সর্বস্তরের মানুষকে কিউআর কোডভিত্তিক লেনদেনের আওতায় আনা হবে: অর্থমন্ত্রী

ক্যাশলেস বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে কিউআর কোডভিত্তিক লেনদেনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ঢাকার বনানী কাঁচাবাজারে বাংলা কিউআর কোডভিত্তিক লেনদেন সেবার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘ফুচকা বিক্রেতা, রিকশাচালক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে কিউআর কোডভিত্তিক ডিজিটাল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের আওতায় আনা হবে।’
তিনি বলেন, ‘এই ব্যবস্থার ফলে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে ফুটপাতের বিক্রেতা বা যেকোনো ছোট ব্যবসায়ী যেকোনো ব্যাংক কিংবা সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাকাউন্টে খুব সহজেই কিউআর কোড ব্যবহার করে টাকা গ্রহণ করতে পারবেন।’
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘সরকারের এই উদ্যোগের আওতায় কিউআর কোডের মাধ্যমে যেকোনো লেনদেন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সম্পন্ন হবে এবং এর জন্য কোনো ধরনের বাড়তি চার্জ বা ফি দিতে হবে না।’
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর মতে, কিউআর কোডভিত্তিক লেনদেন চালু হলে সাধারণ মানুষকে আর নগদ টাকা বহন করতে হবে না। এতে লেনদেনের প্রক্রিয়াও আরও সহজ ও দ্রুত হবে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে ছোটখাটো কিছু কারিগরি চ্যালেঞ্জ বা সাময়িক সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে সেগুলো দ্রুত কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্বের বহু উন্নত ও দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতিতে ক্যাশলেস লেনদেন সহজ ও নিরাপদ যা ইতোমধ্যে প্রমাণিত এবং সফল। বাংলাদেশ ব্যাংকও এই আন্তর্জাতিক চর্চাকে দেশে সার্বজনীন করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।’
গত ১ জুলাই থেকে ‘বাংলা কিউআর কোড’ নামে সর্বজনীন ডিজিটাল পেমেন্ট পদ্ধতি চালু হয়েছে। বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে পুরনো কিউআর কোড সরিয়ে বাংলা কিউআর প্রদর্শন এখন বাধ্যতামূলক।
‘এক দেশ এক কিউআর— বাংলা কিউআর’ বাধ্যতামূলক করার পর বাংলা কিউআরের মাধ্যমে লেনদেনের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। বর্তমানে এই ব্যবস্থায় প্রতিদিন প্রায় ১১০ কোটি টাকা লেনদেন হচ্ছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।















-1bec3e-256x144.webp)



