
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়িতে বাঙালি ও পাহাড়ে বসবাসরত বিভিন্ন নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনা অবিলম্বে বন্ধ করে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে বাসদ (মার্কসবাদী) নেতারা। বাম দলটির নেতারা একইসঙ্গে পাহাড় থেকে সেনা শাসন প্রত্যাহারের দাবিও জানিয়েছে।
শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী)।
বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী)’-এর সমন্বয়ক মাসুদ রানা এক বিবৃতিতে বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামে এই ধরণের ঘটনা নতুন নয়। এই দেশের নাগরিক হয়েও পাহাড়ি জনগণকে প্রায় উপনিবেশিক শাসনের মধ্যে বসবাস করতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতি দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রই জিইয়ে রেখেছে। সমতলের বাঙ্গালিদের সেখানে সেটেল করে সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়িয়ে পাহাড়ি বাঙ্গালীর সম্প্রীতি বিনষ্ট করেছে অতীতের সকল সরকার।’
তিনি আরও বলেন, ‘সাম্প্রতিককালে বৈষম্যবিরোধী গণঅভ্যুত্থান যখন সকল রকম বৈষম্য অবসানের বার্তা নিয়ে এসেছে, তখন পাহাড়ের তরুণ-যুবারাও সংগঠিত হয়েছেন। তারা পাহাড়ে সেনাশাসন প্রত্যাহারের দাবি তুলেছেন। এটা দীর্ঘদিন পর একটা অভূতপূর্ব ঐক্যের সৃষ্টি করেছে পাহাড়ি জনগণের মধ্যে। আর ঠিক তখনই এই আক্রমণ সংঘটিত করা হলো ও তার প্রেক্ষিতে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি পাহাড়ে তৈরি করা হলো। পাহাড়ে নিরাপত্তাহীনতার দায় শিকার করে অবিলম্বে সেনাশাসন প্রত্যাহারের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি।’
বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) খাগড়াছড়িতে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ওপর হামলার ঘটনার প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করার সময় রাঙামাটিতেও হামলা হয় এবং সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় খাগড়াছড়িতে তিন জন ও রাঙামাটিতে একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় পার্বত্যাঞ্চলজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে মামলাগুলোর কার্যক্রম যেন শেষ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জড়িতদের গ্রেপ্তার করার নির্দেশ দেন নাহিদ ইসলাম।

রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়িতে বাঙালি ও পাহাড়ে বসবাসরত বিভিন্ন নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনা অবিলম্বে বন্ধ করে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে বাসদ (মার্কসবাদী) নেতারা। বাম দলটির নেতারা একইসঙ্গে পাহাড় থেকে সেনা শাসন প্রত্যাহারের দাবিও জানিয়েছে।
শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী)।
বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী)’-এর সমন্বয়ক মাসুদ রানা এক বিবৃতিতে বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামে এই ধরণের ঘটনা নতুন নয়। এই দেশের নাগরিক হয়েও পাহাড়ি জনগণকে প্রায় উপনিবেশিক শাসনের মধ্যে বসবাস করতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতি দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রই জিইয়ে রেখেছে। সমতলের বাঙ্গালিদের সেখানে সেটেল করে সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়িয়ে পাহাড়ি বাঙ্গালীর সম্প্রীতি বিনষ্ট করেছে অতীতের সকল সরকার।’
তিনি আরও বলেন, ‘সাম্প্রতিককালে বৈষম্যবিরোধী গণঅভ্যুত্থান যখন সকল রকম বৈষম্য অবসানের বার্তা নিয়ে এসেছে, তখন পাহাড়ের তরুণ-যুবারাও সংগঠিত হয়েছেন। তারা পাহাড়ে সেনাশাসন প্রত্যাহারের দাবি তুলেছেন। এটা দীর্ঘদিন পর একটা অভূতপূর্ব ঐক্যের সৃষ্টি করেছে পাহাড়ি জনগণের মধ্যে। আর ঠিক তখনই এই আক্রমণ সংঘটিত করা হলো ও তার প্রেক্ষিতে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি পাহাড়ে তৈরি করা হলো। পাহাড়ে নিরাপত্তাহীনতার দায় শিকার করে অবিলম্বে সেনাশাসন প্রত্যাহারের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি।’
বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) খাগড়াছড়িতে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ওপর হামলার ঘটনার প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করার সময় রাঙামাটিতেও হামলা হয় এবং সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় খাগড়াছড়িতে তিন জন ও রাঙামাটিতে একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় পার্বত্যাঞ্চলজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে মামলাগুলোর কার্যক্রম যেন শেষ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জড়িতদের গ্রেপ্তার করার নির্দেশ দেন নাহিদ ইসলাম।

সংশ্লিষ্টদের ধারণা, এ হামলার পেছনে রয়েছেন ক্যাডার বড় সাজ্জাদের অনুসারী ডেভিড ইমনের সহযোগীরা। সম্প্রতি ইমন মোবাইল ফোনে ডিডিএনের স্বত্বাধিকারীর কাছে এককালীন দুই কোটি টাকা ও প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছিলেন। হুমকি দিয়েছিলেন, চাঁদা না দিলে ব্যবসা গুটিয়ে দেওয়া হবে।
১ দিন আগে
নাটোরের লালপুর উপজেলার ডহরশলা এলাকায় একতা এক্সপ্রেস ট্রেন লাইনচ্যুত হয়েছে। আজ সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এতে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে ঢাকার রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। তবে খুলনাগামী ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
২ দিন আগে
আহতদের উদ্ধার করে বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলেন সুমন দাস (৪৫), হৃদয় হাওলাদার (২৬), হাবিবুল্লাহ শেখ (২৮), ফিরোজ শেখ (৬৫) ও মোতালেব হোসেন (৪৮)। তারা জেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।
২ দিন আগে
মহাদেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক জানান, সকালে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দুটি নওগাঁ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
২ দিন আগে