
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশের জ্বালানি খাতের চলমান সংকট নিরসনে বিরোধী দলের কাছ থেকে সমাধানের প্রস্তাব চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর ছুড়ে দেওয়া চ্যালেঞ্জের জবাব দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ।
নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেছেন, তাদের দলের আহ্বায়ক ও সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম প্রধানমন্ত্রীর চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেওয়ার আগেই এই সংকটের সমাধানের জন্য স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি ১৫ দফা প্রস্তাবনা তুলে ধরেছেন। সরকার সে প্রস্তাবনা পড়ে দেখার প্রয়োজন মনে করেনি কিংবা প্রধানমন্ত্রীর কাছে সেসব প্রস্তাবনা পৌঁছানেই হয়নি।
পালটা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে হাসনাত আরও বলেছেন, ‘তথাপি, ছয় মাসের হিসাবটা আমরা মেনে নিলাম। কিন্তু ঘড়িটা বিরোধী দলের নয়, আপনার সরকারের। মার্চেন্ট পাওয়ার পলিসি বাস্তবায়নে যদি ছয় মাসের বেশি লাগে, সেটি আর নীতির প্রশ্ন থাকবে না, সেটি হবে সক্ষমতার ব্যর্থতার স্বীকারোক্তি।’
শনিবার (১৫ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে এ সংক্রান্ত পোস্ট দেন হাসনাত। এর আগে এ দিন সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর মহাখালীর টিঅ্যান্ডটি মাঠে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিরোধী দলের দিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলেন।
ওই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিরোধী দল তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে গ্যাস-বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান দিলে সরকার তা গ্রহণ করবে। তবে বিরোধী দল যদি তা না পারে, তাহলে বিভ্রান্তিকর রাজনীতি করার জন্য তাদের জনগণের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে তাদের।
বিরোধী দলের উদ্দেশে সরকারপ্রধান বলেন, ‘বিভ্রান্তি, হঠকারী রাজনীতি বাদ দেন। জনগণের উপকার হবে— সেই রকম পরিকল্পনা থাকলে উপস্থাপন করুন। রাস্তায় বসে ভাঙচুরের রাজনীতির দিন শেষ।’
এর জবাবে হাসনাত লিখেছেন, প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলকে বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা প্রদানের জন্য ছয় মাসের আলটিমেটাম দিয়ে চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন। আমরা চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করলাম এবং সমাধান পরিকল্পনা প্রস্তাব করছি।
হাসনাত আব্দুল্লাহ লিখেছেন, চ্যালেঞ্জ দেওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রীর জানা দরকার ছিল, সমাধান এরই মধ্যে টেবিলে আছে। এনসিপির আহ্বায়ক, সংসদ সদস্য ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম স্বল্প (৩০ দিন), মধ্য (৬ থেকে ১৮ মাস) ও দীর্ঘমেয়াদি নিয়ে মোট ১৫ দফা সুনির্দিষ্ট সমাধান প্রস্তাব দিয়েছেন। অন্যদিকে আমি ধাপে ধাপে দেখিয়েছি কোন সিদ্ধান্তটি কোথায় ভুল হয়েছে।
