
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশের বাজারে পাঁচদিনের ব্যবধানে ফের স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) দাম বাড়ার প্রেক্ষিতে এ দাম বাড়ানো হয়েছে। সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৮৮ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪০ হাজার ৫৮৬ টাকা। বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) থেকে নতুন দাম কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।
বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরবর্তীতে কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান স্বাক্ষর করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
নতুন মূল্য অনুযায়ী, সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৮৮ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪০হাজার ৫৮৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৯৯৪ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৩৪ হাজার ১৯৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৭১৪ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ১৫ হাজার ৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৪৫৮ টাকা বাড়িয়ে ৯৪ হাজার ৪৭৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এদিকে স্বর্ণের দাম কমানো হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৫৭৮ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৪৪৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রূপার দাম ২ হাজার ১১১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ১ হাজার ৫৮৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে গত ১৫ ডিসেম্বর সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৭৭৩ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৪৯৮ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৭০৩ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৩২ হাজার ২০০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৪৫৮ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ১৩ হাজার ৩১৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ২৫৭ টাকা কমিয়ে ৯৩ হাজার ২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
তারও আগে ১২ ডিসেম্বর সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৮৭৮ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৪০ হাজার ২৭১ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৮০৮ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯০৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৫৪০ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ১৪ হাজার ৭৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৩১৮ টাকা বাড়িয়ে ৯৪ হাজার ২৫৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
গত ১০ ডিসেম্বর সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ১৬৬ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৩৯৩ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৯৭ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৩২ হাজার ৯৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৯৪৫ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ১৩ হাজার ২৩৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি স্বর্ণের দাম ৮০৫ টাকা বাড়িয়ে ৯২ হাজার ৯৩৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
এর আগে গত ২ ডিসেম্বর সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৪৮১ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৩৭ হাজার ২২৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৪০০ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৩০ হাজার ৯৯৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ২০২ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ১২ হাজার ২৮৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ২৬ টাকা কমিয়ে ৯২ হাজার ১৩৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

দেশের বাজারে পাঁচদিনের ব্যবধানে ফের স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) দাম বাড়ার প্রেক্ষিতে এ দাম বাড়ানো হয়েছে। সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৮৮ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪০ হাজার ৫৮৬ টাকা। বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) থেকে নতুন দাম কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।
বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরবর্তীতে কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান স্বাক্ষর করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
নতুন মূল্য অনুযায়ী, সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৮৮ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪০হাজার ৫৮৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৯৯৪ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৩৪ হাজার ১৯৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৭১৪ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ১৫ হাজার ৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৪৫৮ টাকা বাড়িয়ে ৯৪ হাজার ৪৭৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এদিকে স্বর্ণের দাম কমানো হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৫৭৮ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৪৪৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রূপার দাম ২ হাজার ১১১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ১ হাজার ৫৮৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে গত ১৫ ডিসেম্বর সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৭৭৩ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৪৯৮ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৭০৩ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৩২ হাজার ২০০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৪৫৮ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ১৩ হাজার ৩১৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ২৫৭ টাকা কমিয়ে ৯৩ হাজার ২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
তারও আগে ১২ ডিসেম্বর সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৮৭৮ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৪০ হাজার ২৭১ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৮০৮ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯০৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৫৪০ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ১৪ হাজার ৭৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ৩১৮ টাকা বাড়িয়ে ৯৪ হাজার ২৫৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
গত ১০ ডিসেম্বর সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ১৬৬ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৩৯৩ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৯৭ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৩২ হাজার ৯৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৯৪৫ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ১৩ হাজার ২৩৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি স্বর্ণের দাম ৮০৫ টাকা বাড়িয়ে ৯২ হাজার ৯৩৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
এর আগে গত ২ ডিসেম্বর সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৪৮১ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৩৭ হাজার ২২৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৪০০ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৩০ হাজার ৯৯৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ২০২ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ১২ হাজার ২৮৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ২৬ টাকা কমিয়ে ৯২ হাজার ১৩৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। গত বছর বিএসইসির তৎকালীন চেয়ারম্যানকে অবরুদ্ধ করার ঘটনায় ২৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছিল মন্ত্রণালয়। তাদের মধ্যে ২২ জনের বিষয়ে মঙ্গলবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
১ দিন আগে
সংশোধিত বিধানে কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী গ্রাহকের ইক্যুইটির চেয়ে বেশি মার্জিন অর্থায়ন করতে পারবে না। অর্থাৎ গ্রাহকের ইক্যুইটি ও মার্জিন অর্থায়নের অনুপাত সর্বোচ্চ ১:১ থাকবে। পাশাপাশি কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী তার প্রকৃত মূলধন বা নিট সম্পদের চারগুণের বেশি মার্জিন অর্থায়ন করতে পারবে না।
২ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
২ দিন আগে