
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের আলোচিত সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমনের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
বুধবার (১২ আগস্ট) চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানায় করা একটি চাঁদাবাজির মামলায় চট্টগ্রাম জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট লোকমান হাকিমের আদালত এ আদেশ দেন।
মামলায় ডেভিড ইমনের সাত দিনের রিমান্ড চেয়েছিল পুলিশ। শুনানি শেষে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলার কোর্ট পরিদর্শক হাবিবুর রহমান।
চাঁদাবাজির এই মামলার সূত্র ধরে ডেভিড ইমনের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক একটি হামলার অভিযোগও সামনে এসেছে। গত ১৩ জুলাই চট্টগ্রাম নগরের চকবাজার অ্যাকসেস রোডে ডিডিএন নামে একটি ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, এর দুই দিন আগে প্রতিষ্ঠানটির মালিকের কাছে বড় অঙ্কের চাঁদা দাবি করা হয়েছিল।
১১ জুলাই হোয়াটসঅ্যাপে ফোন করে ‘ডেভিড ইমন’ পরিচয়ে এককালীন ২ কোটি টাকা এবং পরবর্তী সময়ে প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে হুমকিও দেওয়া হয়।
পুলিশের তথ্যমতে, ওই হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে মো. ইউনুস, ইমরান হোসেন চ্যাং, আকবর হোসেন, মো. সুমন, মো. মনির ওরফে কেহেরমান, মো. গিয়াস উদ্দিন, মো. নয়ন এবং মোহাম্মদ আবদুল নাহিদ ওরফে ফরহাদ রয়েছেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, হামলাকারীরা ডিডিএনের কার্যালয়ে ঢুকে কম্পিউটার, ল্যাপটপ, প্রিন্টার, ফিঙ্গারপ্রিন্ট মেশিন, আসবাব ও কাচের দরজা ভাঙচুর করে। এতে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়। এ ছাড়া অফিস থেকে ৪৭ হাজার টাকা, তিনটি মোবাইল ফোন, একটি ক্যানন প্রিন্টার এবং প্রতিষ্ঠানের পরিচালক আরিফুল ইসলামের কাঁধের ব্যাগ নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। ওই ব্যাগে কর্মীদের বেতন দেওয়ার জন্য প্রায় ৩৫ লাখ টাকা ছিল বলে এজাহারে বলা হয়েছে।
ডিডিএন কার্যালয়ে হামলার আগে প্রতিষ্ঠানটির মালিককে দেওয়া হুমকিতে বলা হয়েছিল, ‘আমার নাম ডেভিড ইমন, আমার সম্পর্কে পুলিশ কমিশনারকে জিজ্ঞেস করতে পারেন।’
ডেভিড ইমনের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক মামলা রয়েছে। গত ৩০ জুলাই তিনটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে ২ আগস্ট একটি মামলায় চট্টগ্রাম জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোতাসিম বিল্লাহর আদালত তার ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন।
সবশেষ চাঁদাবাজির মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হলো।
পুলিশ জানায়, গত ২৮ জুলাই দিবাগত রাত তিনটার দিকে যশোরের কোতয়ালি থানার ঝুমঝুমপুর এলাকা থেকে ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে চেকপোস্ট বসিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে যশোর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও কোতয়ালি থানা পুলিশের পাশাপাশি চট্টগ্রাম জেলা গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরাও ছিলেন।
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির কাঞ্চননগর এলাকার মো. মুসার ছেলে ডেভিড ইমন একসময় এলাকায় সাধারণ জীবনযাপন করতেন বলে স্থানীয়দের তথ্য। পরে শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ গ্রুপে যোগ দেওয়ার পর একাধিক হত্যাকাণ্ডে তার নাম আসে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পিস্তল হাতে তার একাধিক ছবিও ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, একপর্যায়ে তিনি সাজ্জাদ গ্রুপের ‘সেকেন্ড ইন কমান্ড’ হিসেবে পরিচিতি পান।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রামের জোড়া খুনসহ ডেভিড ইমনের বিরুদ্ধে অন্তত ১৮টি মামলা রয়েছে। এসব মামলার কয়েকটিতে তার বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে।

চট্টগ্রামের আলোচিত সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমনের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
বুধবার (১২ আগস্ট) চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানায় করা একটি চাঁদাবাজির মামলায় চট্টগ্রাম জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট লোকমান হাকিমের আদালত এ আদেশ দেন।
মামলায় ডেভিড ইমনের সাত দিনের রিমান্ড চেয়েছিল পুলিশ। শুনানি শেষে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলার কোর্ট পরিদর্শক হাবিবুর রহমান।
