
নাটোর প্রতিনিধি

ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে নাটোরের লালপুর ও বাগাতিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় ঘেরাও করেছে বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরের এ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা, তাঁদের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া এবং ধারণ করা ছবি-ভিডিও মুছে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।
বিক্ষোভকারীরা ইউএনওর বিরুদ্ধে নিয়োগে অনিয়ম ও নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ তুলে কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন। একপর্যায়ে তাঁরা ইউএনওর কক্ষে ঢুকে তাঁর সঙ্গে অশোভন আচরণ করেন এবং তাঁকে অবরুদ্ধ করে রাখেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
ঘটনাস্থলে থাকা সাংবাদিকরা বিক্ষোভের ছবি ও ভিডিও ধারণ করছিলেন। এ সময় তাঁদের ওপর চড়াও হন বিক্ষোভকারীদের কয়েকজন। এনটিভি অনলাইনের প্রতিনিধি সজিবুল ইসলাম, দৈনিক মানবজমিনের প্রতিনিধি রশিদুল ইসলাম ও নেক্সাস টিভির প্রতিনিধি শরিফুল ইসলামসহ কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মীকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন সংশ্লিষ্টরা।
শুধু হামলাই নয়, সাংবাদিকদের মোবাইল ফোনও নিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পরে ওই ফোনে থাকা বিক্ষোভের ছবি ও ভিডিও মুছে ফেলা হয়েছে বলে জানান ভুক্তভোগীরা।
এনটিভি অনলাইনের প্রতিনিধি সজিবুল ইসলাম বলেন, ‘হামলাকারীদের চিহ্নিত করতে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী। আশা করছি আমরা ন্যায়বিচার পাব।’
প্রত্যক্ষদর্শী ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মচারীদের ভাষ্য, দুপুরে স্থানীয় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে ইউএনও কার্যালয়ে যান। ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তুলে তাঁরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে কার্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ শুরু করেন।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম পলাশ বলেন, ‘পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’
ঘটনার পর সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগের পাশাপাশি ইউএনওকে অবরুদ্ধ ও তাঁর সঙ্গে অশোভন আচরণের অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে নাটোরের লালপুর ও বাগাতিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় ঘেরাও করেছে বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরের এ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা, তাঁদের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া এবং ধারণ করা ছবি-ভিডিও মুছে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।
বিক্ষোভকারীরা ইউএনওর বিরুদ্ধে নিয়োগে অনিয়ম ও নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ তুলে কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন। একপর্যায়ে তাঁরা ইউএনওর কক্ষে ঢুকে তাঁর সঙ্গে অশোভন আচরণ করেন এবং তাঁকে অবরুদ্ধ করে রাখেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
ঘটনাস্থলে থাকা সাংবাদিকরা বিক্ষোভের ছবি ও ভিডিও ধারণ করছিলেন। এ সময় তাঁদের ওপর চড়াও হন বিক্ষোভকারীদের কয়েকজন। এনটিভি অনলাইনের প্রতিনিধি সজিবুল ইসলাম, দৈনিক মানবজমিনের প্রতিনিধি রশিদুল ইসলাম ও নেক্সাস টিভির প্রতিনিধি শরিফুল ইসলামসহ কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মীকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন সংশ্লিষ্টরা।
শুধু হামলাই নয়, সাংবাদিকদের মোবাইল ফোনও নিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পরে ওই ফোনে থাকা বিক্ষোভের ছবি ও ভিডিও মুছে ফেলা হয়েছে বলে জানান ভুক্তভোগীরা।
এনটিভি অনলাইনের প্রতিনিধি সজিবুল ইসলাম বলেন, ‘হামলাকারীদের চিহ্নিত করতে কাজ করছে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী। আশা করছি আমরা ন্যায়বিচার পাব।’
প্রত্যক্ষদর্শী ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মচারীদের ভাষ্য, দুপুরে স্থানীয় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে ইউএনও কার্যালয়ে যান। ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তুলে তাঁরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে কার্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ শুরু করেন।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম পলাশ বলেন, ‘পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’
ঘটনার পর সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগের পাশাপাশি ইউএনওকে অবরুদ্ধ ও তাঁর সঙ্গে অশোভন আচরণের অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ঢাকার সাভারের তেঁতুলঝড়া ইউনিয়নের শ্যামপুর এলাকায় কিছু হাতবোমা ও বোমা তৈরির উপকরণ উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে বনগাঁও ইউনিয়নেও বোমাসদৃশ একটি প্রেসার কুকার উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
সিলেট মহানগর পুলিশের উপকমিশনার মো. সাইফুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল ও আলামত সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে। ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে।
৪ ঘণ্টা আগে
আরিফকে জিজ্ঞাসাবাদের পরই পুলিশ ওই ভবন ঘিরে ফেলে। ঢাকা থেকে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও সিটিটিসিকে ডাকা হয়। সবার উপস্থিতিতে রাতে শুরু হয় অভিযান। পরে ওই বাসায় আরও ৯টি পাইপ বোমা, গান পাউডার, সায়ানাইডসহ বোমা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম পাওয়া যায়। আরিফের কাছে পাওয়া ছয়টিসহ সব মিলিয়ে ১৫টি পাইপ বোমা নিষ্ক্রিয় করে বোম্
৫ ঘণ্টা আগে
ঘটনার পর খবর পেয়ে তার ভাই ফরহাদসহ তিনভাই ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুলিবিদ্ধ ফখরুলকে উদ্ধার করে রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ সুরতহাল রিপোর্ট শেষে ময়নাতদন্তের জন্য বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।
৫ ঘণ্টা আগে