
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

প্রবাসী বাংলাদেশি ভোটারদের জন্য নির্বাচন কমিশন (ইসি) বিদেশে যেসব পোস্টাল ব্যালট পাঠিয়েছে, তা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে বিএনপি। পোস্টাল ব্যালট সংশোধনের অনুরোধ জানিয়েছে দলটি।
বিএনপির অভিযোগ, পোস্টাল ব্যালটে যেভাবে বিভিন্ন নির্বাচনি প্রতীক সাজানো হয়েছে, তা বর্ণানুক্রম অনুযায়ী হয়েছে বলা হলেও প্রকৃতপক্ষে ইচ্ছাকৃত। বিএনপির নির্বাচনি প্রতীক ‘ধানের শীষ’ যেন সহজে পোস্টাল ব্যালটে নজরে না পড়ে, সেটি নিশ্চিত করতেই এভাবে প্রতীকগুলো সাজানো হয়েছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ আপত্তির কথা জানিয়েছে।
পরে নির্বাচন ভবনে প্রেস ব্রিফিংয়ে নজরুল ইসলাম খান বলেন, বিভিন্ন দেশে প্রবাসীদের যে ব্যালট পেপার পাঠানো হয়েছে, সেখানে উদ্দেশ্যমূল্যকভাবে দেশের কয়েকটি রাজনৈতিক দলের নাম ও প্রতীক প্রথম লাইনে দেওয়া হয়েছে। অথচ বিএনপির নাম ও প্রতীক মাঝে দেওয়া হয়েছে। (পোস্টাল ব্যালট) ভাঁজ করলে কারও নজরেই পড়বে না।
পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে এবারই প্রথম প্রবাসী বাংলাদেশিরা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এরই মধ্যে বিশ্বের ১২১টি দেশে সাত লাখ ৬৭ হাজার ২৮ জন প্রবাসী ভোটারের কাছে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হয়েছে।
প্রথমবারের মতো প্রবাস থেকে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়ে প্রবাসীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তাদের অনেকেই পোস্টাল ব্যালটের ছবি দিয়েছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এরপরই পোস্টাল ব্যালটে প্রতীকের অবস্থান নিয়ে আলোচনা ও তর্ক ছড়িয়ে পড়ে।
দুই পাতার পোস্টাল ব্যালটের প্রথম পাতায় ৭০টি ও দ্বিতীয় পাতায় ৫০টি নির্বাচনি প্রতীক রয়েছে। এর মধ্যে প্রথম পাতায় প্রথম সারির পঞ্চম তথা শেষ কলামে রয়েছে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীক। আবার দ্বিতীয় পাতার প্রথম সারিতে চতুর্থ ও পঞ্চম কলামে রয়েছে যথাক্রমে রয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শাপলা কলি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীক। বিএনপির ধানের শীষ রয়েছে প্রথম পাতার সপ্তম সারির শেষ কলামে।
অনেকেই সমালোচনা করে বলেছেন, নির্বাচনি প্রতীকগুলো এমনভাবে সাজানো হয়েছে যেন দাঁড়িপাল্লা, শাপলা কলি ও হাতপাখা প্রতীকগুলো খুব সহজে চোখে পড়ে। অন্যদিকে ধানের শীষ প্রতীকটি যেন খুঁজে পেতে কষ্ট হয়। বিভিন্ন দেশের নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণ করে অনেক গবেষণাতেই উঠে এসেছে, ব্যালট পেপারে প্রতীকের বিন্যাসের ওপর ভিত্তি করে ১০ শতাংশ পর্যন্ত ভোট বেশি বা কম পড়তে পারে, যাকে ‘ব্যালট অর্ডার ইফেক্ট’ বলা হয়ে থাকে।
এ বিষয়েই বিএনপির পক্ষ থেকে আপত্তি ও উদ্বেগের কথা সিইসিকে জানানো হয়েছে বলে জানান নজরুল ইসলাম খান। বলেন, তাদের কাছে মনে হয়েছে যে কমিশন বিষয়টি খেয়াল করেনি।
বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকা এই নেতা বলেন, ‘অ্যালফাবেট (বর্ণনানুক্রম) অনুযায়ী (সাজানো) হয়েছে কি না, সেটাই তাদের কাছে বিবেচনার বিষয় ছিল। কিন্তু ব্যাপারটা ইচ্ছাকৃতভাবেই করা হয়েছে। এটি পরিবর্তনের অনুরোধ জানিয়েছি আমরা। একই সঙ্গে এ ধরনের পোস্টাল ব্যালট সংশোধন করতে বলেছি।
এদিকে বাহরাইনে কিছু মানুষ পোস্টাল ব্যালট নিয়ন্ত্রণ করছেন— এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। বিএনপির পক্ষ থেকে এ বিষয়েও দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে সিইসির।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, বাহরাইনে একটি বিশেষ দলের নেতারা অনেক ব্যালট পেপার হ্যান্ডেল করছেন। এই ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। নির্বাচন কমিশন বলেছে, এমন ঘটনা তারাও জেনেছে। যারা এটি করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেছি।
