
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আড়ালে গত এক দশকে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৬৮ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার অবৈধভাবে বিদেশে পাচার হয়েছে। ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা সংস্থা গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটির (জিএফআই) বিশ্লেষণ অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ট্রেড মিস-ইনভয়েসিং বা পণ্যের মূল্য ভুলভাবে ঘোষণার মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে এই অর্থ সরানো হয়েছে। যা দেশের অর্থনীতির জন্য বড় ধরনের উদ্বেগের বিষয়।
এই পদ্ধতিতে আমদানির ক্ষেত্রে পণ্যের দাম বেশি দেখানো (ওভার ইনভয়েসিং) এবং রপ্তানির ক্ষেত্রে কম দেখানো (আন্ডার ইনভয়েসিং) হয়। এর মাধ্যমে কর ফাঁকি দেওয়া, বিদেশে মুনাফা স্থানান্তর এবং গোপনে সম্পদ সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাণিজ্য মূল্যের এই অসামঞ্জস্যের কারণে ক্ষতির দিক থেকে এশিয়ার উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ শীর্ষ ১০-এর মধ্যে রয়েছে। বিশেষ করে উন্নত দেশগুলোর সঙ্গে লেনদেনের সময় এই ধরনের কারসাজি বেশি হয়েছে। মোট পাচার হওয়া অর্থের মধ্যে প্রায় ৩৩ বিলিয়ন ডলার যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যের সময় সরানো হয়েছে। গবেষণাটি আরও দেখায়, এই সমস্যা শুধু আঞ্চলিক বাণিজ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং এটি বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থার সঙ্গেও জড়িত। দেশের রপ্তানিমুখী খাত ও আমদানিনির্ভর শিল্পগুলোতে এই ধরনের অনিয়ম তুলনামূলক বেশি দেখা গেছে।
দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের সঙ্গে তুলনায় বাংলাদেশের ক্ষতির পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হলেও ভারতের তুলনায় তা অনেক কম। একই সময়ে ভারত থেকে প্রায় ১.০৬ ট্রিলিয়ন ডলার পাচারের তথ্য পাওয়া গেছে। অন্যদিকে, শ্রীলঙ্কার ক্ষেত্রে উন্নত দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যে প্রায় ২৪ বিলিয়ন ডলারের ঘাটতি ধরা পড়েছে, যা দেশটির দুর্বল অর্থনীতিতে বড় প্রভাব ফেলেছে।
পুরো এশিয়া অঞ্চলের চিত্র বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদনে বলা হয়, শুধু ২০২২ সালেই উন্নয়নশীল দেশগুলো থেকে বাণিজ্যের আড়ালে প্রায় ১৬৯ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে। বড় অর্থনীতির দেশগুলোর পাশাপাশি ছোট দেশগুলোতেও এই প্রবণতা স্পষ্টভাবে বিদ্যমান। জিএফআই সতর্ক করে বলেছে, গত এক দশকে এই অনিয়ম কমার কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। বরং অনেক ক্ষেত্রে এটি প্রাতিষ্ঠানিকভাবে গেড়ে বসেছে, যা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর নজরদারি ও নীতিগত উদ্যোগ জরুরি।

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আড়ালে গত এক দশকে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৬৮ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার অবৈধভাবে বিদেশে পাচার হয়েছে। ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা সংস্থা গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটির (জিএফআই) বিশ্লেষণ অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ট্রেড মিস-ইনভয়েসিং বা পণ্যের মূল্য ভুলভাবে ঘোষণার মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে এই অর্থ সরানো হয়েছে। যা দেশের অর্থনীতির জন্য বড় ধরনের উদ্বেগের বিষয়।
এই পদ্ধতিতে আমদানির ক্ষেত্রে পণ্যের দাম বেশি দেখানো (ওভার ইনভয়েসিং) এবং রপ্তানির ক্ষেত্রে কম দেখানো (আন্ডার ইনভয়েসিং) হয়। এর মাধ্যমে কর ফাঁকি দেওয়া, বিদেশে মুনাফা স্থানান্তর এবং গোপনে সম্পদ সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাণিজ্য মূল্যের এই অসামঞ্জস্যের কারণে ক্ষতির দিক থেকে এশিয়ার উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ শীর্ষ ১০-এর মধ্যে রয়েছে। বিশেষ করে উন্নত দেশগুলোর সঙ্গে লেনদেনের সময় এই ধরনের কারসাজি বেশি হয়েছে। মোট পাচার হওয়া অর্থের মধ্যে প্রায় ৩৩ বিলিয়ন ডলার যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যের সময় সরানো হয়েছে। গবেষণাটি আরও দেখায়, এই সমস্যা শুধু আঞ্চলিক বাণিজ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং এটি বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থার সঙ্গেও জড়িত। দেশের রপ্তানিমুখী খাত ও আমদানিনির্ভর শিল্পগুলোতে এই ধরনের অনিয়ম তুলনামূলক বেশি দেখা গেছে।
দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের সঙ্গে তুলনায় বাংলাদেশের ক্ষতির পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হলেও ভারতের তুলনায় তা অনেক কম। একই সময়ে ভারত থেকে প্রায় ১.০৬ ট্রিলিয়ন ডলার পাচারের তথ্য পাওয়া গেছে। অন্যদিকে, শ্রীলঙ্কার ক্ষেত্রে উন্নত দেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যে প্রায় ২৪ বিলিয়ন ডলারের ঘাটতি ধরা পড়েছে, যা দেশটির দুর্বল অর্থনীতিতে বড় প্রভাব ফেলেছে।
পুরো এশিয়া অঞ্চলের চিত্র বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদনে বলা হয়, শুধু ২০২২ সালেই উন্নয়নশীল দেশগুলো থেকে বাণিজ্যের আড়ালে প্রায় ১৬৯ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে। বড় অর্থনীতির দেশগুলোর পাশাপাশি ছোট দেশগুলোতেও এই প্রবণতা স্পষ্টভাবে বিদ্যমান। জিএফআই সতর্ক করে বলেছে, গত এক দশকে এই অনিয়ম কমার কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। বরং অনেক ক্ষেত্রে এটি প্রাতিষ্ঠানিকভাবে গেড়ে বসেছে, যা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর নজরদারি ও নীতিগত উদ্যোগ জরুরি।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আজকের সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির আহ্বায়ক, অর্থ এবং পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
২ দিন আগে
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ব্যাংকের পক্ষ থেকে ব্যবস্থাপনা পরিচালক অরুন কুমার চৌধুরীর নেতৃত্বে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে এ শ্রদ্ধা জানানো হয়। এ সময় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন নির্বাহীরা ও সব স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
৩ দিন আগে
দেশের বাজারে সবশেষ টানা ৬ দফা সমন্বয়ে মোট ২৮ হাজার ৯৮৫ টাকা কমানো হয়েছে স্বর্ণের দাম। বুধবার (২৫ মার্চ) সকালে এক বিজ্ঞপ্তি দিয়ে টানা ৬ষ্ঠ দফা স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার প্রতি ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪১ হাজার ৪৪৫ টাকা
৪ দিন আগে
বিদ্যমান ও পরিকল্পিত কার্যক্রম সুরক্ষায় এডিবির পর্যাপ্ত সম্পদ রয়েছে এবং সদস্য দেশগুলোর চাহিদা অনুযায়ী জরুরি সহায়তা সম্প্রসারণে সংস্থাটি প্রস্তুত। এ ক্ষেত্রে কাউন্টার সাইক্লিক্যাল ঋণ সুবিধাসহ বিভিন্ন আর্থিক উপকরণ ব্যবহার করা হবে।
৪ দিন আগে