
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের ছয় মাসের মূল্যায়নে জামায়াতে ইসলামী বলেছে, সরকার ‘চরম ব্যর্থ’ হয়েছে এবং বিগত ‘ফ্যাসিস্ট’ সরকারের পথেই হাঁটছে। দলটির দাবি, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করা, গ্যাস-জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকিং খাতের নৈরাজ্য এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকার প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘সরকার হ্যাজ ফেল্ড ইটস কমিটমেন্ট, সরকার ব্যর্থ, চরম ব্যর্থ। ফ্যাসিস্ট সরকারের পথ ধরে হাঁটছে, পরিণতি সেদিকেই যাচ্ছে।’
গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘সরকারের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করা। গণভোটের রায় অস্বীকার করে সরকার জনগণের সঙ্গে দেওয়া অঙ্গীকার ভঙ্গ করেছে। গণভোটের গণরায়ের ব্যাপারে সরকারের সরাসরি নেতিবাচক ভূমিকাই হচ্ছে সরকারের প্রথম ব্যর্থতা। এরপর গ্যাস, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট দ্বিতীয় বড় ব্যর্থতা।’
তিনি আরও বলেন, দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট হলেও সরবরাহ হচ্ছে ২ হাজার ৭০০ থেকে ২ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এই সংকটের কারণে শিল্পকারখানার উৎপাদন ও কর্মসংস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণের অভিযোগ তুলে জামায়াতের এই নেতা বলেন, ‘বিভিন্ন জেলা পরিষদ, উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, সিটি করপোরেশন, বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি পদে বিএনপির নেতাকর্মীদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। সরকারি এবং আধা-সরকারি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো বিএনপি দলের নেতাকর্মীদের একটা বেকারত্ব দূর করা ও পুনর্বাসনের একটা কেন্দ্র হয়েছে।’
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির পাশাপাশি বিভিন্ন ক্যাম্পাসে সহিংসতারও সমালোচনা করেন পরওয়ার। বলেন, ‘রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরও বিরোধীদলের নেতাকর্মীরা হামলার শিকার হচ্ছেন। গত ছয় মাসে বিরোধীদলের ছয় নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে।’
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রসঙ্গে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ‘মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও মানুষের স্বস্তি ফেরেনি। মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ থেকে ৯ দশমিক ১৬ শতাংশে নামা মানে পণ্যের দাম কমে যাওয়া নয়, বরং দাম বৃদ্ধির গতি কিছুটা কমেছে।’
ব্যাংকিং খাতেও সরকারের দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই বলে দাবি করেন পরওয়ার। মার্চ শেষে খেলাপি ঋণ ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকায় দাঁড়ানোর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ব্যাংকিং সেক্টরে চরম নৈরাজ্য এবং বিশৃঙ্খলা পরিস্থিতি।’
কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও বিচারব্যবস্থাতেও সরকার ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেন জামায়াতের এই নেতা। একই সঙ্গে বিরোধীদলের সংসদ সদস্যদের উন্নয়ন বরাদ্দে বৈষম্য এবং প্রশাসনে দলীয় প্রভাব বিস্তারের অভিযোগও তোলেন তিনি।
তবে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে কিছুটা স্থিতিশীলতা এবং জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বিশেষ কমিটি গঠনের উদ্যোগকে স্বাগত জানান গোলাম পরওয়ার। তার দাবি, রেমিট্যান্সের কারণে রিজার্ভে স্থিতিশীলতা এসেছে। এতে সরকারের কোনো কৃতিত্ব নেই।
বিরোধী দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা সম্পর্কে প্রশ্নের জবাবে গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘আমরা দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক ভূমিকা পালন করছি। হরতাল, ভাঙচুর বা জ্বালাও-পোড়াওয়ের পথে না গিয়ে সংসদ ও সংসদের বাইরে বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে সরকারকে সহযোগিতা করা হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা আক্রান্ত হচ্ছি, কিন্তু আমরা আক্রমণকারীর ভূমিকায় নেই এখনো। রাজনৈতিক সংঘাত এড়িয়ে জামায়াতে ইসলামী সর্বোচ্চ সংযম দেখাচ্ছে।’
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন দলের নায়েবে আমির মুজিবুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান, হামিদুর রহমান আযাদ ও আব্দুল হালিম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন, নূরুল ইসলাম বুলবুল, শফিকুল ইসলাম মাসুদ, মুহাম্মদ রেজাউল করিম প্রমুখ।

বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের ছয় মাসের মূল্যায়নে জামায়াতে ইসলামী বলেছে, সরকার ‘চরম ব্যর্থ’ হয়েছে এবং বিগত ‘ফ্যাসিস্ট’ সরকারের পথেই হাঁটছে। দলটির দাবি, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করা, গ্যাস-জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকিং খাতের নৈরাজ্য এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকার প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘সরকার হ্যাজ ফেল্ড ইটস কমিটমেন্ট, সরকার ব্যর্থ, চরম ব্যর্থ। ফ্যাসিস্ট সরকারের পথ ধরে হাঁটছে, পরিণতি সেদিকেই যাচ্ছে।’
গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘সরকারের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করা। গণভোটের রায় অস্বীকার করে সরকার জনগণের সঙ্গে দেওয়া অঙ্গীকার ভঙ্গ করেছে। গণভোটের গণরায়ের ব্যাপারে সরকারের সরাসরি নেতিবাচক ভূমিকাই হচ্ছে সরকারের প্রথম ব্যর্থতা। এরপর গ্যাস, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট দ্বিতীয় বড় ব্যর্থতা।’
তিনি আরও বলেন, দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা ৩ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট হলেও সরবরাহ হচ্ছে ২ হাজার ৭০০ থেকে ২ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এই সংকটের কারণে শিল্পকারখানার উৎপাদন ও কর্মসংস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণের অভিযোগ তুলে জামায়াতের এই নেতা বলেন, ‘বিভিন্ন জেলা পরিষদ, উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, সিটি করপোরেশন, বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি পদে বিএনপির নেতাকর্মীদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। সরকারি এবং আধা-সরকারি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো বিএনপি দলের নেতাকর্মীদের একটা বেকারত্ব দূর করা ও পুনর্বাসনের একটা কেন্দ্র হয়েছে।’
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির পাশাপাশি বিভিন্ন ক্যাম্পাসে সহিংসতারও সমালোচনা করেন পরওয়ার। বলেন, ‘রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরও বিরোধীদলের নেতাকর্মীরা হামলার শিকার হচ্ছেন। গত ছয় মাসে বিরোধীদলের ছয় নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে।’
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রসঙ্গে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ‘মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও মানুষের স্বস্তি ফেরেনি। মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ থেকে ৯ দশমিক ১৬ শতাংশে নামা মানে পণ্যের দাম কমে যাওয়া নয়, বরং দাম বৃদ্ধির গতি কিছুটা কমেছে।’
ব্যাংকিং খাতেও সরকারের দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই বলে দাবি করেন পরওয়ার। মার্চ শেষে খেলাপি ঋণ ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকায় দাঁড়ানোর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ব্যাংকিং সেক্টরে চরম নৈরাজ্য এবং বিশৃঙ্খলা পরিস্থিতি।’
কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও বিচারব্যবস্থাতেও সরকার ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেন জামায়াতের এই নেতা। একই সঙ্গে বিরোধীদলের সংসদ সদস্যদের উন্নয়ন বরাদ্দে বৈষম্য এবং প্রশাসনে দলীয় প্রভাব বিস্তারের অভিযোগও তোলেন তিনি।
তবে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে কিছুটা স্থিতিশীলতা এবং জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বিশেষ কমিটি গঠনের উদ্যোগকে স্বাগত জানান গোলাম পরওয়ার। তার দাবি, রেমিট্যান্সের কারণে রিজার্ভে স্থিতিশীলতা এসেছে। এতে সরকারের কোনো কৃতিত্ব নেই।
বিরোধী দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা সম্পর্কে প্রশ্নের জবাবে গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘আমরা দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক ভূমিকা পালন করছি। হরতাল, ভাঙচুর বা জ্বালাও-পোড়াওয়ের পথে না গিয়ে সংসদ ও সংসদের বাইরে বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে সরকারকে সহযোগিতা করা হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা আক্রান্ত হচ্ছি, কিন্তু আমরা আক্রমণকারীর ভূমিকায় নেই এখনো। রাজনৈতিক সংঘাত এড়িয়ে জামায়াতে ইসলামী সর্বোচ্চ সংযম দেখাচ্ছে।’
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন দলের নায়েবে আমির মুজিবুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান, হামিদুর রহমান আযাদ ও আব্দুল হালিম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন, নূরুল ইসলাম বুলবুল, শফিকুল ইসলাম মাসুদ, মুহাম্মদ রেজাউল করিম প্রমুখ।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোট আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় লংমার্চ করবে। ওইদিন সকাল ৭টায় রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জমায়েত হবে। সকাল ৮টা পর্যন্ত এক ঘণ্টার উদ্বোধনী সভা শেষে লংমার্চ শুরু হবে। পথে পাঁচটি পথসভা হবে। মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে শুরু হয়ে লংমার্চটি গাজীপুর, টাঙ্গা
২১ ঘণ্টা আগে
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় ঠাকুরগাঁ-১ আসনটি শূন্য হয়েছে। এ আসনে উপনির্বাচন হবে আগামী ২৯ অক্টোবর।
১ দিন আগে
সকাল ৯টায় কাউন্সিলরদের নিবন্ধনের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী এই কর্মসূচি শুরু হয়। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কাউন্সিলররা ভোট দেন। পরে বিকেলে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
২ দিন আগে