
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, পোস্টাল ব্যালট প্রণয়ন, প্রেরণ ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। যা নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। বাংলাদেশে প্রবাসীদের ভোটাধিকার প্রয়োগের ক্ষেত্রে এটি প্রথম উদ্যোগ। ফলে কিছু ভুলভ্রান্তি হতে পারে। তবে যেসব অনিয়মের অভিযোগ আসছে, তাতে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের পক্ষে কিছু কিছু কাজ হয়েছে বলে আমাদের ধারণা।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিবের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, প্রবাসীদের কাছে যে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হয়েছে, সেগুলোর বিষয়ে তাঁরা আবার উদ্বেগ জানিয়েছেন। সঠিকভাবে বিবেচনা করে এগুলো প্রণয়ন করা হয়নি। যাঁরা এই পোস্টাল ব্যালট প্রণয়নের কাজে ছিলেন, প্রেরণের কাজে ছিলেন বা এগুলোর বিষয়ে যাঁরা দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন, তাঁদের ব্যাখ্যা দিতে হবে। নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) ব্যাখ্যা দিতে হবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘এখন যেসব পোস্টাল ব্যালট আপনারা দেখছেন, বিভিন্নভাবে সোশ্যাল মিডিয়াতে ভিডিও আকারে আসছে, একেকটা বাসায় ২০০ থেকে ৩০০ করে ব্যালট পাওয়া যাচ্ছে। কোথাও কোথাও জব্দ করা হচ্ছে। কোথাও কোথাও এখনই ভোটিং শুরু হয়ে গেছে, যেটা ২২ তারিখে হওয়ার কথা এবং কোথাও কোথাও বলছে, একজনের নম্বর দিয়ে আরেকজন গ্রহণ করছে। এভাবে অনেক কিছু অনিয়ম হয়েছে।’
প্রবাসীদের ভোটদানের এই নিয়ম প্রথম করা হচ্ছে উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘এখানে কিছু ভুলভ্রান্তি থাকতে পারত। তবে যে ভুলভ্রান্তিটা হচ্ছে, এখানে আমরা (বিএনপি) ভিকটিম হচ্ছি। আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের পক্ষ হয়ে কিছু কিছু কাজ এখানে হয়েছে বলে আমাদের ধারণা এবং সেটা প্রকাশিত হয়েছে। আসলে ধারণাও না, সেটা প্রমাণিত হচ্ছে। এখন আমরা বলছি, এ বিষয়ে আপনাদের (ইসি) পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিতে হবে।’
ভোটার স্লিপ-সংক্রান্ত আচরণবিধি নিয়েও উদ্বেগ জানান সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, ভোটারদের অংশগ্রহণ সহজ করতে ভোটার স্লিপে প্রার্থীর নাম, প্রতীক ও ভোটার নম্বর থাকা প্রয়োজন। অথচ বর্তমান আচরণবিধিতে দলীয় নাম, প্রতীক ও প্রার্থীর ছবি ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন চাইলে আচরণবিধি সংশোধন করতে পারে।
এ ছাড়া নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনেরও অভিযোগ তোলেন সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের অনুরোধে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাঁর সফর স্থগিত করেছেন। অথচ এখন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা প্রকাশ্যে বক্তব্য দিচ্ছেন। প্রচারণা চালাচ্ছেন। কিন্তু ইসি এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
অনেক রিটার্নিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ রয়েছে বলে উল্লেখ করেন সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, পাশাপাশি দেশের ভেতরে ব্যবহৃত পোস্টাল ব্যালটের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার সাধারণ ব্যালটেই প্রার্থীদের নাম-প্রতীকসহ ব্যবহারের সুস্পষ্ট প্রস্তাব নির্বাচন কমিশনের কাছে দিয়েছে বিএনপি। এই প্রস্তাব যৌক্তিক বিবেচনায় নির্বাচন কমিশন গ্রহণ করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, পোস্টাল ব্যালট প্রণয়ন, প্রেরণ ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। যা নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। বাংলাদেশে প্রবাসীদের ভোটাধিকার প্রয়োগের ক্ষেত্রে এটি প্রথম উদ্যোগ। ফলে কিছু ভুলভ্রান্তি হতে পারে। তবে যেসব অনিয়মের অভিযোগ আসছে, তাতে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের পক্ষে কিছু কিছু কাজ হয়েছে বলে আমাদের ধারণা।