
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সরকারের ছয় মাসের কর্মকাণ্ড মূল্যায়নের পাশাপাশি বিরোধী দলের ভূমিকাও বস্তুনিষ্ঠভাবে মূল্যায়ন করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তিনি অভিযোগ করে বলেছেন, জাতীয় সংকটকালে সরকারকে সহযোগিতা না করে উল্টো পরিস্থিতি উত্তপ্ত করা এবং রাজনৈতিক ফায়দা লুটে সংকটকে আরও গভীর করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে বর্তমান বিরোধী দল।
বুধবার (১৯ আগস্ট) রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন এসব কথা বলেন।
রাশেদ খাঁন লিখেছেন, ‘৬ মাসে সরকারের মূল্যায়নের পাশাপাশি বিরোধী দলেরও মূল্যায়ন জরুরি। যেহেতু গণ-অভ্যুত্থানের একটি শক্তি সরকার পরিচালনার দায়িত্বে, আরেকটি শক্তি বিরোধী দলে। সুতরাং রাষ্ট্র পুনর্গঠনে উভয়ের দায়িত্ব আছে। কিন্তু বিরোধী দল সরকারকে কতটুকু সহযোগিতা করছে, সেটাও মূল্যায়ন করার বিষয়।’
তিনি আরও লিখেছেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন- আপনি ছাড়া আমি না, আমি ছাড়া আপনি না। আমরা একে-অপরের পরিপূরক।’
দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎসহ বিভিন্ন জাতীয় সংকটের প্রসঙ্গ তুলে রাশেদ খাঁন বলেন, এসব সংকট বিএনপি সরকার সৃষ্টি করেনি। তার ভাষ্য, বিগত সরকারগুলোর প্রায় ২০ বছরের দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার কারণে এসব সংকট উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছে বর্তমান সরকার।
রাশেদ খাঁন লিখেছেন, ‘জ্বালানি-বিদ্যুৎসহ যেসব জাতীয় সংকট রয়েছে, যা বিএনপি সরকার বিগত সরকারগুলোর প্রায় ২০ বছরের দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার কারণে উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছে, সেটি নিয়েও রাজনীতি করছে বর্তমান বিরোধীদল।’
তিনি বলেন, ‘বরং তাদের উচিত ছিল জনগণকে বোঝানো যে, এটা সরকার সৃষ্ট সংকট নয়, এটা আওয়ামী লুটপাট, ঋণের বোঝার চাপ, আওয়ামী পাপের ফসল ও অব্যবস্থাপনার কারণে হয়েছে।’
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এসব সংকটের সমাধান না হওয়ার বিষয়টিও তুলে ধরেন বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, ‘১৮ মাসে অন্তর্বর্তী সরকার যদি এসবের সমাধান করত, তবে বিএনপি সরকারের জন্য আরও সহজ হতো।’
বিরোধী দলের ভূমিকার সমালোচনা করে রাশেদ খাঁন বলেন, ‘কিন্তু মানুষকে বিভ্রান্ত করাসহ পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে সংকটকে আরও ঘনীভূত করতে কাজ করছে বিরোধী দল।’

সরকারের ছয় মাসের কর্মকাণ্ড মূল্যায়নের পাশাপাশি বিরোধী দলের ভূমিকাও বস্তুনিষ্ঠভাবে মূল্যায়ন করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তিনি অভিযোগ করে বলেছেন, জাতীয় সংকটকালে সরকারকে সহযোগিতা না করে উল্টো পরিস্থিতি উত্তপ্ত করা এবং রাজনৈতিক ফায়দা লুটে সংকটকে আরও গভীর করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে বর্তমান বিরোধী দল।
বুধবার (১৯ আগস্ট) রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন এসব কথা বলেন।
রাশেদ খাঁন লিখেছেন, ‘৬ মাসে সরকারের মূল্যায়নের পাশাপাশি বিরোধী দলেরও মূল্যায়ন জরুরি। যেহেতু গণ-অভ্যুত্থানের একটি শক্তি সরকার পরিচালনার দায়িত্বে, আরেকটি শক্তি বিরোধী দলে। সুতরাং রাষ্ট্র পুনর্গঠনে উভয়ের দায়িত্ব আছে। কিন্তু বিরোধী দল সরকারকে কতটুকু সহযোগিতা করছে, সেটাও মূল্যায়ন করার বিষয়।’
তিনি আরও লিখেছেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন- আপনি ছাড়া আমি না, আমি ছাড়া আপনি না। আমরা একে-অপরের পরিপূরক।’
দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎসহ বিভিন্ন জাতীয় সংকটের প্রসঙ্গ তুলে রাশেদ খাঁন বলেন, এসব সংকট বিএনপি সরকার সৃষ্টি করেনি। তার ভাষ্য, বিগত সরকারগুলোর প্রায় ২০ বছরের দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার কারণে এসব সংকট উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছে বর্তমান সরকার।
রাশেদ খাঁন লিখেছেন, ‘জ্বালানি-বিদ্যুৎসহ যেসব জাতীয় সংকট রয়েছে, যা বিএনপি সরকার বিগত সরকারগুলোর প্রায় ২০ বছরের দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার কারণে উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছে, সেটি নিয়েও রাজনীতি করছে বর্তমান বিরোধীদল।’
তিনি বলেন, ‘বরং তাদের উচিত ছিল জনগণকে বোঝানো যে, এটা সরকার সৃষ্ট সংকট নয়, এটা আওয়ামী লুটপাট, ঋণের বোঝার চাপ, আওয়ামী পাপের ফসল ও অব্যবস্থাপনার কারণে হয়েছে।’
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এসব সংকটের সমাধান না হওয়ার বিষয়টিও তুলে ধরেন বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, ‘১৮ মাসে অন্তর্বর্তী সরকার যদি এসবের সমাধান করত, তবে বিএনপি সরকারের জন্য আরও সহজ হতো।’
বিরোধী দলের ভূমিকার সমালোচনা করে রাশেদ খাঁন বলেন, ‘কিন্তু মানুষকে বিভ্রান্ত করাসহ পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে সংকটকে আরও ঘনীভূত করতে কাজ করছে বিরোধী দল।’

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বলেছেন, তাড়াহুড়ো করে নয়; বরং দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, বিশ্বাস, সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা, কূটনৈতিক আলাপ-আলোচনা এবং সম্মানজনক আমন্ত্রণ প্রস্তাবের ভিত্তিতে উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি হলেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর অনুষ্ঠিত হতে পারে।
৪ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডাকা হয়েছে। এ দিন দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট দিতে পারবেন সংসদ সদস্যরা। ভোটে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি পরদিন শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন বঙ্গভবনে শপথ নেবেন।
৭ ঘণ্টা আগে
জরিপের ফলাফলে উঠে এসেছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভালোভাবে তার দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের মধ্যে ৬৫ দশমিক ৫০ শতাংশ, এনসিপি সমর্থকদের মধ্যে ৬৫ দশমিক ৮০ শতাংশ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সমর্থকদের মধ্যে ৫২ দশমিক ৫০ শতাংশ।
১৯ ঘণ্টা আগে
সভায় অংশ নেওয়া একাধিক সংসদ সদস্য জানান, কয়েক মিনিটের বক্তব্যে অন্তত চার-পাঁচবার কেঁদেছিলেন মির্জা ফখরুল। এতে সভায় আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও এ সময় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
২১ ঘণ্টা আগে