
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘আগামীর সংসদে আইন প্রণয়ন করা হবে, যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। আমরা এমন একটা সংসদ চাই যেখানে আর প্রশংসার স্তুতিবাক্যের প্রচলন হবে না। সংসদ সদস্যরা মানুষের জন্য কথা বলবে, সেই সংসদে বিরোধিতা থাকবে। এমন সংসদ করে আমরা পৃথিবীর বুকে নজির স্থাপন করতে চাই।’
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে চকরিয়া উপজেলার চিরিঙ্গা পালাকাটা মাছঘাট স্টেশনে ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে মহিলা দলের কর্মী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সামনে আর কোন গণতান্ত্রিক সরকার লাইনচ্যুত হতে পারবে না। আমরা এমন একটি জাতীয় সংসদ বিনির্মাণ করতে চাই,যে সংসদে আর শুধু নৃত্যগীত হবেনা, সেই সংসদে মানুষের কথা বলা হবে, সেখানে কোন রকম সন্ত্রাসীদের জায়গা হবে না। সংসদে মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে এবং এদেশের গণতান্ত্রিক অধিকারের কথা বলা হবে।
তিনি বলেন, ‘আগামীর নির্বাচন হবে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা কোন দিকে যাবে সেটা নির্ধারণের নির্বাচন। আগামীর নির্বাচন হবে বাংলাদেশের মানুষের প্রকৃত গণতান্ত্রিক অধিকার বাস্তবায়নের নির্বাচন। শুধু তাই নয় আগামীর নির্বাচন হবে শহীদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আমরা যা প্রস্তুতি করেছি সেটা বাস্তবায়নের নির্বাচন, সুতারং আমরা মনে করি আগামীর নির্বাচন হবে এই জাতির ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন। এটি জাতির বাক বদলে দিবে, গণতন্ত্র দৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড়াবে, সব গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান একটি শক্তিশালী ভিত্তি পাবে। এবং এর মাধ্যমে গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ হিসেবে সেই সমস্ত প্রতিষ্ঠান কাজ করবে।’
এ সময় উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক, সাধারণ সম্পাদক এম মোবারক আলী, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান চৌধুরী খোকন মিয়া, চিরিঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আলী আহমদ ও সদস্য সচিব শরিফুল আলমসহ মহিলা নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘আগামীর সংসদে আইন প্রণয়ন করা হবে, যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। আমরা এমন একটা সংসদ চাই যেখানে আর প্রশংসার স্তুতিবাক্যের প্রচলন হবে না। সংসদ সদস্যরা মানুষের জন্য কথা বলবে, সেই সংসদে বিরোধিতা থাকবে। এমন সংসদ করে আমরা পৃথিবীর বুকে নজির স্থাপন করতে চাই।’
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে চকরিয়া উপজেলার চিরিঙ্গা পালাকাটা মাছঘাট স্টেশনে ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে মহিলা দলের কর্মী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সামনে আর কোন গণতান্ত্রিক সরকার লাইনচ্যুত হতে পারবে না। আমরা এমন একটি জাতীয় সংসদ বিনির্মাণ করতে চাই,যে সংসদে আর শুধু নৃত্যগীত হবেনা, সেই সংসদে মানুষের কথা বলা হবে, সেখানে কোন রকম সন্ত্রাসীদের জায়গা হবে না। সংসদে মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে এবং এদেশের গণতান্ত্রিক অধিকারের কথা বলা হবে।
তিনি বলেন, ‘আগামীর নির্বাচন হবে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা কোন দিকে যাবে সেটা নির্ধারণের নির্বাচন। আগামীর নির্বাচন হবে বাংলাদেশের মানুষের প্রকৃত গণতান্ত্রিক অধিকার বাস্তবায়নের নির্বাচন। শুধু তাই নয় আগামীর নির্বাচন হবে শহীদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আমরা যা প্রস্তুতি করেছি সেটা বাস্তবায়নের নির্বাচন, সুতারং আমরা মনে করি আগামীর নির্বাচন হবে এই জাতির ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন। এটি জাতির বাক বদলে দিবে, গণতন্ত্র দৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড়াবে, সব গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান একটি শক্তিশালী ভিত্তি পাবে। এবং এর মাধ্যমে গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ হিসেবে সেই সমস্ত প্রতিষ্ঠান কাজ করবে।’
এ সময় উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক, সাধারণ সম্পাদক এম মোবারক আলী, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান চৌধুরী খোকন মিয়া, চিরিঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আলী আহমদ ও সদস্য সচিব শরিফুল আলমসহ মহিলা নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জামায়াত আমির বলেন, জনগণ তাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে পাঠিয়েছে। তাই তারা যুক্তি ও বাস্তবতার ভিত্তিতে বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করবেন।
৬ দিন আগে
বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৬ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৬ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৮ দিন আগে