
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে গত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়ে নির্বাচিত হওয়া সৈয়দ এ কে একরামুজ্জামানকে দলে ফিরিয়েছে বিএনপি। আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে ভোট থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তে দল তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করেছে।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করার তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়েছে, ইতোপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থি কার্যকলাপের জন্য বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সাবেক সদস্য এ কে একরামুজ্জানকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। আবেদনের প্রেক্ষিতে দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে।
একরামুজ্জামান বিএনপির চেয়ারপারসন প্রয়াত খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ছিলেন। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার পর তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।
জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকার গুলশান কার্যালয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করেন একরামুজ্জামান। নানা বিষয়ে তাদের আলোচনা হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের জন্য তারেক রহমান তাকে নির্দেশ দেন।
এ সময় বিএনপির বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয় একরামুজ্জামানকে। পরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত খালেদা জিয়ার সম্মানে এবং তারেক রহমানের নির্দেশনায় ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থনে তিনি তার প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন।
আরএকে সিরামিকসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) একরামুজ্জামান ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনে এর আগেও একাধিকবার প্রার্থী হয়েছিলেন। এর মধ্যে নবম ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে লড়ে পরাজিত হন।
পরে ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জয়ী হন। ওই নির্বাচনে ‘কলার ছড়ি’ প্রতীকে তিনি ৮৯ হাজার ৪২৪ ভোট পেয়ে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য বি এম ফরহাদ হোসেন।
এরপর ২০২৪ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগে যোগ দেন একরামুজ্জামান। একই বছর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের কমিটিতে তাকে উপদেষ্টা করা হয়। তবে তার দাবি, কমিটি ঘোষণার পরই তিনি আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন।

দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে গত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়ে নির্বাচিত হওয়া সৈয়দ এ কে একরামুজ্জামানকে দলে ফিরিয়েছে বিএনপি। আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে ভোট থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তে দল তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করেছে।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করার তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়েছে, ইতোপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থি কার্যকলাপের জন্য বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সাবেক সদস্য এ কে একরামুজ্জানকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। আবেদনের প্রেক্ষিতে দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে।
একরামুজ্জামান বিএনপির চেয়ারপারসন প্রয়াত খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ছিলেন। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার পর তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।
জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকার গুলশান কার্যালয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করেন একরামুজ্জামান। নানা বিষয়ে তাদের আলোচনা হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের জন্য তারেক রহমান তাকে নির্দেশ দেন।
এ সময় বিএনপির বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয় একরামুজ্জামানকে। পরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত খালেদা জিয়ার সম্মানে এবং তারেক রহমানের নির্দেশনায় ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থনে তিনি তার প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন।
আরএকে সিরামিকসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) একরামুজ্জামান ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনে এর আগেও একাধিকবার প্রার্থী হয়েছিলেন। এর মধ্যে নবম ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে লড়ে পরাজিত হন।
পরে ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জয়ী হন। ওই নির্বাচনে ‘কলার ছড়ি’ প্রতীকে তিনি ৮৯ হাজার ৪২৪ ভোট পেয়ে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য বি এম ফরহাদ হোসেন।
এরপর ২০২৪ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগে যোগ দেন একরামুজ্জামান। একই বছর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের কমিটিতে তাকে উপদেষ্টা করা হয়। তবে তার দাবি, কমিটি ঘোষণার পরই তিনি আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সামনে আর কোন গণতান্ত্রিক সরকার লাইনচ্যুত হতে পারবে না। আমরা এমন একটি জাতীয় সংসদ বিনির্মাণ করতে চাই,যে সংসদে আর শুধু নৃত্যগীত হবেনা, সেই সংসদে মানুষের কথা বলা হবে, সেখানে কোন রকম সন্ত্রাসীদের জায়গা হবে না। সংসদে মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে এবং এদেশের গণতান্ত্রিক অধিকারের কথা ব
৬ ঘণ্টা আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে কথা বলাটা সব রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব ছিল। তবে আমরা দেখতে পাচ্ছি একটা বিশেষ দল ‘না’ এর পক্ষে কথা তুলছে। তবে আমরা বলতে চাই গণভোটে ‘না’ পাস হলে গণঅভ্যুত্থান ব্যর্থ হবে। আপনারা যদি আমাদের ভোট নাও দেন, তবুও আমাদের অনুরোধ থাকবে আপনারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন।
৮ ঘণ্টা আগে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘রাজনীতিবিদেরা যত বেশি জবাবদিহির আওতায় থাকবেন, দেশের গণতন্ত্র তত বেশি শক্তিশালী হবে। সরকার ও রাজনৈতিক দলকে পার্লামেন্টারি কমিটি, সিভিল সোসাইটি এবং নাগরিক অংশগ্রহণের মাধ্যমে জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ থাকতে হবে।’
৮ ঘণ্টা আগে
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলুর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে তিনি ঘটনাটিকে দেশের জন্য অশুভ ও উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেছেন।
৯ ঘণ্টা আগে