সিইসির সঙ্গে সাক্ষাতে জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ে দ্বৈত নাগরিকত্ব ইস্যু নিয়েও আলোচনা তুলেছে বিএনপি। কিছু কিছু এলাকায় কিছু প্রার্থী তাদের দ্বৈত নাগরিকত্ব পরিত্যাগের প্রমাণ উপস্থাপন না করায় রিটার্নিং কর্মকর্তারা তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছিলেন। পরে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেও তারা প্রার্থিতা ফেরত পাননি।
এ বিষয়ে বিএনপির অবস্থান তুলে ধরে নজরুল ইসলাম খান বলেন, সংবিধানে বলা রয়েছে— যদি নাগরিকত্ব ত্যাগ করে তাহলে নির্বাচনের জন্য যোগ্য হবে। আরপিও অনুযায়ী হলফনামায় বলতে হয় যে অন্য দেশের নাগরিকত্ব ছেড়ে দিয়েছি।
তিনি আরও বলেন, জটিলতা তৈরি হয়— এমন কিছু না করার অনুরোধ জানিয়েছি। গত ১৫ বছরে নানা কারণে অনেককে বিদেশে যেতে হয়েছে। এখন পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে তারা ফিরে এসেছেন। তাদের নির্বাচনের বাইরে রাখা উচিত হবে না।

প্রবাসী বাংলাদেশি ভোটারদের জন্য নির্বাচন কমিশন (ইসি) বিদেশে যেসব পোস্টাল ব্যালট পাঠিয়েছে, তা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে বিএনপি। পোস্টাল ব্যালট সংশোধনের অনুরোধ জানিয়েছে দলটি।
বিএনপির অভিযোগ, পোস্টাল ব্যালটে যেভাবে বিভিন্ন নির্বাচনি প্রতীক সাজানো হয়েছে, তা বর্ণানুক্রম অনুযায়ী হয়েছে বলা হলেও প্রকৃতপক্ষে ইচ্ছাকৃত। বিএনপির নির্বাচনি প্রতীক ‘ধানের শীষ’ যেন সহজে পোস্টাল ব্যালটে নজরে না পড়ে, সেটি নিশ্চিত করতেই এভাবে প্রতীকগুলো সাজানো হয়েছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ আপত্তির কথা জানিয়েছে।
পরে নির্বাচন ভবনে প্রেস ব্রিফিংয়ে নজরুল ইসলাম খান বলেন, বিভিন্ন দেশে প্রবাসীদের যে ব্যালট পেপার পাঠানো হয়েছে, সেখানে উদ্দেশ্যমূল্যকভাবে দেশের কয়েকটি রাজনৈতিক দলের নাম ও প্রতীক প্রথম লাইনে দেওয়া হয়েছে। অথচ বিএনপির নাম ও প্রতীক মাঝে দেওয়া হয়েছে। (পোস্টাল ব্যালট) ভাঁজ করলে কারও নজরেই পড়বে না।
পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে এবারই প্রথম প্রবাসী বাংলাদেশিরা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এরই মধ্যে বিশ্বের ১২১টি দেশে সাত লাখ ৬৭ হাজার ২৮ জন প্রবাসী ভোটারের কাছে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হয়েছে।
প্রথমবারের মতো প্রবাস থেকে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়ে প্রবাসীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তাদের অনেকেই পোস্টাল ব্যালটের ছবি দিয়েছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এরপরই পোস্টাল ব্যালটে প্রতীকের অবস্থান নিয়ে আলোচনা ও তর্ক ছড়িয়ে পড়ে।
দুই পাতার পোস্টাল ব্যালটের প্রথম পাতায় ৭০টি ও দ্বিতীয় পাতায় ৫০টি নির্বাচনি প্রতীক রয়েছে। এর মধ্যে প্রথম পাতায় প্রথম সারির পঞ্চম তথা শেষ কলামে রয়েছে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীক। আবার দ্বিতীয় পাতার প্রথম সারিতে চতুর্থ ও পঞ্চম কলামে রয়েছে যথাক্রমে রয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শাপলা কলি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীক। বিএনপির ধানের শীষ রয়েছে প্রথম পাতার সপ্তম সারির শেষ কলামে।
অনেকেই সমালোচনা করে বলেছেন, নির্বাচনি প্রতীকগুলো এমনভাবে সাজানো হয়েছে যেন দাঁড়িপাল্লা, শাপলা কলি ও হাতপাখা প্রতীকগুলো খুব সহজে চোখে পড়ে। অন্যদিকে ধানের শীষ প্রতীকটি যেন খুঁজে পেতে কষ্ট হয়। বিভিন্ন দেশের নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণ করে অনেক গবেষণাতেই উঠে এসেছে, ব্যালট পেপারে প্রতীকের বিন্যাসের ওপর ভিত্তি করে ১০ শতাংশ পর্যন্ত ভোট বেশি বা কম পড়তে পারে, যাকে ‘ব্যালট অর্ডার ইফেক্ট’ বলা হয়ে থাকে।
