
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে নতুন চার নেতাকে অন্তর্ভুক্ত করেছে বিএনপি। এর মধ্যে রুহুল কবির রিজভী আহমেদ ও আমানউল্লাহ আমান দেশব্যাপী বহুল পরিচিতমুখ। ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার ও মো. ইসমাইল জবিউল্লাহও সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনায় এসেছেন বারবার।
শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে সহ-দপ্তর সম্পাদক মুহম্মদ মুনির হোসেনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বিএনপি এই চার নেতার স্থায়ী কমিটিতে অন্তর্ভুক্তির খবর জানায়।
রুহুল কবির রিজভী বিএনপির দীর্ঘদিনের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এবং দলের সবচেয়ে পরিচিত মুখপাত্রদের একজন। বিরোধী দলে থাকাকালে তিনি দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও গণমাধ্যম-সম্পর্কের মূল দায়িত্বে ছিলেন। আওয়ামী লীগের দীর্ঘ দেড় দশকের শাসনামলে এমনও সময় গেছে, রিজভী মাসের পর মাস একাই নয়াপল্টন কার্যালয়ে অবস্থান করেছেন, রাতের পর রাত কাটিয়েছেন পার্টি অফিসেই।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয় রিজভীকে। এ নির্বাচনে সংসদ সদস্য হিসেবে প্রার্থী হননি তিনি। পরে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে বিএনপি সরকার গঠন করলে তাকে মন্ত্রীর মর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে নিযুক্ত করা হয়।
এদিকে রাষ্ট্রপতি পদে দলীয় মনোনয়ন নিশ্চিত হওয়ায় বিএনপি মহাসচিবের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এখন রিজভীই রয়েছেন ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্বে। দীর্ঘদিনের এমন একজন ত্যাগী নেতার দলের স্থায়ী কমিটিতে অন্তর্ভুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা।
স্থায়ী কমিটিতে জায়গায় পাওয়া আমানউল্লাহ আমানও দেশের রাজনীতিতে পরিচিতমুখ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নির্বাচিত সহসভাপতি (ভিপি) ছিলেন তিনি। নব্বইয়ে সামরিক শাসক হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের বিরুদ্ধে গণআন্দোলনের অন্যতম নেতৃত্বস্থানীয় ছিলেন তিনি। ১৯৯১ সালে অনুষ্ঠিত পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া তাকে ঢাকা-৩ আসনে প্রার্থী করেন, তখনো ডাকসু ভিপি পদে ছয় মাস মেয়াদ বাকি ছিল তার।
আমানউল্লাহ আমানের ছাত্র রাজনীতি থেকে জাতীয় রাজনীতিতে প্রবেশের সেই সূচনালগ্নটিও ছিল গৌরবময়। আওয়ামী লীগের শক্তিশালী প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মোস্তফা মোহসীন মন্টুকে (পরে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে গণফোরামে যোগ দেন, গত বছরের ১৫ জুন প্রয়াত হয়েছেন তিনি) পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত টানা জয় পেয়েছেন তিনি। সবশেষ সদস্যসমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি ঢাকা-২ আসন থেকে বড় ব্যবধানে জয় পেয়ে সংসদ সদস্য হয়েছেন তিনি।
তরুণ বয়সেই আমানউল্লাহকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কাজে যুক্ত করেন খালেদা জিয়া। ২০০১-০৬ মেয়াদের বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারে ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী। ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক ছিলেন তিনি। সবশেষ ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা।
‘খালেদা জিয়ার কামান’ নামে খ্যাত আমানউল্লাহ আমানের মতো পোড় খাওয়া রাজনীতিবিদের বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে স্থান পাওয়ার খবরকেও নেতাকর্মীরা স্বাগত জানিয়েছেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে আরেক সংযোজন অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার একজন পেশাজীবী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরেই জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। প্রখ্যাত এই ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের প্রথম প্রকল্প পরিচালক। বাংলাদেশ মেডিকেল স্টাডিজ অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান তিনি। উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজেরও গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান।
জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন ডা. ফরহাদ। দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী ঘরানার চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে চিকিৎসক সমাজে দলের রাজনীতির নেতৃত্ব দিয়েছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সিন্ডিকেট সদস্য ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সবশেষ বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন। সর্বস্তরের রাজনীতিতে পরিচিতমুখ না হলেও তার গুরুত্ব বিবেচনায় জুলাই অভ্যুত্থানের সময় তাকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে মুক্তি পান তিনি।