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিবের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, প্রবাসীদের কাছে যে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হয়েছে, সেগুলোর বিষয়ে তাঁরা আবার উদ্বেগ জানিয়েছেন। সঠিকভাবে বিবেচনা করে এগুলো প্রণয়ন করা হয়নি। যাঁরা এই পোস্টাল ব্যালট প্রণয়নের কাজে ছিলেন, প্রেরণের কাজে ছিলেন বা এগুলোর বিষয়ে যাঁরা দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন, তাঁদের ব্যাখ্যা দিতে হবে। নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) ব্যাখ্যা দিতে হবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘এখন যেসব পোস্টাল ব্যালট আপনারা দেখছেন, বিভিন্নভাবে সোশ্যাল মিডিয়াতে ভিডিও আকারে আসছে, একেকটা বাসায় ২০০ থেকে ৩০০ করে ব্যালট পাওয়া যাচ্ছে। কোথাও কোথাও জব্দ করা হচ্ছে। কোথাও কোথাও এখনই ভোটিং শুরু হয়ে গেছে, যেটা ২২ তারিখে হওয়ার কথা এবং কোথাও কোথাও বলছে, একজনের নম্বর দিয়ে আরেকজন গ্রহণ করছে। এভাবে অনেক কিছু অনিয়ম হয়েছে।’
প্রবাসীদের ভোটদানের এই নিয়ম প্রথম করা হচ্ছে উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘এখানে কিছু ভুলভ্রান্তি থাকতে পারত। তবে যে ভুলভ্রান্তিটা হচ্ছে, এখানে আমরা (বিএনপি) ভিকটিম হচ্ছি। আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের পক্ষ হয়ে কিছু কিছু কাজ এখানে হয়েছে বলে আমাদের ধারণা এবং সেটা প্রকাশিত হয়েছে। আসলে ধারণাও না, সেটা প্রমাণিত হচ্ছে। এখন আমরা বলছি, এ বিষয়ে আপনাদের (ইসি) পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিতে হবে।’
ভোটার স্লিপ-সংক্রান্ত আচরণবিধি নিয়েও উদ্বেগ জানান সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, ভোটারদের অংশগ্রহণ সহজ করতে ভোটার স্লিপে প্রার্থীর নাম, প্রতীক ও ভোটার নম্বর থাকা প্রয়োজন। অথচ বর্তমান আচরণবিধিতে দলীয় নাম, প্রতীক ও প্রার্থীর ছবি ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন চাইলে আচরণবিধি সংশোধন করতে পারে।
এ ছাড়া নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনেরও অভিযোগ তোলেন সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের অনুরোধে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাঁর সফর স্থগিত করেছেন। অথচ এখন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা প্রকাশ্যে বক্তব্য দিচ্ছেন। প্রচারণা চালাচ্ছেন। কিন্তু ইসি এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
অনেক রিটার্নিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ রয়েছে বলে উল্লেখ করেন সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, পাশাপাশি দেশের ভেতরে ব্যবহৃত পোস্টাল ব্যালটের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার সাধারণ ব্যালটেই প্রার্থীদের নাম-প্রতীকসহ ব্যবহারের সুস্পষ্ট প্রস্তাব নির্বাচন কমিশনের কাছে দিয়েছে বিএনপি। এই প্রস্তাব যৌক্তিক বিবেচনায় নির্বাচন কমিশন গ্রহণ করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমানের নামে থাকা ৫০টির বেশি ভুয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আইডি ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মূল কোম্পানি মেটা অপসারণ করেছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিন।
২ ঘণ্টা আগে
এর আগে গত বছরের জুনে প্রধান উপদেষ্টা লন্ডন সফরে গেলে সেখানে তার সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক হয়। ওই বৈঠকের পরই ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের বিষয়টি চূড়ান্ত হয়। এর আগ পর্যন্ত বিএনপি গত বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের দাবি জানিয়ে আসছিল।
৩ ঘণ্টা আগে
মামুনুল হক বলেন, ১০টি দলের উপস্থিতিতে বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে। ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গেও কথা হয়েছে। রাতের সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে। আমাদের প্রত্যাশা একসঙ্গেই এগিয়ে যেতে পারবো। ইসলামী আন্দোলনকে সঙ্গে নিয়েই আসন ঘোষণা করতে পারবো এই আশা করছি।
৬ ঘণ্টা আগে
তিনি আরও বলেন, সবার জন্য সুযোগ সুবিধা সমান হওয়া দরকার। তারা যদি এটি মনে করে থাকে তাদের সঙ্গে সরকারের তো খুব ভালো সম্পর্ক। তারা তো এই ত্রুটির কথা সরকারের সঙ্গে গিয়ে আলোচনা করে এটা মীমাংসা করতে পারে। যদি মীমাংসা করা সম্ভব না হয় অথবা উদ্যোগ না হয় তাহলে কি মানুষ ধরে নেবে যে এটি শুধু কথা বলার জন্য এই
৭ ঘণ্টা আগে