
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশকে ম্যানুফ্যাকচারিং হাবে রূপান্তরের লক্ষ্যে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার—এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার (৮ মে) সকালে চট্টগ্রাম বন্দরের লালদিয়া চর এলাকা পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি জানান, ডেনমার্কভিত্তিক শিপিং ও লজিস্টিকস কোম্পানি এপি মোলার মায়ের্স্ক (এপিএম) চট্টগ্রাম বন্দরের লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণে প্রায় ৮০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে।
আশিক চৌধুরী বলেন, “আমাদের এখন মূল লক্ষ্য হচ্ছে বিনিয়োগ বাড়ানো এবং এর মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি। বাংলাদেশকে একটি উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হলে বন্দরগুলোর সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি। এ জন্য বিশ্বমানের অভিজ্ঞ প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কাজ করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের বন্দরের সক্ষমতা এখনো সীমিত। ছয় গুণ বাড়ালেও আমরা এখনো ভিয়েতনামের মতো দেশগুলোর সমপর্যায়ে যেতে পারব না। তাই অভিজ্ঞ প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দিয়ে কম জায়গায় অধিক অপারেশনের ব্যবস্থা করতে হবে।”
এ সময় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব মোহাম্মদ শফিকুল আলম, উপ প্রেস সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এবং চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এসএম মনিরুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনের অংশ হিসেবে তিনি বে টার্মিনাল প্রকল্প এলাকা এবং চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন অপারেশনাল কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। দুপুরে রেডিসন ব্লু চট্টগ্রাম বে ভিউ হোটেলে ব্যবসায়ী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
বিকেলে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)-এর যৌথ প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে আশিক চৌধুরী এবং প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব মোহাম্মদ শফিকুল আলম উপস্থিত থাকবেন।

বাংলাদেশকে ম্যানুফ্যাকচারিং হাবে রূপান্তরের লক্ষ্যে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার—এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার (৮ মে) সকালে চট্টগ্রাম বন্দরের লালদিয়া চর এলাকা পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি জানান, ডেনমার্কভিত্তিক শিপিং ও লজিস্টিকস কোম্পানি এপি মোলার মায়ের্স্ক (এপিএম) চট্টগ্রাম বন্দরের লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণে প্রায় ৮০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে।
আশিক চৌধুরী বলেন, “আমাদের এখন মূল লক্ষ্য হচ্ছে বিনিয়োগ বাড়ানো এবং এর মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি। বাংলাদেশকে একটি উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হলে বন্দরগুলোর সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি। এ জন্য বিশ্বমানের অভিজ্ঞ প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কাজ করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের বন্দরের সক্ষমতা এখনো সীমিত। ছয় গুণ বাড়ালেও আমরা এখনো ভিয়েতনামের মতো দেশগুলোর সমপর্যায়ে যেতে পারব না। তাই অভিজ্ঞ প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দিয়ে কম জায়গায় অধিক অপারেশনের ব্যবস্থা করতে হবে।”
এ সময় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব মোহাম্মদ শফিকুল আলম, উপ প্রেস সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এবং চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এসএম মনিরুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনের অংশ হিসেবে তিনি বে টার্মিনাল প্রকল্প এলাকা এবং চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন অপারেশনাল কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। দুপুরে রেডিসন ব্লু চট্টগ্রাম বে ভিউ হোটেলে ব্যবসায়ী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
বিকেলে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)-এর যৌথ প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে আশিক চৌধুরী এবং প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব মোহাম্মদ শফিকুল আলম উপস্থিত থাকবেন।

উৎপাদন পর্যায় থেকে ভোক্তার কাছে যাওয়ার আগে পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে মধ্যস্বত্বভোগীদের কারণে ১০টি নিত্যপণ্যের দাম দেড় গুণের বেশি বেড়ে যায়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে কাঁচামরিচের দাম, উৎপাদক থেকে ক্রেতা পর্যন্ত পৌঁছাতে যার দাম বেড়ে যায় প্রায় ১১৬ শতাংশ। অর্থাৎ কৃষক যে দামে কাঁচামরিচ বিক্রি করেন, ক্রেত
৩ দিন আগে
বুধবার (৪ জুন) অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩-এর ধারা ৫(২) অনুযায়ী মাসুদ খানকে আগামী চার বছরের জন্য বিএসইসির চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে
চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদসহ বিএসইসির যে চার কমিশনার পদত্যাগ করেছেন তারা হলেন— মো. মহসিন চৌধুরী, মো. আলী আকবর, ফারজানা লালারুখ ও মো. সাইফউদ্দিন।
৩ দিন আগে
এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে একটি নামমাত্র ‘যুদ্ধবিরতি’ চুক্তি কার্যকর করতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে জোর কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালানো হলেও ইসরাইল যে তা মানছে না, সেনাপ্রধানের এই বক্তব্যেই তা স্পষ্ট। ইসরাইলি গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
৩ দিন আগে