নেতাকর্মীদের কাছে বহুল পরিচিতমুখ না হলেও দীর্ঘদিন ধরেই বিএনপির নীতিনির্ধারণে ভূমিকা রেখে আসছেন ডা. ফরহাদ। পেশাজীবী সমাজে তার গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নাতীত। তার বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে অন্তর্ভুক্তিও প্রশংসিত হয়েছে পেশাজীবীদের মধ্যে।
ডা. ফরহাদের মতো বিএনপির স্থায়ী কমিটির নতুন আরেক সদস্য মো. ইসমাইল জবিউল্লাহও একজন পেশাজীবী। দীর্ঘদিনের আমলা জীবনে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সবশেষ ২০০১-০৬ মেয়াদে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে অবসর নেন।
অবসরের পর বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হন ইসমাইল জবিউল্লাহ। বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হন তিনি। ওই সময় থেকেই বিএনপির নীতিনির্ধারণে ভূমিকা রাখতে শুরু করেন। কয়েক মাস আগে বিএনপির প্রতিনিধি হিসেবে ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অব এশিয়ান পলিটিক্যাল পার্টিজের স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত।
এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখ্য সমন্বয়কের দায়িত্বে ছিলেন। নির্বাচনের পর দল সরকার গঠন করলে মন্ত্রীর মর্যাদায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নিযুক্ত করা হয় তাকে। সাবেক এই আমলার বিএনপির সর্বোচ্চ ফোরামে সংযোজনকেও প্রশংসনীয় সিদ্ধান্ত বলে স্বাগত জানিয়েছেন নেতাকর্মীরা।

জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে নতুন চার নেতাকে অন্তর্ভুক্ত করেছে বিএনপি। এর মধ্যে রুহুল কবির রিজভী আহমেদ ও আমানউল্লাহ আমান দেশব্যাপী বহুল পরিচিতমুখ। ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার ও মো. ইসমাইল জবিউল্লাহও সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনায় এসেছেন বারবার।
শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে সহ-দপ্তর সম্পাদক মুহম্মদ মুনির হোসেনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বিএনপি এই চার নেতার স্থায়ী কমিটিতে অন্তর্ভুক্তির খবর জানায়।
রুহুল কবির রিজভী বিএনপির দীর্ঘদিনের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এবং দলের সবচেয়ে পরিচিত মুখপাত্রদের একজন। বিরোধী দলে থাকাকালে তিনি দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও গণমাধ্যম-সম্পর্কের মূল দায়িত্বে ছিলেন। আওয়ামী লীগের দীর্ঘ দেড় দশকের শাসনামলে এমনও সময় গেছে, রিজভী মাসের পর মাস একাই নয়াপল্টন কার্যালয়ে অবস্থান করেছেন, রাতের পর রাত কাটিয়েছেন পার্টি অফিসেই।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয় রিজভীকে। এ নির্বাচনে সংসদ সদস্য হিসেবে প্রার্থী হননি তিনি। পরে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে বিএনপি সরকার গঠন করলে তাকে মন্ত্রীর মর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে নিযুক্ত করা হয়।
এদিকে রাষ্ট্রপতি পদে দলীয় মনোনয়ন নিশ্চিত হওয়ায় বিএনপি মহাসচিবের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এখন রিজভীই রয়েছেন ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্বে। দীর্ঘদিনের এমন একজন ত্যাগী নেতার দলের স্থায়ী কমিটিতে অন্তর্ভুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা।
স্থায়ী কমিটিতে জায়গায় পাওয়া আমানউল্লাহ আমানও দেশের রাজনীতিতে পরিচিতমুখ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নির্বাচিত সহসভাপতি (ভিপি) ছিলেন তিনি। নব্বইয়ে সামরিক শাসক হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের বিরুদ্ধে গণআন্দোলনের অন্যতম নেতৃত্বস্থানীয় ছিলেন তিনি। ১৯৯১ সালে অনুষ্ঠিত পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া তাকে ঢাকা-৩ আসনে প্রার্থী করেন, তখনো ডাকসু ভিপি পদে ছয় মাস মেয়াদ বাকি ছিল তার।
আমানউল্লাহ আমানের ছাত্র রাজনীতি থেকে জাতীয় রাজনীতিতে প্রবেশের সেই সূচনালগ্নটিও ছিল গৌরবময়। আওয়ামী লীগের শক্তিশালী প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মোস্তফা মোহসীন মন্টুকে (পরে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে গণফোরামে যোগ দেন, গত বছরের ১৫ জুন প্রয়াত হয়েছেন তিনি) পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত টানা জয় পেয়েছেন তিনি। সবশেষ সদস্যসমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি ঢাকা-২ আসন থেকে বড় ব্যবধানে জয় পেয়ে সংসদ সদস্য হয়েছেন তিনি।
