
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশে যখন সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৮ টাকা বাড়ানো হলো, তখনই বিশ্বফুটবলের চির দুই প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে এলো ৫২ হাজার ১০০ টন অপরিশোধিত সয়াবিন তেল। এসব তেল দেশে এনেছে তিন ব্যবসায়ী গ্রুপ।
ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, এসব প্রতিষ্ঠান তেল পরিশোধন করে বাজারজাত করলে সয়াবিন তেলের দাম রোজার আগেই নিয়ন্ত্রণে আসবে।
চট্টগ্রাম বন্দরের তথ্য থেকে জানা যায়, গত ৫ নভেম্বর আর্জেন্টিনা থেকে এমটি আরডমোর চেয়েন্নে নামে একটি ট্যাংকার জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে রওনা দেয়।
জাহাজটি চট্টগ্রামে পৌঁছে ৬ ডিসেম্বর। মাল খালাস করে জাহাজটি ভারতের উদ্দেশে ৯ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম বন্দর ত্যাগ করে। এমটি সানি ভিক্টরি নামের আরেকটি জাহাজ অপরিশোধিত সয়াবিন তেল নিয়ে ৭ নভেম্বর ব্রাজিলের বন্দর থেকে রওনা দেয়। ১০ ডিসেম্বর জাহাজটি চট্টগ্রাম পৌঁছে। দুই জাহাজে চট্টগ্রাম বন্দরে আনা হয়েছে ২১ হাজার ৫০০ টন সয়াবিন তেল।
এ ছাড়া এমটি ডাম্বলডোর নামে আরেকটি জাহাজ গত ২ নভেম্বর দক্ষিণ আমেরিকার দেশ আর্জেন্টিনা থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা দেয়। ৭ ডিসেম্বর জাহাজটি চট্টগ্রাম পৌঁছে। এ ছাড়া একই দেশ থেকে জিঙ্গা থ্রেশার নামে একটি জাহাজ ৫ নভেম্বর চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা দেয়। ১০ ডিসেম্বর জাহাজটি চট্টগ্রাম পৌঁছে। এই দুই জাহাজে রয়েছে ৩০ হাজার ৬০০ টন সয়াবিন তেল।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব মো. ওমর ফারুক বলেন, চারটি জাহাজে করে মোট ৫২ হাজার ১০০ টন অপরিশোধিত সয়াবিন তেল এসেছে। এর মধ্যে আরডমোর চেয়েন্নে থেকে সম্পূর্ণ তেল খালাস করা হয়েছে। বাকি তিনটি জাহাজ থেকে তেল খালাস করে কাস্টম নিয়ন্ত্রিত ট্যাংক টার্মিনালে রাখা হবে।
শুল্ক পরিশোধ করার পর অপরিশোধিত এসব তেল কারখানায় পাঠানো হবে। পরিশোধন করার পর এগুলো বাজারজাত করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

দেশে যখন সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৮ টাকা বাড়ানো হলো, তখনই বিশ্বফুটবলের চির দুই প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে এলো ৫২ হাজার ১০০ টন অপরিশোধিত সয়াবিন তেল। এসব তেল দেশে এনেছে তিন ব্যবসায়ী গ্রুপ।
ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, এসব প্রতিষ্ঠান তেল পরিশোধন করে বাজারজাত করলে সয়াবিন তেলের দাম রোজার আগেই নিয়ন্ত্রণে আসবে।
চট্টগ্রাম বন্দরের তথ্য থেকে জানা যায়, গত ৫ নভেম্বর আর্জেন্টিনা থেকে এমটি আরডমোর চেয়েন্নে নামে একটি ট্যাংকার জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে রওনা দেয়।
জাহাজটি চট্টগ্রামে পৌঁছে ৬ ডিসেম্বর। মাল খালাস করে জাহাজটি ভারতের উদ্দেশে ৯ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম বন্দর ত্যাগ করে। এমটি সানি ভিক্টরি নামের আরেকটি জাহাজ অপরিশোধিত সয়াবিন তেল নিয়ে ৭ নভেম্বর ব্রাজিলের বন্দর থেকে রওনা দেয়। ১০ ডিসেম্বর জাহাজটি চট্টগ্রাম পৌঁছে। দুই জাহাজে চট্টগ্রাম বন্দরে আনা হয়েছে ২১ হাজার ৫০০ টন সয়াবিন তেল।
এ ছাড়া এমটি ডাম্বলডোর নামে আরেকটি জাহাজ গত ২ নভেম্বর দক্ষিণ আমেরিকার দেশ আর্জেন্টিনা থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা দেয়। ৭ ডিসেম্বর জাহাজটি চট্টগ্রাম পৌঁছে। এ ছাড়া একই দেশ থেকে জিঙ্গা থ্রেশার নামে একটি জাহাজ ৫ নভেম্বর চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা দেয়। ১০ ডিসেম্বর জাহাজটি চট্টগ্রাম পৌঁছে। এই দুই জাহাজে রয়েছে ৩০ হাজার ৬০০ টন সয়াবিন তেল।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব মো. ওমর ফারুক বলেন, চারটি জাহাজে করে মোট ৫২ হাজার ১০০ টন অপরিশোধিত সয়াবিন তেল এসেছে। এর মধ্যে আরডমোর চেয়েন্নে থেকে সম্পূর্ণ তেল খালাস করা হয়েছে। বাকি তিনটি জাহাজ থেকে তেল খালাস করে কাস্টম নিয়ন্ত্রিত ট্যাংক টার্মিনালে রাখা হবে।
শুল্ক পরিশোধ করার পর অপরিশোধিত এসব তেল কারখানায় পাঠানো হবে। পরিশোধন করার পর এগুলো বাজারজাত করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। গত বছর বিএসইসির তৎকালীন চেয়ারম্যানকে অবরুদ্ধ করার ঘটনায় ২৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছিল মন্ত্রণালয়। তাদের মধ্যে ২২ জনের বিষয়ে মঙ্গলবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
১ দিন আগে
সংশোধিত বিধানে কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী গ্রাহকের ইক্যুইটির চেয়ে বেশি মার্জিন অর্থায়ন করতে পারবে না। অর্থাৎ গ্রাহকের ইক্যুইটি ও মার্জিন অর্থায়নের অনুপাত সর্বোচ্চ ১:১ থাকবে। পাশাপাশি কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী তার প্রকৃত মূলধন বা নিট সম্পদের চারগুণের বেশি মার্জিন অর্থায়ন করতে পারবে না।
২ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
২ দিন আগে