ভর্তুকি নীতি, ফুয়েল প্ল্যান, কন্টিনজেন্সি প্ল্যান ও ডিজ্যাস্টার রিকভারি প্ল্যান নিয়ে সুস্পষ্ট বিরোধী দলীয় সদস্যারা সমাধানধর্মী বক্তব্য রেখেছেন দাবি করে এনসিপির এই সংসদ সদস্য লিখেছেন, মতামত এসেছে নাগরিক সমাজ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান থেকেও। এসব ছাপা হয়েছে জাতীয় দৈনিকে, আলোচিত হয়েছে সেমিনারে। প্রধানমন্ত্রীর ঢাউস সাইজের মন্ত্রিসভা ও উপদেষ্টা পরিষদ থাকা সত্ত্বেও এই তথ্য তার কাছে পৌঁছায়নি, এটি লজ্জার কথা।
‘মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারী মিলিয়ে ৬২ জনের সভাসদ। এর একজনও নাগরিক মতামত বা বিরোধী দলের প্রস্তাবনা পড়ে দেখেননি— গণতান্ত্রিক চর্চায় এর চেয়ে খারাপ উদাহরণ কম আছে। প্রশ্নটা আর নীতির নয়, প্রশ্নটা এখন এই টিমের কার্যকারিতা ও যোগ্যতার,’— বলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ।
প্রধানমন্ত্রীকে এনসিপির দেওয়া ৩০ দিনের জন্য পাঁচটি, মধ্যমেয়াদি (৬ থেকে ১৮ মাস) ছয়টি ও দীর্ঘমেয়াদে চারটি সুস্পষ্ট সমাধান প্রস্তাব পড়ে দেখার অনুরোধ জানান কুমিল্লা-৪ আসনের এই সংসদ সদস্য। বলেন, ‘বিদ্যুৎ সংকটের সমাধান আলোচনা করতে বিরোধী দল থেকে বিশেষ সংসদীয় অধিবেশন ডাকার অনুরোধেও সাড়া দিন। আমরা সরকারের এমন ইগ্নোরেন্সকে খুবই হতাশার চোখে দেখি এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশালাকার টিমের সক্ষমতা যোগ্যতা ও আন্তরিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলি।’
ছয় মাসে প্রশাসনে দলীয় পদায়নের অভিযোগ তুলে হাসনাত দাবি করেন, এর ফলে ইনস্টিটিউশনাল মেমোরি বলে কিছু অবশিষ্ট নেই। ফলে ফুয়েল প্ল্যান নেই, কন্টিনজেন্সি প্ল্যান নেই, ডিজ্যাস্টার রিকভারি প্ল্যান নেই। ভর্তুকি কাটা হয়েছে ঠিক সেখান থেকে যেখান থেকে বিদ্যুৎ আসে, আর ক্যাপাসিটি চার্জ অক্ষত।
সচিবালয়ে যারা এসেছেন তারা নতুন, অনভিজ্ঞ ও লবি গ্রুপের পরামর্শে চলছেন দাবি করে হাসনাত আরও বলেন, মহেশখালী এফএসআরইউতে আগুন লাগার পর রক্ষণাবেক্ষণে ত্রুটি ছিল কি না, সেই স্বাধীন তদন্ত প্রতিবেদনটি আজও প্রকাশিত হয়নি। নাশকতা নাকি অবহেলা, সরকার নিজেই জানে না।
সরকারের পক্ষ থেকে ডলারের সংকট ও বকেয়ার জন্য বিদ্যুৎ-জ্বালানি কেনা যাচ্ছে না বলে যে দাবি করা হয়েছে, এর বিপরীতে হাসনাত প্রশ্ন তোলেন— অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অনুমোদিত মার্চেন্ট পাওয়ার পলিসি ২০২৫ এখনো বর্তমান সরকার বাস্তবায়ন করছেন না কেন?
হাসনাত আরও লিখেছেন, “প্রমাণিতভাবে ব্যর্থ মন্ত্রী ও অযোগ্য লোক দিয়ে কৌশলগত খাতে পরীক্ষা-নিরীক্ষাকে ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ বলে না, এটা হচ্ছে ‘আই হ্যাভ নো প্ল্যান’-এর টেস্টিং।”
গণতান্ত্রিক চর্চায় প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলকে আলটিমেটাম কিংবা চ্যালেঞ্জ দেয় না বরং সরকারই তার কাজের জবাবদিহি করে উল্লেখ করে এনসিপির মুখ্য সংগঠক বলেন, ‘এ ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর উচিত ছিল জবাবদিহি করা যে সরকার ছয় মাস ক্ষমতায়, আর দেশ এখন ইতিহাসের সর্বোচ্চ লোডশেডিংয়ে কেন পড়ল! এই রাষ্ট্র কেন অন্ধকারে নিমজ্জিত হলো?’
