
শংকর লাল দাস, পটুয়াখালী

পটুয়াখালীর আউলিয়াপুরে গড়ে উঠছে দেশের নবম ও দ্বিতীয় বৃহত্তম ইপিজেড। পুরোদমে চলছে নির্মাণ কাজ। ৪১০ একরের বেশি জমিতে ১ হাজার ৪৪২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই অর্থনৈতিক অঞ্চলটি দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনীতিতে বিপ্লব আনবে। এতে প্রায় ৩ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হবে। এখানে ১৮ হাজার কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ আসবে। রপ্তানির সম্ভাবনা রয়েছে ১৮৩ কোটি ডলার।
পটুয়াখালীতে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড) তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা)। পদ্মা সেতু চালুর পর এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
২০২৩ সালের ২৯ আগস্ট জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এই প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। একই বছরের জুলাই মাসে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে।
পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর পটুয়াখালী ইপিজেডের কাজ গতি পেয়েছে, যা এখন বাস্তবে রূপ নিচ্ছে। পদ্মা সেতুর মাধ্যমে রাজধানীর সঙ্গে পটুয়াখালীর সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হয়েছে। এর পাশাপাশি, পটুয়াখালীতে গড়ে উঠেছে পায়রা সমুদ্রবন্দর। ভবিষ্যতে ফরিদপুরের ভাঙ্গা থেকে বরিশাল হয়ে পায়রা বন্দর পর্যন্ত রেল যোগাযোগ স্থাপনেরও পরিকল্পনা রয়েছে।
বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা) পটুয়াখালীতে ইপিজেড স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে এই অঞ্চলের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতাকে বিবেচনায় রেখে। বর্তমানে কলাপাড়ায় ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের দুটি তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র চালু রয়েছে এবং একই ক্ষমতাসম্পন্ন আরও একটি কেন্দ্র নির্মাণাধীন। এছাড়াও, বরগুনার তালতলীতে ৩০৭ মেগাওয়াটের একটি তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র এবং বাগেরহাটের রামপালে আরও একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র সচল রয়েছে। এই বিদ্যুৎ অবকাঠামো ইপিজেড-এর জন্য প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করবে।
সম্পূর্ণ দেশীয় অর্থায়নে নির্মিত এটি বরিশাল বিভাগের প্রথম ইপিজেড। এখানে ৩০৬টি শিল্প প্লট থাকবে, যেখানে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ আসার সম্ভাবনা রয়েছে। বিনিয়োগকারীরা আশা করছেন, এই শিল্প অবকাঠামো দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনীতিতে নতুন গতি আনবে।
এই ইপিজেড গড়ে তুলতে মোট খরচ হচ্ছে ১ হাজার ৪৪২ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকার ১ হাজার ১০৫ কোটি টাকা দেবে, যার ৪০ শতাংশই মূলধনী বিনিয়োগ। বাকি প্রায় ৩৩৮ কোটি টাকা আসবে বেপজার নিজস্ব তহবিল থেকে। আয়তনের দিক থেকে এটি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ইপিজেড।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এই ইপিজেডে আধুনিক সব সুবিধা নিশ্চিত করা হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণের পাশাপাশি চারটি ছয়তলা কারখানা ভবন, তিনটি ১০ তলা ও চারটি ছয়তলা আবাসিক ভবন, একটি ৬ তলা ও দুটি ৪ তলা অফিস ভবন এবং আরও দুটি অন্যান্য ভবন নির্মাণ করা হবে।
বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য ১৪টি সাবস্টেশন, ১৫ কিলোমিটার এইচটি লাইন ও একটি জিআইএস সাবস্টেশন তৈরি করা হচ্ছে, সেই সঙ্গে থাকছে একটি হেলিপ্যাড। এছাড়া, কেন্দ্রীয় বর্জ্য পরিশোধনাগার (সিইটিপি), সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (এসটিপি) এবং বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের জন্য জলাধারও নির্মাণ করা হবে। বিনিয়োগকারীদের সুবিধার জন্য কুয়াকাটায় প্রায় ৮ একর জমির উপর একটি আলাদা ক্লাব তৈরিরও পরিকল্পনা রয়েছে।
পটুয়াখালী ইপিজেডে গড়ে উঠবে হালকা প্রকৌশল, আসবাব, কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, পোশাক তৈরি কারখানা, ইলেকট্রিক্যাল-ইলেকট্রনিকস থেকে শুরু করে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের শিল্প। এই ইপিজেড চালু হলে প্রত্যক্ষভাবে চাকরি পাবেন অন্তত এক লাখ মানুষ, আর পরোক্ষভাবে কর্মসংস্থান হবে আরও দুই লাখের এবং ওই এলাকার লোকজনদের আর্থ-সামজিক উন্নয়ন হবে ।
