
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নানা জল্পনা-গুঞ্জনের মধ্যে শেষ পর্যন্ত জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে সরকার। ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম বেড়েছে প্রতি লিটারে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত।
সরকারের এ উদ্যোগের তীব্র সমালোচনা করেছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্স। তার অভিমত, এর মাধ্যমে সরকার জনগণের স্বার্থ রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে। পাশাপাশি এর মাধ্যমে মজুতদার ও ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর স্বার্থ সংরক্ষণ করা হয়েছে।
রাজনীতি ডটকমের সঙ্গে আলাপচারিতায় রোববার (১৯ এপ্রিল) সকালে এমন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রুহিন হোসেন প্রিন্স। এর আগে শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় চার ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত জানায়, যা শনিবার মধ্যরাতেই কার্যকর হয়েছে।
প্রতি লিটার ডিজেলের নতুন দাম ১১৫ টাকা (আগের দর ১০০ টাকা), অকটেন ১৪০ টাকা (আগের দর ১২০ টাকা), পেট্রোল ১৩৫ টাকা (আগের দর ১১৬ টাকা) এবং প্রতি লিটার কেরোসিনের নতুন দাম ১৩০ টাকা (আগের দর ১১২ টাকা)।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, প্রতি লিটার ডিজেলের দাম বেড়েছে ১৫ টাকা, অকটেনের দাম বেড়েছে ২০ টাকা, পেট্রোলের দাম বেড়েছে ১৯ টাকা ও কেরোসিনের দাম বেড়েছে লিটারে ১৮ টাকা।
রুহিন হোসেন প্রিন্স রাজনীতি ডটকমকে বলেন, ‘জ্বালানি তেল নেই, এমন না। তারপরও লম্বা লাইন, মজুতের খবর আমরা প্রতিনিয়ত পাচ্ছি। কৃষি ও শিল্প খাতসহ নানা খাতে কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। তবে কৃষি বা শিল্পের সংকট নিয়ে আলোচনার চেয়ে অনেক বেশি আলোচনা চলছে পাম্পগুলোতে গাড়ি ও মোটরসাইকেলের লম্বা লাইন নিয়ে।’
এ অবস্থায় তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত জনস্বার্থ উপেক্ষা করে ব্যবসায়ীদের পক্ষে সরকারের অবস্থানকেই তুলে ধরে বলে মনে করছেন রুহিন হোসেন প্রিন্স।
তিনি বলেন, ‘মালিক সমিতি, মজুতদার, সুযোগসন্ধানী ব্যক্তি-গোষ্ঠী আর ব্যবসায়ীদের জয় হলো। সরকার জনগণের স্বার্থ রক্ষায় শুধু ব্যর্থতার পরিচয় দিলো না, বরং এই মজুতদার-ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর স্বার্থই রক্ষা করল। এখন এ সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষের জীবনে নাভিশ্বাস উঠবে।’
ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই অস্থির হয়ে উঠেছে বৈশ্বিক জ্বালানির বাজার। বাংলাদেশেও এর প্রভাব পড়ে। জ্বালানি তেলের জন্য ফিলিং স্টেশনগুলোতে যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে মার্চের শুরু থেকেই। দেশের বিভিন্ন স্থানে বাড়তি, কখনো কখনো দ্বিগুণ দামে তেল বিক্রি হতে দেখা গেছে। অবৈধভাবে তেল মজুতের খবর গণমাধ্যমে এসেছে প্রায় প্রতিদিনই।
এমন পরিস্থিতির মধ্যেও জ্বালানিমন্ত্রীসহ সরকারের সংশ্লিষ্টরা বারবারই বলে আসছিলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে, তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে দাম বাড়ানো হবে না বলেও বারবার বলা হয়েছিল। সবশেষ ৭ এপ্রিল ইঙ্গিত দেওয়া হয়, প্রয়োজন হলে মে মাসে গিয়ে বাড়ানো হতে পারে জ্বালানি তেলের দাম।
