
বাসস

বাংলাদেশ ব্যাংক গতকাল মঙ্গলবার ১৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে একাধিক নিলাম পদ্ধতির মাধ্যমে ১৭ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার ক্রয় করেছে।
মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন রোধ এবং প্রবাসী আয় ও রপ্তানি খাতকে পুনরুদ্ধার করার চলমান কৌশলের অংশ হিসেবে এ ডলার ক্রয় করা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৩০ পয়সা দরে কেনা হয়েছে।
এ নিয়ে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মোট ৩৮ কোটি ৯০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার ক্রয় করা হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ৪ হাজার ৩২৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ক্রয় করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক গতকাল মঙ্গলবার ১৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে একাধিক নিলাম পদ্ধতির মাধ্যমে ১৭ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার ক্রয় করেছে।
মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন রোধ এবং প্রবাসী আয় ও রপ্তানি খাতকে পুনরুদ্ধার করার চলমান কৌশলের অংশ হিসেবে এ ডলার ক্রয় করা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৩০ পয়সা দরে কেনা হয়েছে।
এ নিয়ে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মোট ৩৮ কোটি ৯০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার ক্রয় করা হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ৪ হাজার ৩২৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ক্রয় করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আড়ালে গত এক দশকে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৬৮ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার অবৈধভাবে বিদেশে পাচার হয়েছে। ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা সংস্থা গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটির (জিএফআই) বিশ্লেষণ অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ট্রেড মিস-ইনভয়েসিং বা পণ্যের মূল্য ভুলভাবে ঘোষণার মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে এই
৩ দিন আগে
ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে দেশে আবারও ডিজেল আমদানি শুরু হয়েছে। উত্তরাঞ্চলে জ্বালানি তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে চলতি বছরে চতুর্থ দফায় এ কার্যক্রম শুরু করা হয়। শনিবার (২৮ মার্চ) সন্ধ্যা থেকে ভারতের আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলহেড অয়েল ডিপোর উদ্দে
৩ দিন আগে
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যুদ্ধের কারণে চলতি মাসের শুরু থেকে বিশ্ব বাজারে সোনার দাম ঊর্ধ্বমুখী ছিল। এরপর মূল্য সমন্বয় দর ওঠানামা করতে থাকে। বিশ্বজুড়ে স্বর্ণ ও রুপার দামের নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি সূত্রে জানা যায়, এখন আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম বেড়ে ৪ হাজার ৪৯৪ ডলার উ
৪ দিন আগে
বাংলাদেশে এলএনজি আমদানির প্রায় ৭০ শতাংশ আসে কাতার থেকে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর এই সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। কাতার থেকে এ মাসের মাঝামাঝি সময়ে দুটি এলএনজি ট্যাংকার আসার কথা থাকলেও তা হয়নি। এর মধ্যে একটি ট্যাংকার রাস লাফান বন্দর থেকে এলএনজি বোঝাই অবস্থায় এখনো আটকে রয়েছে।
৪ দিন আগে