পটুয়াখালী ইপিজেডকে ঘিরে বিদেশি বিনিয়োগের হিসেবও চমকপ্রদ। এই প্রকল্পে ১৫৩ কোটি ডলার (১৮ হাজার ৩৬০ কোটি টাকার বেশি) বিনিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে। একবার উৎপাদন শুরু হলে এখান থেকে বছরে ১৮৩ কোটি ডলার (প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা) মূল্যের পণ্য রপ্তানি করা সম্ভব হবে।
স্থানীয়রা আশা করছেন, এই অর্থনৈতিক অঞ্চল দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন আনবে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।
পটুয়াখালী ইপিজেডের প্রকল্প পরিচালক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, গ্যাস সংযোগ পেলে তা বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি বড় সুবিধা হবে। তবে গ্যাস না থাকলেও শিল্প স্থাপন সম্ভব, যার উদাহরণ হলো উত্তরা ও মোংলা ইপিজেড।
তিনি আরও জানান, সরকার ভোলা থেকে বরিশালে গ্যাস আনার পরিকল্পনা করছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে পটুয়াখালী ইপিজেডও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গ্যাস সংযোগ পাবে। ইতোমধ্যে জ্বালানি উপদেষ্টা ভোলা পরিদর্শন করে গেছেন এবং সেই অনুযায়ী কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে।
প্রকল্প পরিচালক জানান, প্রকল্পের প্রায় ৩০০ একর জমি বালু ফেলে প্রস্তুত করা হয়েছে এবং ভেতরের রাস্তা ও রক্ষা প্রাচীরের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। জমি অধিগ্রহণের শিকার ১৫৪ জনের পুনর্বাসন প্রক্রিয়াও চলছে।
তিনি আরও বলেন, অনেক বিনিয়োগকারীর সঙ্গে কথা হয়েছে এবং আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে কয়েকজনকে প্লট বুঝিয়ে দেওয়া হবে, যাতে তারা দ্রুত উৎপাদন শুরু করতে পারেন।

পটুয়াখালীর আউলিয়াপুরে গড়ে উঠছে দেশের নবম ও দ্বিতীয় বৃহত্তম ইপিজেড। পুরোদমে চলছে নির্মাণ কাজ। ৪১০ একরের বেশি জমিতে ১ হাজার ৪৪২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই অর্থনৈতিক অঞ্চলটি দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনীতিতে বিপ্লব আনবে। এতে প্রায় ৩ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হবে। এখানে ১৮ হাজার কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ আসবে। রপ্তানির সম্ভাবনা রয়েছে ১৮৩ কোটি ডলার।
পটুয়াখালীতে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড) তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা)। পদ্মা সেতু চালুর পর এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
২০২৩ সালের ২৯ আগস্ট জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এই প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। একই বছরের জুলাই মাসে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে।
পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর পটুয়াখালী ইপিজেডের কাজ গতি পেয়েছে, যা এখন বাস্তবে রূপ নিচ্ছে। পদ্মা সেতুর মাধ্যমে রাজধানীর সঙ্গে পটুয়াখালীর সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হয়েছে। এর পাশাপাশি, পটুয়াখালীতে গড়ে উঠেছে পায়রা সমুদ্রবন্দর। ভবিষ্যতে ফরিদপুরের ভাঙ্গা থেকে বরিশাল হয়ে পায়রা বন্দর পর্যন্ত রেল যোগাযোগ স্থাপনেরও পরিকল্পনা রয়েছে।
বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা) পটুয়াখালীতে ইপিজেড স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে এই অঞ্চলের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতাকে বিবেচনায় রেখে। বর্তমানে কলাপাড়ায় ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের দুটি তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র চালু রয়েছে এবং একই ক্ষমতাসম্পন্ন আরও একটি কেন্দ্র নির্মাণাধীন। এছাড়াও, বরগুনার তালতলীতে ৩০৭ মেগাওয়াটের একটি তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র এবং বাগেরহাটের রামপালে আরও একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র সচল রয়েছে। এই বিদ্যুৎ অবকাঠামো ইপিজেড-এর জন্য প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করবে।
সম্পূর্ণ দেশীয় অর্থায়নে নির্মিত এটি বরিশাল বিভাগের প্রথম ইপিজেড। এখানে ৩০৬টি শিল্প প্লট থাকবে, যেখানে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ আসার সম্ভাবনা রয়েছে। বিনিয়োগকারীরা আশা করছেন, এই শিল্প অবকাঠামো দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনীতিতে নতুন গতি আনবে।