সিপিবি নেতা প্রিন্স সরকারের এ ধরনের কার্যক্রমের সমালোচনা করে বলেন, “সরকার বলে আসছে, তেলে সর্বকালের সেরা মজুত রয়েছে। মন্ত্রী তো বলেইছেন, ‘কোন পাম্পে দিয়ে তেল পাচ্ছেন না, আমাকে বলুন, আমি তেল দেবো!’ অথচ বিশ্ববাজারে যখন জ্বালানি তেলের দাম কমার খবর এসেছে, তখন দেশে দাম বাড়াল সরকার। এটিকে খুব স্বাভাবিক বলার সুযোগ নেই।”
চলমান জ্বালানি সংকটে সমাধানের কার্যকর কোনো উদ্যোগ বা পরিকল্পনা নেই বলেও উল্লেখ করেন রুহিন হোসেন প্রিন্স। তিনি বলেন, ‘সংকটে বিকল্প পথ সন্ধানের সুযোগ তৈরি হয়। আমাদের দেশেও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নানা ধরনের বিকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব। কিন্তু এগুলো নিয়ে আলোচনা নেই বললেই চলে।’
‘জ্বালানি সংকটের মধ্যেও যত আলোচনা, সবই আমদানি নিয়ে। অথচ আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প পথের অনুসন্ধান শুরু করতে কার্যকর কোনো পদক্ষেপই নেই,’— বলেন সিপিবি নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্স। জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় টেকসই সমাধানের জন্য সরকারকে বিকল্প পথ অনুসন্ধানে মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

নানা জল্পনা-গুঞ্জনের মধ্যে শেষ পর্যন্ত জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে সরকার। ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম বেড়েছে প্রতি লিটারে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত।
সরকারের এ উদ্যোগের তীব্র সমালোচনা করেছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্স। তার অভিমত, এর মাধ্যমে সরকার জনগণের স্বার্থ রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে। পাশাপাশি এর মাধ্যমে মজুতদার ও ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর স্বার্থ সংরক্ষণ করা হয়েছে।
রাজনীতি ডটকমের সঙ্গে আলাপচারিতায় রোববার (১৯ এপ্রিল) সকালে এমন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রুহিন হোসেন প্রিন্স। এর আগে শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় চার ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত জানায়, যা শনিবার মধ্যরাতেই কার্যকর হয়েছে।
প্রতি লিটার ডিজেলের নতুন দাম ১১৫ টাকা (আগের দর ১০০ টাকা), অকটেন ১৪০ টাকা (আগের দর ১২০ টাকা), পেট্রোল ১৩৫ টাকা (আগের দর ১১৬ টাকা) এবং প্রতি লিটার কেরোসিনের নতুন দাম ১৩০ টাকা (আগের দর ১১২ টাকা)।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, প্রতি লিটার ডিজেলের দাম বেড়েছে ১৫ টাকা, অকটেনের দাম বেড়েছে ২০ টাকা, পেট্রোলের দাম বেড়েছে ১৯ টাকা ও কেরোসিনের দাম বেড়েছে লিটারে ১৮ টাকা।
রুহিন হোসেন প্রিন্স রাজনীতি ডটকমকে বলেন, ‘জ্বালানি তেল নেই, এমন না। তারপরও লম্বা লাইন, মজুতের খবর আমরা প্রতিনিয়ত পাচ্ছি। কৃষি ও শিল্প খাতসহ নানা খাতে কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। তবে কৃষি বা শিল্পের সংকট নিয়ে আলোচনার চেয়ে অনেক বেশি আলোচনা চলছে পাম্পগুলোতে গাড়ি ও মোটরসাইকেলের লম্বা লাইন নিয়ে।’
এ অবস্থায় তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত জনস্বার্থ উপেক্ষা করে ব্যবসায়ীদের পক্ষে সরকারের অবস্থানকেই তুলে ধরে বলে মনে করছেন রুহিন হোসেন প্রিন্স।
তিনি বলেন, ‘মালিক সমিতি, মজুতদার, সুযোগসন্ধানী ব্যক্তি-গোষ্ঠী আর ব্যবসায়ীদের জয় হলো। সরকার জনগণের স্বার্থ রক্ষায় শুধু ব্যর্থতার পরিচয় দিলো না, বরং এই মজুতদার-ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর স্বার্থই রক্ষা করল। এখন এ সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষের জীবনে নাভিশ্বাস উঠবে।’
ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই অস্থির হয়ে উঠেছে বৈশ্বিক জ্বালানির বাজার। বাংলাদেশেও এর প্রভাব পড়ে। জ্বালানি তেলের জন্য ফিলিং স্টেশনগুলোতে যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে মার্চের শুরু থেকেই। দেশের বিভিন্ন স্থানে বাড়তি, কখনো কখনো দ্বিগুণ দামে তেল বিক্রি হতে দেখা গেছে। অবৈধভাবে তেল মজুতের খবর গণমাধ্যমে এসেছে প্রায় প্রতিদিনই।
এমন পরিস্থিতির মধ্যেও জ্বালানিমন্ত্রীসহ সরকারের সংশ্লিষ্টরা বারবারই বলে আসছিলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে, তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে দাম বাড়ানো হবে না বলেও বারবার বলা হয়েছিল। সবশেষ ৭ এপ্রিল ইঙ্গিত দেওয়া হয়, প্রয়োজন হলে মে মাসে গিয়ে বাড়ানো হতে পারে জ্বালানি তেলের দাম।
সিপিবি নেতা প্রিন্স সরকারের এ ধরনের কার্যক্রমের সমালোচনা করে বলেন, “সরকার বলে আসছে, তেলে সর্বকালের সেরা মজুত রয়েছে। মন্ত্রী তো বলেইছেন, ‘কোন পাম্পে দিয়ে তেল পাচ্ছেন না, আমাকে বলুন, আমি তেল দেবো!’ অথচ বিশ্ববাজারে যখন জ্বালানি তেলের দাম কমার খবর এসেছে, তখন দেশে দাম বাড়াল সরকার। এটিকে খুব স্বাভাবিক বলার সুযোগ নেই।”
চলমান জ্বালানি সংকটে সমাধানের কার্যকর কোনো উদ্যোগ বা পরিকল্পনা নেই বলেও উল্লেখ করেন রুহিন হোসেন প্রিন্স। তিনি বলেন, ‘সংকটে বিকল্প পথ সন্ধানের সুযোগ তৈরি হয়। আমাদের দেশেও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নানা ধরনের বিকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব। কিন্তু এগুলো নিয়ে আলোচনা নেই বললেই চলে।’
‘জ্বালানি সংকটের মধ্যেও যত আলোচনা, সবই আমদানি নিয়ে। অথচ আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প পথের অনুসন্ধান শুরু করতে কার্যকর কোনো পদক্ষেপই নেই,’— বলেন সিপিবি নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্স। জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় টেকসই সমাধানের জন্য সরকারকে বিকল্প পথ অনুসন্ধানে মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির নতুন চার সদস্য হলেন— রুহুল কবির রিজভী, আমান উল্লাহ আমান, ফরহাদ হালিম ডোনার ও ইসমাইল জবিহ উল্লাহ। প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে তাদের সাক্ষাতের সময় দলের স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ উপস্থিত ছিলেন।
১ দিন আগে
বিশ্লেষকরা বলছেন, কিছু কিছু খাতে সরকারের নানা উদ্যোগে সাফল্য মিললেও এখনো বহু পথ হাঁটার বাকি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শাহাদাত হোসাইন সিদ্দিকী যেমন রেমিট্যান্সের প্রভাবে বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হওয়া ও মূল্যস্ফীতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য সরকারকে সা
২ দিন আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নিয়ে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা গ্রহণ করে। আজ ১৭ আগস্ট বিএনপি সরকারের ছয় মাস বা ১৮০ দিন পূর্ণ হলো। সরকারের এই প্রথম ১৮০ দিনের সাফল্য, বিভিন্ন উদ্যোগ, সংস্কার ও সীমাবদ্ধতার তথ্য তুলে
৩ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন দেশটির ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ। প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন এ তথ্য জানিয়েছেন।
৩ দিন আগে