
বান্দরবান প্রতিনিধি

টানা ভারী বৃষ্টি ও বন্যা পরিস্থিতির কারণে স্থগিত থাকা এইচএসসি পরীক্ষা এবং বন্ধ থাকা পর্যটনকেন্দ্রগুলো আগামী বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) থেকে পুনরায় চালুর পরিকল্পনা করছে বান্দরবান জেলা প্রশাসন। তবে আবহাওয়া ও সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সানিউল ফেরদৌস।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বন্যা-পরবর্তী পরিস্থিতি ও পুনর্বাসন কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি।
জেলা প্রশাসক বলেন, ‘আগামী ১৬ জুলাইয়ের মধ্যে আবহাওয়া ও বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে স্থগিত থাকা এইচএসসি পরীক্ষাগুলো পুনরায় শুরু হবে। একই সঙ্গে পর্যটকদের জন্য বন্ধ থাকা জেলার সব পর্যটন স্পটও খুলে দেওয়া হবে।’
এর আগে গত ৬ জুলাই আকস্মিক ভারী বৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল, ভূমিধসের আশঙ্কা ও জননিরাপত্তার বিষয় বিবেচনায় নিয়ে জেলা প্রশাসন প্রথম দফায় ৬ থেকে ১০ জুলাই পর্যন্ত জেলার সব পর্যটনকেন্দ্রে ভ্রমণ নিরুৎসাহিত করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
পরে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ায় ৮ জুলাই আরেকটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ওই নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ১৫ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানো হয়।
টানা সাত দিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বান্দরবানের অধিকাংশ এলাকা প্লাবিত হয়। জেলার ৩৪টি ইউনিয়নের মধ্যে ২৯টি ইউনিয়ন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েন। সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে এবং পর্যটন কার্যক্রমও স্থগিত করা হয়।
তবে গত কয়েক দিনে বৃষ্টিপাত কমে আসা এবং সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি নামতে শুরু করায় জেলার সার্বিক পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে। এ অবস্থায় শিক্ষা কার্যক্রম ও পর্যটন খাত পুনরায় চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে জেলা প্রশাসন।

টানা ভারী বৃষ্টি ও বন্যা পরিস্থিতির কারণে স্থগিত থাকা এইচএসসি পরীক্ষা এবং বন্ধ থাকা পর্যটনকেন্দ্রগুলো আগামী বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) থেকে পুনরায় চালুর পরিকল্পনা করছে বান্দরবান জেলা প্রশাসন। তবে আবহাওয়া ও সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সানিউল ফেরদৌস।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বন্যা-পরবর্তী পরিস্থিতি ও পুনর্বাসন কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি।
জেলা প্রশাসক বলেন, ‘আগামী ১৬ জুলাইয়ের মধ্যে আবহাওয়া ও বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে স্থগিত থাকা এইচএসসি পরীক্ষাগুলো পুনরায় শুরু হবে। একই সঙ্গে পর্যটকদের জন্য বন্ধ থাকা জেলার সব পর্যটন স্পটও খুলে দেওয়া হবে।’
এর আগে গত ৬ জুলাই আকস্মিক ভারী বৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল, ভূমিধসের আশঙ্কা ও জননিরাপত্তার বিষয় বিবেচনায় নিয়ে জেলা প্রশাসন প্রথম দফায় ৬ থেকে ১০ জুলাই পর্যন্ত জেলার সব পর্যটনকেন্দ্রে ভ্রমণ নিরুৎসাহিত করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
পরে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ায় ৮ জুলাই আরেকটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ওই নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ১৫ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানো হয়।
টানা সাত দিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বান্দরবানের অধিকাংশ এলাকা প্লাবিত হয়। জেলার ৩৪টি ইউনিয়নের মধ্যে ২৯টি ইউনিয়ন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েন। সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে এবং পর্যটন কার্যক্রমও স্থগিত করা হয়।
তবে গত কয়েক দিনে বৃষ্টিপাত কমে আসা এবং সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি নামতে শুরু করায় জেলার সার্বিক পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে। এ অবস্থায় শিক্ষা কার্যক্রম ও পর্যটন খাত পুনরায় চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে জেলা প্রশাসন।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) দিবাগত রাতে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার বড়জোড়া গ্রামের ধ্বংসের মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে চক্রের ফেলে যাওয়া একটি মোটরসাইকেল ও খুঁটি অপসারণের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়।
১ দিন আগে
এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, “এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করছি এবং সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করছি।”
১ দিন আগে
শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে বেড়া মডেল থানার পাশের কাগমাইরপাড়া স্টেডিয়াম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
১ দিন আগে
শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে চুরির অভিযোগ তুলে ১৮ বছর বয়সী এক তরুণীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর, গলায় জুতার মালা পরানো ও মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ, প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে তাকে আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়। এ সময় তার ১২ বছর বয়সী ছোট বোনকেও একটি খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়।
১ দিন আগে