এই ইপিজেড গড়ে তুলতে মোট খরচ হচ্ছে ১ হাজার ৪৪২ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকার ১ হাজার ১০৫ কোটি টাকা দেবে, যার ৪০ শতাংশই মূলধনী বিনিয়োগ। বাকি প্রায় ৩৩৮ কোটি টাকা আসবে বেপজার নিজস্ব তহবিল থেকে। আয়তনের দিক থেকে এটি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ইপিজেড।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এই ইপিজেডে আধুনিক সব সুবিধা নিশ্চিত করা হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণের পাশাপাশি চারটি ছয়তলা কারখানা ভবন, তিনটি ১০ তলা ও চারটি ছয়তলা আবাসিক ভবন, একটি ৬ তলা ও দুটি ৪ তলা অফিস ভবন এবং আরও দুটি অন্যান্য ভবন নির্মাণ করা হবে।
বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য ১৪টি সাবস্টেশন, ১৫ কিলোমিটার এইচটি লাইন ও একটি জিআইএস সাবস্টেশন তৈরি করা হচ্ছে, সেই সঙ্গে থাকছে একটি হেলিপ্যাড। এছাড়া, কেন্দ্রীয় বর্জ্য পরিশোধনাগার (সিইটিপি), সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (এসটিপি) এবং বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের জন্য জলাধারও নির্মাণ করা হবে। বিনিয়োগকারীদের সুবিধার জন্য কুয়াকাটায় প্রায় ৮ একর জমির উপর একটি আলাদা ক্লাব তৈরিরও পরিকল্পনা রয়েছে।
পটুয়াখালী ইপিজেডে গড়ে উঠবে হালকা প্রকৌশল, আসবাব, কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, পোশাক তৈরি কারখানা, ইলেকট্রিক্যাল-ইলেকট্রনিকস থেকে শুরু করে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের শিল্প। এই ইপিজেড চালু হলে প্রত্যক্ষভাবে চাকরি পাবেন অন্তত এক লাখ মানুষ, আর পরোক্ষভাবে কর্মসংস্থান হবে আরও দুই লাখের এবং ওই এলাকার লোকজনদের আর্থ-সামজিক উন্নয়ন হবে ।
পটুয়াখালী ইপিজেডকে ঘিরে বিদেশি বিনিয়োগের হিসেবও চমকপ্রদ। এই প্রকল্পে ১৫৩ কোটি ডলার (১৮ হাজার ৩৬০ কোটি টাকার বেশি) বিনিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে। একবার উৎপাদন শুরু হলে এখান থেকে বছরে ১৮৩ কোটি ডলার (প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা) মূল্যের পণ্য রপ্তানি করা সম্ভব হবে।
স্থানীয়রা আশা করছেন, এই অর্থনৈতিক অঞ্চল দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন আনবে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।
পটুয়াখালী ইপিজেডের প্রকল্প পরিচালক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, গ্যাস সংযোগ পেলে তা বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি বড় সুবিধা হবে। তবে গ্যাস না থাকলেও শিল্প স্থাপন সম্ভব, যার উদাহরণ হলো উত্তরা ও মোংলা ইপিজেড।
তিনি আরও জানান, সরকার ভোলা থেকে বরিশালে গ্যাস আনার পরিকল্পনা করছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে পটুয়াখালী ইপিজেডও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গ্যাস সংযোগ পাবে। ইতোমধ্যে জ্বালানি উপদেষ্টা ভোলা পরিদর্শন করে গেছেন এবং সেই অনুযায়ী কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে।
প্রকল্প পরিচালক জানান, প্রকল্পের প্রায় ৩০০ একর জমি বালু ফেলে প্রস্তুত করা হয়েছে এবং ভেতরের রাস্তা ও রক্ষা প্রাচীরের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। জমি অধিগ্রহণের শিকার ১৫৪ জনের পুনর্বাসন প্রক্রিয়াও চলছে।
তিনি আরও বলেন, অনেক বিনিয়োগকারীর সঙ্গে কথা হয়েছে এবং আগামী ফেব্রুয়ারির মধ্যে কয়েকজনকে প্লট বুঝিয়ে দেওয়া হবে, যাতে তারা দ্রুত উৎপাদন শুরু করতে পারেন।

সিলেটে পুলিশের ধাওয়া করা ছিনতাইকারী-মাদকসেবীকে আটক করতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে র্যাবের এক সদস্য নিহত হয়েছেন। তারা নাম ইমন আচার্য। তিনি র্যাব-৯ এ কর্মরত ছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। আজ শুক্রবার দুপুর ২টার পর ঝিনাইদহ পৌর কালেক্টরেট জামে মসজিদের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় তার ওপর ডিম নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে।
৫ ঘণ্টা আগে
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযান ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তারের জন্য তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের হামলা ও মারধর শিকার হয়েছেন দুই পুলিশ কর্মকর্তা। একটি উলটে যাওয়া ট্রাক্টর উদ্ধারে সহযোগিতা করতে গেলে ‘পুলিশের তাড়া খেয়েই দুর্ঘটনা ঘটেছে’— এমন গুজব ছড়িয়ে তাদের ওপর এই বর্বর হামলা চ
৭ ঘণ্টা আগে
এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্তকে আটক করলে পুলিশকেই ঘিরে ধরে জনতা। তাদের দাবি, অভিযুক্তকে তাদের হাতে তুলে দিতে হবে। এ নিয়ে পুলিশ ও স্থানীয় জনতার মধ্যে সংঘর্ষ চলছে।
১ দিন আগে