‘সমাধান আমাদের হাতে আছে। কিন্তু ক্ষমতা আপনার হাতে। ছয় মাস পর জনগণ জানতে চাইবে, দুটোর মধ্যে কোনটির অভাবে দেশ অন্ধকারে ছিল,’— ফেসবুক পোস্টের শেষে উল্লেখ করেছেন হাসনাত আব্দুল্লাহ।

দেশের জ্বালানি খাতের চলমান সংকট নিরসনে বিরোধী দলের কাছ থেকে সমাধানের প্রস্তাব চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর ছুড়ে দেওয়া চ্যালেঞ্জের জবাব দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ।
নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেছেন, তাদের দলের আহ্বায়ক ও সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম প্রধানমন্ত্রীর চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেওয়ার আগেই এই সংকটের সমাধানের জন্য স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি ১৫ দফা প্রস্তাবনা তুলে ধরেছেন। সরকার সে প্রস্তাবনা পড়ে দেখার প্রয়োজন মনে করেনি কিংবা প্রধানমন্ত্রীর কাছে সেসব প্রস্তাবনা পৌঁছানেই হয়নি।
পালটা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে হাসনাত আরও বলেছেন, ‘তথাপি, ছয় মাসের হিসাবটা আমরা মেনে নিলাম। কিন্তু ঘড়িটা বিরোধী দলের নয়, আপনার সরকারের। মার্চেন্ট পাওয়ার পলিসি বাস্তবায়নে যদি ছয় মাসের বেশি লাগে, সেটি আর নীতির প্রশ্ন থাকবে না, সেটি হবে সক্ষমতার ব্যর্থতার স্বীকারোক্তি।’
শনিবার (১৫ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে এ সংক্রান্ত পোস্ট দেন হাসনাত। এর আগে এ দিন সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর মহাখালীর টিঅ্যান্ডটি মাঠে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিরোধী দলের দিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলেন।
ওই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিরোধী দল তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে গ্যাস-বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান দিলে সরকার তা গ্রহণ করবে। তবে বিরোধী দল যদি তা না পারে, তাহলে বিভ্রান্তিকর রাজনীতি করার জন্য তাদের জনগণের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে তাদের।
বিরোধী দলের উদ্দেশে সরকারপ্রধান বলেন, ‘বিভ্রান্তি, হঠকারী রাজনীতি বাদ দেন। জনগণের উপকার হবে— সেই রকম পরিকল্পনা থাকলে উপস্থাপন করুন। রাস্তায় বসে ভাঙচুরের রাজনীতির দিন শেষ।’
এর জবাবে হাসনাত লিখেছেন, প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলকে বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা প্রদানের জন্য ছয় মাসের আলটিমেটাম দিয়ে চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন। আমরা চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করলাম এবং সমাধান পরিকল্পনা প্রস্তাব করছি।
হাসনাত আব্দুল্লাহ লিখেছেন, চ্যালেঞ্জ দেওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রীর জানা দরকার ছিল, সমাধান এরই মধ্যে টেবিলে আছে। এনসিপির আহ্বায়ক, সংসদ সদস্য ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম স্বল্প (৩০ দিন), মধ্য (৬ থেকে ১৮ মাস) ও দীর্ঘমেয়াদি নিয়ে মোট ১৫ দফা সুনির্দিষ্ট সমাধান প্রস্তাব দিয়েছেন। অন্যদিকে আমি ধাপে ধাপে দেখিয়েছি কোন সিদ্ধান্তটি কোথায় ভুল হয়েছে।
ভর্তুকি নীতি, ফুয়েল প্ল্যান, কন্টিনজেন্সি প্ল্যান ও ডিজ্যাস্টার রিকভারি প্ল্যান নিয়ে সুস্পষ্ট বিরোধী দলীয় সদস্যারা সমাধানধর্মী বক্তব্য রেখেছেন দাবি করে এনসিপির এই সংসদ সদস্য লিখেছেন, মতামত এসেছে নাগরিক সমাজ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান থেকেও। এসব ছাপা হয়েছে জাতীয় দৈনিকে, আলোচিত হয়েছে সেমিনারে। প্রধানমন্ত্রীর ঢাউস সাইজের মন্ত্রিসভা ও উপদেষ্টা পরিষদ থাকা সত্ত্বেও এই তথ্য তার কাছে পৌঁছায়নি, এটি লজ্জার কথা।
‘মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারী মিলিয়ে ৬২ জনের সভাসদ। এর একজনও নাগরিক মতামত বা বিরোধী দলের প্রস্তাবনা পড়ে দেখেননি— গণতান্ত্রিক চর্চায় এর চেয়ে খারাপ উদাহরণ কম আছে। প্রশ্নটা আর নীতির নয়, প্রশ্নটা এখন এই টিমের কার্যকারিতা ও যোগ্যতার,’— বলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ।