তরুণ বয়সেই আমানউল্লাহকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কাজে যুক্ত করেন খালেদা জিয়া। ২০০১-০৬ মেয়াদের বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারে ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী। ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক ছিলেন তিনি। সবশেষ ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা।
‘খালেদা জিয়ার কামান’ নামে খ্যাত আমানউল্লাহ আমানের মতো পোড় খাওয়া রাজনীতিবিদের বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে স্থান পাওয়ার খবরকেও নেতাকর্মীরা স্বাগত জানিয়েছেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে আরেক সংযোজন অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার একজন পেশাজীবী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরেই জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। প্রখ্যাত এই ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের প্রথম প্রকল্প পরিচালক। বাংলাদেশ মেডিকেল স্টাডিজ অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান তিনি। উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজেরও গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান।
জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন ডা. ফরহাদ। দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী ঘরানার চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে চিকিৎসক সমাজে দলের রাজনীতির নেতৃত্ব দিয়েছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সিন্ডিকেট সদস্য ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সবশেষ বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন। সর্বস্তরের রাজনীতিতে পরিচিতমুখ না হলেও তার গুরুত্ব বিবেচনায় জুলাই অভ্যুত্থানের সময় তাকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে মুক্তি পান তিনি।
নেতাকর্মীদের কাছে বহুল পরিচিতমুখ না হলেও দীর্ঘদিন ধরেই বিএনপির নীতিনির্ধারণে ভূমিকা রেখে আসছেন ডা. ফরহাদ। পেশাজীবী সমাজে তার গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নাতীত। তার বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে অন্তর্ভুক্তিও প্রশংসিত হয়েছে পেশাজীবীদের মধ্যে।
ডা. ফরহাদের মতো বিএনপির স্থায়ী কমিটির নতুন আরেক সদস্য মো. ইসমাইল জবিউল্লাহও একজন পেশাজীবী। দীর্ঘদিনের আমলা জীবনে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সবশেষ ২০০১-০৬ মেয়াদে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে অবসর নেন।
অবসরের পর বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হন ইসমাইল জবিউল্লাহ। বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হন তিনি। ওই সময় থেকেই বিএনপির নীতিনির্ধারণে ভূমিকা রাখতে শুরু করেন। কয়েক মাস আগে বিএনপির প্রতিনিধি হিসেবে ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অব এশিয়ান পলিটিক্যাল পার্টিজের স্থায়ী কমিটির সদস্য মনোনীত।
এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখ্য সমন্বয়কের দায়িত্বে ছিলেন। নির্বাচনের পর দল সরকার গঠন করলে মন্ত্রীর মর্যাদায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নিযুক্ত করা হয় তাকে। সাবেক এই আমলার বিএনপির সর্বোচ্চ ফোরামে সংযোজনকেও প্রশংসনীয় সিদ্ধান্ত বলে স্বাগত জানিয়েছেন নেতাকর্মীরা।

বৃহস্পতিবার প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে ব্রিকসে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। অনুকূল পরিবেশ হলেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারতে দ্বিপক্ষীয় সফরে যাবেন।
২ দিন আগে
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, ‘বর্তমান পরিসর এবং পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে আজকে একটি মুক্ত পরিবেশ আমরা পাচ্ছি। এখানে সব থাকবে। যারা সরকারে আছেন, সরকারের বাইরে যারা আছেন; বিরোধীদল, তারা মুক্তকণ্ঠে সমালোচনা করবেন। আবার সরকারের যে কাজগুলো, সেগুলোর গঠনমূলক সমালোচনা করবেন। একটি গণতান্ত্রিক সমাজ এবং রাষ
২ দিন আগে
সরকারি দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথিপত্র ও সারসংক্ষেপে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর পদের আগে ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’সহ কোনো সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
৩ দিন আগে
১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনকে সামনে রেখে বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানান সিপিবির সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন। বিবৃতিতে তারা বলেন, এ উদ্যোগের মধ্য দিয়ে এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার নিপীড়িত জনগণ এবং পৃথিবীর শান্তিকামী মানুষের পক্ষাবলম্বনের বিপ
৩ দিন আগে