহাসিক হযরত খানজাহান আলী (রহ.) মাজার দীঘির কুমিরটিকে খুব শিগগিরই অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছে জেলা প্রশাসন। গত সোমবার দীঘির কুমিরের আক্রমণে আট বছর বয়সী শিশু ফাতেমার মর্মান্তিক মৃত্যুর পর দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জরুরিভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আপাতত কুমিরটিকে বন বিভাগের হেফাজতে রাখা হবে বলে প্রশাসন জানিয়েছে।
মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে মাজারের সার্বিক নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ক এক জরুরি সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ও খানজাহান আলী মাজার পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি গোলাম মোহাম্মদ বাতেন।
জরুরি এই সভায় মাজারের খাদেম, স্থানীয় সাংবাদিক, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মাদ্রাসার শিক্ষক প্রতিনিধি এবং স্থানীয় বাসিন্দারা অংশ নেন।
সোমবার রাতে মাজার দিঘীর কুমিরের আক্রমণে আট বছর বয়সী শিশু ফাতেমার মৃত্যুর পর প্রশাসন ও মাজার কর্তৃপক্ষের টনক নড়ে। ভবিষ্যতে কেউ যেন মাজারে কুমিরের আক্রমণের শিকার হতে না পারে সেই উদ্যোগের কথা জানায় প্রশাসন। তারই অংশ হিসেবে প্রশাসন এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলো।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাটের পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মেজবাহউদ্দিন, সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা রেজাউল করিম চৌধুরী এবং বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু সাইদ শুনু।
এ বিষয়ে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মোহাম্মদ বাতেন বলেন, মানুষের নিরাপত্তা আমাদের কাছে সবার আগে। একটি অমূল্য জীবনের ক্ষতি হয়ে গেছে। এর পরের দুর্ঘটনাটি যদি আমরা আটকাতে না পারি, তবে আমরা আইনের কাছে দায়ী হয়ে যাবো। তাই দীঘিতে থাকা কুমিরটিকে আপাতত অপসারণ করে নিরাপদ জায়গায় সরানো হচ্ছে। বন বিভাগের হেফাজতে এটি সাময়িকভাবে থাকবে। তবে মাজারে আসা পর্যটকদের কথা এবং স্থানীয়দের রুটিরুজির বিষয়টিও আমাদের মাথায় আছে। তাই ভবিষ্যতে কুমির বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে দীঘিতে একটি সুরক্ষিত স্থাপনা বা খাঁচা নির্মাণ করে কুমিরটিকে আবার সুস্থ অবস্থায় ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
রাজনীতি/এসআর

বাগেরহাটের ঐতিহাসিক হযরত খানজাহান আলী (রহ.) মাজার দীঘির কুমিরটিকে খুব শিগগিরই অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছে জেলা প্রশাসন। গত সোমবার দীঘির কুমিরের আক্রমণে আট বছর বয়সী শিশু ফাতেমার মর্মান্তিক মৃত্যুর পর দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জরুরিভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আপাতত কুমিরটিকে বন বিভাগের হেফাজতে রাখা হবে বলে প্রশাসন জানিয়েছে।
মঙ্গলবার রাতে বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে মাজারের সার্বিক নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ক এক জরুরি সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ও খানজাহান আলী মাজার পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি গোলাম মোহাম্মদ বাতেন।
জরুরি এই সভায় মাজারের খাদেম, স্থানীয় সাংবাদিক, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মাদ্রাসার শিক্ষক প্রতিনিধি এবং স্থানীয় বাসিন্দারা অংশ নেন।
সোমবার রাতে মাজার দিঘীর কুমিরের আক্রমণে আট বছর বয়সী শিশু ফাতেমার মৃত্যুর পর প্রশাসন ও মাজার কর্তৃপক্ষের টনক নড়ে। ভবিষ্যতে কেউ যেন মাজারে কুমিরের আক্রমণের শিকার হতে না পারে সেই উদ্যোগের কথা জানায় প্রশাসন। তারই অংশ হিসেবে প্রশাসন এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলো।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাটের পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মেজবাহউদ্দিন, সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা রেজাউল করিম চৌধুরী এবং বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু সাইদ শুনু।
এ বিষয়ে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মোহাম্মদ বাতেন বলেন, মানুষের নিরাপত্তা আমাদের কাছে সবার আগে। একটি অমূল্য জীবনের ক্ষতি হয়ে গেছে। এর পরের দুর্ঘটনাটি যদি আমরা আটকাতে না পারি, তবে আমরা আইনের কাছে দায়ী হয়ে যাবো। তাই দীঘিতে থাকা কুমিরটিকে আপাতত অপসারণ করে নিরাপদ জায়গায় সরানো হচ্ছে। বন বিভাগের হেফাজতে এটি সাময়িকভাবে থাকবে। তবে মাজারে আসা পর্যটকদের কথা এবং স্থানীয়দের রুটিরুজির বিষয়টিও আমাদের মাথায় আছে। তাই ভবিষ্যতে কুমির বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে দীঘিতে একটি সুরক্ষিত স্থাপনা বা খাঁচা নির্মাণ করে কুমিরটিকে আবার সুস্থ অবস্থায় ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
রাজনীতি/এসআর

এর আগে গতকাল সোমবার রাত ৮টার দিকে মাজারের দিঘির সিঁড়ি থেকে ফাতেমাকে টেনে নিয়ে যায় কুমির। পরে রাতভর ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের উদ্ধার অভিযানের পর আজ ভোর ৫টার দিকে দীঘির পূর্ব পাড় থেকে ভাসমান অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্ত ছাড়াই তাকে দাফন করা হয়েছে।
২০ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাতে ভিকটিমের মেয়ে লিজা মণি ওরফে এষা বাইরে প্রাইভেট পড়া শেষে বাসায় ফিরে দরজা খোলাই দেখতে পায়। ভেতরে ঢুকে সে তার বাবা ও ভাইকে রক্তাক্ত অবস্থায় ছটফট করতে দেখে চিৎকার শুরু করে। তার চিৎকার শুনে আশেপাশের প্রতিবেশীরা দ্রুত ছুটে এসে গুরুতর আহত বাবা ও ছেলেকে উদ্ধার
১ দিন আগে
শিবচর হাইওয়ে পুলিশ সূত্র জানায়, প্রাইভেটকারটি ঢাকা থেকে যশোরের দিকে যাচ্ছিল। পথে মালিগ্রাম বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গ্যাস ভর্তি দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকের পেছনে প্রাইভেটকারটি ধাক্কা দেয়। এতে দুর্ঘটনাস্থলেই চারজন নিহত হন।
১ দিন আগে
সোমবার (১ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে শিশু ফাতেমাকে ড়েনে নিয়ে যায় কুমির। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার অভিযান শুরু করে। দিঘিতে রাতভর অভিযান চালানোর পর মঙ্গলবার (২ জুন) ভোরে মহিলা ঘাটের পাশে পাওয়া যায় তার মরদেহ।
১ দিন আগে