প্রধানমন্ত্রীকে এনসিপির দেওয়া ৩০ দিনের জন্য পাঁচটি, মধ্যমেয়াদি (৬ থেকে ১৮ মাস) ছয়টি ও দীর্ঘমেয়াদে চারটি সুস্পষ্ট সমাধান প্রস্তাব পড়ে দেখার অনুরোধ জানান কুমিল্লা-৪ আসনের এই সংসদ সদস্য। বলেন, ‘বিদ্যুৎ সংকটের সমাধান আলোচনা করতে বিরোধী দল থেকে বিশেষ সংসদীয় অধিবেশন ডাকার অনুরোধেও সাড়া দিন। আমরা সরকারের এমন ইগ্নোরেন্সকে খুবই হতাশার চোখে দেখি এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশালাকার টিমের সক্ষমতা যোগ্যতা ও আন্তরিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলি।’
ছয় মাসে প্রশাসনে দলীয় পদায়নের অভিযোগ তুলে হাসনাত দাবি করেন, এর ফলে ইনস্টিটিউশনাল মেমোরি বলে কিছু অবশিষ্ট নেই। ফলে ফুয়েল প্ল্যান নেই, কন্টিনজেন্সি প্ল্যান নেই, ডিজ্যাস্টার রিকভারি প্ল্যান নেই। ভর্তুকি কাটা হয়েছে ঠিক সেখান থেকে যেখান থেকে বিদ্যুৎ আসে, আর ক্যাপাসিটি চার্জ অক্ষত।
সচিবালয়ে যারা এসেছেন তারা নতুন, অনভিজ্ঞ ও লবি গ্রুপের পরামর্শে চলছেন দাবি করে হাসনাত আরও বলেন, মহেশখালী এফএসআরইউতে আগুন লাগার পর রক্ষণাবেক্ষণে ত্রুটি ছিল কি না, সেই স্বাধীন তদন্ত প্রতিবেদনটি আজও প্রকাশিত হয়নি। নাশকতা নাকি অবহেলা, সরকার নিজেই জানে না।
সরকারের পক্ষ থেকে ডলারের সংকট ও বকেয়ার জন্য বিদ্যুৎ-জ্বালানি কেনা যাচ্ছে না বলে যে দাবি করা হয়েছে, এর বিপরীতে হাসনাত প্রশ্ন তোলেন— অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অনুমোদিত মার্চেন্ট পাওয়ার পলিসি ২০২৫ এখনো বর্তমান সরকার বাস্তবায়ন করছেন না কেন?
হাসনাত আরও লিখেছেন, “প্রমাণিতভাবে ব্যর্থ মন্ত্রী ও অযোগ্য লোক দিয়ে কৌশলগত খাতে পরীক্ষা-নিরীক্ষাকে ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ বলে না, এটা হচ্ছে ‘আই হ্যাভ নো প্ল্যান’-এর টেস্টিং।”
গণতান্ত্রিক চর্চায় প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলকে আলটিমেটাম কিংবা চ্যালেঞ্জ দেয় না বরং সরকারই তার কাজের জবাবদিহি করে উল্লেখ করে এনসিপির মুখ্য সংগঠক বলেন, ‘এ ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর উচিত ছিল জবাবদিহি করা যে সরকার ছয় মাস ক্ষমতায়, আর দেশ এখন ইতিহাসের সর্বোচ্চ লোডশেডিংয়ে কেন পড়ল! এই রাষ্ট্র কেন অন্ধকারে নিমজ্জিত হলো?’
‘সমাধান আমাদের হাতে আছে। কিন্তু ক্ষমতা আপনার হাতে। ছয় মাস পর জনগণ জানতে চাইবে, দুটোর মধ্যে কোনটির অভাবে দেশ অন্ধকারে ছিল,’— ফেসবুক পোস্টের শেষে উল্লেখ করেছেন হাসনাত আব্দুল্লাহ।

১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর জিয়াউর রহমান বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে পাঁচ দিনের যে কেন্দ্রীয় কর্মসূচি শুরু হয়েছিল, প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে আয়োজিত এই আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে তা শেষ হলো।
২ দিন আগে
ছয় দফা দাবি বাস্তবায়ন না হলে সরকার পতনের এক দফা আন্দোলন শুরু করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ১১-দলীয় ঐক্যের নেতারা। দাবি না মানলেন ডিসেম্বরের মধ্যেই সরকারের পতন হবে বলে জানাচ্ছেন তারা।
২ দিন আগে
তিনি বলেন, ‘সংসদীয় রাজনীতিতে চেক অ্যান্ড ব্যালেন্সের মাধ্যমে সরকারকে জবাবদিহিতার আওতায় রাখার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও সংসদের বিতর্ককে দ্রুত রাজপথে নিয়ে যাওয়ার প্রবণতা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিকে বাধাগ্রস্ত করে।’
২ দিন আগে
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচারসহ ছয় দফা দাবিতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে ‘লংমার্চ’ কর্মসূচি শুরু করেছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট ১১ দলীয় ঐক্য। এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার দুপুরে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডে এক পথসভায় এসব কথা বলেন সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের।
২ দিন আগে