এ বিষয়েই বিএনপির পক্ষ থেকে আপত্তি ও উদ্বেগের কথা সিইসিকে জানানো হয়েছে বলে জানান নজরুল ইসলাম খান। বলেন, তাদের কাছে মনে হয়েছে যে কমিশন বিষয়টি খেয়াল করেনি।
বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকা এই নেতা বলেন, ‘অ্যালফাবেট (বর্ণনানুক্রম) অনুযায়ী (সাজানো) হয়েছে কি না, সেটাই তাদের কাছে বিবেচনার বিষয় ছিল। কিন্তু ব্যাপারটা ইচ্ছাকৃতভাবেই করা হয়েছে। এটি পরিবর্তনের অনুরোধ জানিয়েছি আমরা। একই সঙ্গে এ ধরনের পোস্টাল ব্যালট সংশোধন করতে বলেছি।
এদিকে বাহরাইনে কিছু মানুষ পোস্টাল ব্যালট নিয়ন্ত্রণ করছেন— এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। বিএনপির পক্ষ থেকে এ বিষয়েও দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে সিইসির।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, বাহরাইনে একটি বিশেষ দলের নেতারা অনেক ব্যালট পেপার হ্যান্ডেল করছেন। এই ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। নির্বাচন কমিশন বলেছে, এমন ঘটনা তারাও জেনেছে। যারা এটি করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেছি।
সিইসির সঙ্গে সাক্ষাতে জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ে দ্বৈত নাগরিকত্ব ইস্যু নিয়েও আলোচনা তুলেছে বিএনপি। কিছু কিছু এলাকায় কিছু প্রার্থী তাদের দ্বৈত নাগরিকত্ব পরিত্যাগের প্রমাণ উপস্থাপন না করায় রিটার্নিং কর্মকর্তারা তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছিলেন। পরে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেও তারা প্রার্থিতা ফেরত পাননি।
এ বিষয়ে বিএনপির অবস্থান তুলে ধরে নজরুল ইসলাম খান বলেন, সংবিধানে বলা রয়েছে— যদি নাগরিকত্ব ত্যাগ করে তাহলে নির্বাচনের জন্য যোগ্য হবে। আরপিও অনুযায়ী হলফনামায় বলতে হয় যে অন্য দেশের নাগরিকত্ব ছেড়ে দিয়েছি।
তিনি আরও বলেন, জটিলতা তৈরি হয়— এমন কিছু না করার অনুরোধ জানিয়েছি। গত ১৫ বছরে নানা কারণে অনেককে বিদেশে যেতে হয়েছে। এখন পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে তারা ফিরে এসেছেন। তাদের নির্বাচনের বাইরে রাখা উচিত হবে না।

রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসনের মাধ্যমে দ্রুত অপসারণের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
৪ দিন আগে
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) শীর্ষ নেতাদের মধ্যে দলীয় ও সাংগঠনিক ব্যস্ততা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অধিকাংশ নেতা নিজ নিজ নির্বাচনি এলাকায় গিয়ে নেতাকর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করবেন। তবে কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা ঢাকায় অবস্থান করে কেন্দ্রীয় কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।
৫ দিন আগে
আমাদের মা-বোনেরা যারা অসহায়, যাদের স্বামী অসুস্থ, কাজ করতে পারে না বা স্বামী মারা গেছে প্রত্যেকটি পরিবারের মেয়েরা ফ্যামিলি কার্ড পাবে। এই ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রত্যেক মা-বোন মাসে মাসে আড়াই হাজার টাকা করে পাবেন। ইতিমধ্যে তারেক রহমান সাহেব এটি উদ্বোধন করেছেন। পর্যায়ক্রমে প্রত্যেক পরিবারের অভিভাবক
৬ দিন আগে
বাস্তবতা হলো, আমার এলাকায় কিছু অসাধু ব্যক্তি সায়মা ম্যামের শ্রদ্ধেয় বাবা, সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী সাহেবের নামের অপব্যবহার করছিল। বিষয়টি জানতে পেরে, ম্যামকে অবহিত করলে ম্যাম তাৎক্ষণিকভাবে ইতিবাচক সাড়া দেন। এমনকি ম্যাম আমাকে জানান, যারা তার বাবার নামের অপব্যবহার করে অনিয়ম করার চেষ্টা করছে, তাদের
৬ দিন আগে