
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

অক্টোবরের ২৬ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৯৪ কোটি ৯৩ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৩ হাজার ৩৯২ কোটি ৬৮ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে)।
রোববার (২৭ অক্টোবর) এ তথ্য প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
তথ্য অনুযায়ী প্রতিদিন প্রবাসী আয় এসেছে ৭ কোটি ৪৯ লাখ ৭৬ হাজার ৫২৮ ডলার। আগের মাস সেপ্টেম্বরে প্রতিদিন এসছিল ৮ কোটি ১ লাখ ৫৬ হাজার ৬৬৬ ডলার। আগের বছরের অক্টোবর মাসে প্রতিদিন রেমিট্যান্স এসেছিল ৬ কোটি ৫৭ লাখ ১৪ হাজার ৩৩৩ ডলার।
এ হিসাবে আগের মাস সেপ্টেম্বরের তুলনায় অক্টোবরের ২৬ দিনে প্রবাসী আয়ে প্রবাহের ধারা কিছুটা নিম্নমুখী হয়েছে।
তথ্য পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, অক্টোবরের ২৬ দিনে রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫৪ কোটি ৭৩ লাখ ২০ হাজার ডলার। কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৯ কোটি ৯৯ লাখ ৯০ হাজার ডলার। বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১২৯ কোটি ৬৯ লাখ ৭০ হাজার ডলার। আর বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫১ লাখ ২০ হাজার ডলার।
প্রবাসী আয়ের অব্যাহত নিম্নগতির কারণে চলতি বছরের মার্চ মাসে প্রবাসী আয় তলানি ঠেকে। এ সময় প্রবাসী আয়ের ডলারের দাম বৃদ্ধি করার পাশাপাশি বেশ কিছু উদ্যোগ নেওয়ার ফলে প্রবাসী আয় বৃদ্ধি পাওয়া শুরু হয়। জুনে এসে একক মাস হিসাবে এযাবৎ কালের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় আসে ২৫৩ কোটি ৮৬ লাখ ডলার।
এরপর দেশে প্রথমে কোটা সংস্কার আন্দোলন শুরু হলে জুলাই মাসে প্রবাসী আয় কমে যায়। আগস্টে সরকারের পতন হলে প্রবাসী আয়ের কিছুটা বৃদ্ধি পেয়ে ২২২ কোটি ৪১ লাখ ৫০ হাজার ডলারে উপনীত হয়। সেপ্টেম্বরে ২৪০ কোটি ৪১ লাখ ১০ হাজার ডলার আসার মধ্য দিয়ে এ ধারা অব্যাহত থাকে। কিন্তু অক্টোবরের শেষের দিকে এসে প্রবাসী আয় কিছুটা কমল।

অক্টোবরের ২৬ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৯৪ কোটি ৯৩ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৩ হাজার ৩৯২ কোটি ৬৮ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে)।
রোববার (২৭ অক্টোবর) এ তথ্য প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
তথ্য অনুযায়ী প্রতিদিন প্রবাসী আয় এসেছে ৭ কোটি ৪৯ লাখ ৭৬ হাজার ৫২৮ ডলার। আগের মাস সেপ্টেম্বরে প্রতিদিন এসছিল ৮ কোটি ১ লাখ ৫৬ হাজার ৬৬৬ ডলার। আগের বছরের অক্টোবর মাসে প্রতিদিন রেমিট্যান্স এসেছিল ৬ কোটি ৫৭ লাখ ১৪ হাজার ৩৩৩ ডলার।
এ হিসাবে আগের মাস সেপ্টেম্বরের তুলনায় অক্টোবরের ২৬ দিনে প্রবাসী আয়ে প্রবাহের ধারা কিছুটা নিম্নমুখী হয়েছে।
তথ্য পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, অক্টোবরের ২৬ দিনে রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫৪ কোটি ৭৩ লাখ ২০ হাজার ডলার। কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৯ কোটি ৯৯ লাখ ৯০ হাজার ডলার। বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১২৯ কোটি ৬৯ লাখ ৭০ হাজার ডলার। আর বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫১ লাখ ২০ হাজার ডলার।
প্রবাসী আয়ের অব্যাহত নিম্নগতির কারণে চলতি বছরের মার্চ মাসে প্রবাসী আয় তলানি ঠেকে। এ সময় প্রবাসী আয়ের ডলারের দাম বৃদ্ধি করার পাশাপাশি বেশ কিছু উদ্যোগ নেওয়ার ফলে প্রবাসী আয় বৃদ্ধি পাওয়া শুরু হয়। জুনে এসে একক মাস হিসাবে এযাবৎ কালের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় আসে ২৫৩ কোটি ৮৬ লাখ ডলার।
এরপর দেশে প্রথমে কোটা সংস্কার আন্দোলন শুরু হলে জুলাই মাসে প্রবাসী আয় কমে যায়। আগস্টে সরকারের পতন হলে প্রবাসী আয়ের কিছুটা বৃদ্ধি পেয়ে ২২২ কোটি ৪১ লাখ ৫০ হাজার ডলারে উপনীত হয়। সেপ্টেম্বরে ২৪০ কোটি ৪১ লাখ ১০ হাজার ডলার আসার মধ্য দিয়ে এ ধারা অব্যাহত থাকে। কিন্তু অক্টোবরের শেষের দিকে এসে প্রবাসী আয় কিছুটা কমল।

ইউএনডিপির প্রতিবেদনে প্রাক্কলন করা হয়েছে, ইরান যুদ্ধ ঘিরে সৃষ্ট সংঘাতের ফলে আরব দেশগুলোতে বেকারত্বের হার বেড়ে যেতে পারে প্রায় ৪ শতাংশ পর্যন্ত। এর ফলে প্রায় ৩৬ লাখ মানুষ চাকরি হারাতে পারেন। এ ছাড়া নতুন করে দরিদ্র হয়ে পড়তে পারেন আরও প্রায় ৪০ লাখ মানুষ।
২ দিন আগে
এদিকে সোনার দামের সঙ্গে বাড়ানো হয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ৭১৫ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৫ হাজার ৪২৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৪৯৯ টাকা।
২ দিন আগে
রোববার (২৯ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন গণমাধ্যমকে। এর আগে গত বছরের মার্চে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার। এতদিন পর্যন্ত সেটিই দেশের ইতিহাসে এক মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্সের রেকর্ড ছিল।
৪ দিন আগে
আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আড়ালে গত এক দশকে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৬৮ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার অবৈধভাবে বিদেশে পাচার হয়েছে। ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা সংস্থা গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটির (জিএফআই) বিশ্লেষণ অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ট্রেড মিস-ইনভয়েসিং বা পণ্যের মূল্য ভুলভাবে ঘোষণার মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে এই
৪ দিন আগে