চাঁদাবাজির এই মামলার সূত্র ধরে ডেভিড ইমনের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক একটি হামলার অভিযোগও সামনে এসেছে। গত ১৩ জুলাই চট্টগ্রাম নগরের চকবাজার অ্যাকসেস রোডে ডিডিএন নামে একটি ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, এর দুই দিন আগে প্রতিষ্ঠানটির মালিকের কাছে বড় অঙ্কের চাঁদা দাবি করা হয়েছিল।
১১ জুলাই হোয়াটসঅ্যাপে ফোন করে ‘ডেভিড ইমন’ পরিচয়ে এককালীন ২ কোটি টাকা এবং পরবর্তী সময়ে প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে হুমকিও দেওয়া হয়।
পুলিশের তথ্যমতে, ওই হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে মো. ইউনুস, ইমরান হোসেন চ্যাং, আকবর হোসেন, মো. সুমন, মো. মনির ওরফে কেহেরমান, মো. গিয়াস উদ্দিন, মো. নয়ন এবং মোহাম্মদ আবদুল নাহিদ ওরফে ফরহাদ রয়েছেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, হামলাকারীরা ডিডিএনের কার্যালয়ে ঢুকে কম্পিউটার, ল্যাপটপ, প্রিন্টার, ফিঙ্গারপ্রিন্ট মেশিন, আসবাব ও কাচের দরজা ভাঙচুর করে। এতে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়। এ ছাড়া অফিস থেকে ৪৭ হাজার টাকা, তিনটি মোবাইল ফোন, একটি ক্যানন প্রিন্টার এবং প্রতিষ্ঠানের পরিচালক আরিফুল ইসলামের কাঁধের ব্যাগ নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। ওই ব্যাগে কর্মীদের বেতন দেওয়ার জন্য প্রায় ৩৫ লাখ টাকা ছিল বলে এজাহারে বলা হয়েছে।
ডিডিএন কার্যালয়ে হামলার আগে প্রতিষ্ঠানটির মালিককে দেওয়া হুমকিতে বলা হয়েছিল, ‘আমার নাম ডেভিড ইমন, আমার সম্পর্কে পুলিশ কমিশনারকে জিজ্ঞেস করতে পারেন।’
ডেভিড ইমনের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক মামলা রয়েছে। গত ৩০ জুলাই তিনটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে ২ আগস্ট একটি মামলায় চট্টগ্রাম জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোতাসিম বিল্লাহর আদালত তার ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন।
সবশেষ চাঁদাবাজির মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হলো।
পুলিশ জানায়, গত ২৮ জুলাই দিবাগত রাত তিনটার দিকে যশোরের কোতয়ালি থানার ঝুমঝুমপুর এলাকা থেকে ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে চেকপোস্ট বসিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানে যশোর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও কোতয়ালি থানা পুলিশের পাশাপাশি চট্টগ্রাম জেলা গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরাও ছিলেন।
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির কাঞ্চননগর এলাকার মো. মুসার ছেলে ডেভিড ইমন একসময় এলাকায় সাধারণ জীবনযাপন করতেন বলে স্থানীয়দের তথ্য। পরে শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ গ্রুপে যোগ দেওয়ার পর একাধিক হত্যাকাণ্ডে তার নাম আসে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পিস্তল হাতে তার একাধিক ছবিও ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, একপর্যায়ে তিনি সাজ্জাদ গ্রুপের ‘সেকেন্ড ইন কমান্ড’ হিসেবে পরিচিতি পান।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রামের জোড়া খুনসহ ডেভিড ইমনের বিরুদ্ধে অন্তত ১৮টি মামলা রয়েছে। এসব মামলার কয়েকটিতে তার বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে।

ঢাকার সাভারের তেঁতুলঝড়া ইউনিয়নের শ্যামপুর এলাকায় কিছু হাতবোমা ও বোমা তৈরির উপকরণ উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে বনগাঁও ইউনিয়নেও বোমাসদৃশ একটি প্রেসার কুকার উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
সিলেট মহানগর পুলিশের উপকমিশনার মো. সাইফুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল ও আলামত সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে। ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে।
৫ ঘণ্টা আগে
আরিফকে জিজ্ঞাসাবাদের পরই পুলিশ ওই ভবন ঘিরে ফেলে। ঢাকা থেকে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও সিটিটিসিকে ডাকা হয়। সবার উপস্থিতিতে রাতে শুরু হয় অভিযান। পরে ওই বাসায় আরও ৯টি পাইপ বোমা, গান পাউডার, সায়ানাইডসহ বোমা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম পাওয়া যায়। আরিফের কাছে পাওয়া ছয়টিসহ সব মিলিয়ে ১৫টি পাইপ বোমা নিষ্ক্রিয় করে বোম্
৫ ঘণ্টা আগে
ঘটনার পর খবর পেয়ে তার ভাই ফরহাদসহ তিনভাই ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুলিবিদ্ধ ফখরুলকে উদ্ধার করে রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ সুরতহাল রিপোর্ট শেষে ময়নাতদন্তের জন্য বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।
৫ ঘণ্টা আগে