
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ না থাকলে এবং সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারলে রাষ্ট্রপতি পদটি আরও মর্যাদাপূর্ণ হতো বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরুর সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, প্রশাসনের সর্বস্তরে বিএনপি সরকার দলীয়করণ করছে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনেও দলীয় প্রার্থী দেওয়ার মাধ্যমে একই ধরনের দলীয়করণ করা হচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী নিজেই দলীয় প্রার্থীকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত করছেন এবং সংসদ সদস্যদের স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, ৭০ অনুচ্ছেদ না থাকলে সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারতেন। এতে রাষ্ট্রপতি পদটি আরও সম্মানিত হওয়ার পাশাপাশি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার পথও তৈরি হতো।
এবারের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী দলের সদ্য সাবেক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী, এনসিপিসহ ১১ দলের বিরোধীদলীয় ঐক্যের প্রার্থী এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ।
সংসদে বিএনপির দুই-তৃতীয়াংশের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় এবং সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে ভোট দেওয়ার সুযোগ না থাকায় মির্জা ফখরুলের জয় কার্যত নিশ্চিত বলে মনে করছেন নাহিদ।
তিনি বলেন, তাঁরা গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। সরকার প্রয়োজনীয় সংস্কার না করলেও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা। নির্বাচনটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করা এবং এ নির্বাচন নিয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরিই তাদের অংশগ্রহণের উদ্দেশ্য।
নাহিদ বলেন, বিরোধী দলগুলোর জোট থেকে প্রার্থী দিয়ে তাঁরা দেখাতে চেয়েছেন যে সরকারি দল যেন এককভাবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নিজেদের প্রার্থী নির্বাচিত করতে না পারে। জনগণের কাছে রাজনৈতিক বার্তা দেওয়াও এ অংশগ্রহণের একটি উদ্দেশ্য।
এবারের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে পুরোনো স্বৈরতান্ত্রিক সাংবিধানিক ব্যবস্থার ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখছেন নাহিদ ইসলাম।
তিনি অভিযোগ করেন, সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়নের কথা বললেও বাস্তবে আগের ব্যবস্থাই অনুসরণ করছে। এর মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী ও স্বৈরতান্ত্রিক সাংবিধানিক কাঠামোর ধারাবাহিকতা বজায় থাকছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
নাহিদ আরও বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন জনগণের কাছে সেই বার্তাই দিচ্ছে। বিএনপি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন গোপন ব্যালটে হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তা করা হয়নি। তার অভিযোগ, বিএনপি মুখে এক কথা বললেও কাজে তার প্রতিফলন নেই।
সংসদ অধিবেশনের পরিবর্তে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য বিশেষ বৈঠক এবং সেখানে স্পিকারের পরিবর্তে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সভাপতিত্বের বিষয়টিও উল্লেখ করেন তিনি।
নাহিদ ইসলামের অভিযোগ, সরকার গণভোটের রায়, জনগণ ও গণতন্ত্রের সঙ্গে প্রতারণা করেছে এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গেও বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।
তিনি বলেন, সারা দেশে ও প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে দলীয়করণের পর এখন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনেও তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। সংসদ সদস্যদের স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ না থাকায় সরকারকে গণতন্ত্রের পক্ষে অবস্থানকারী বলা যায় না বলেও মন্তব্য করেন এনসিপির আহ্বায়ক।

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ না থাকলে এবং সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারলে রাষ্ট্রপতি পদটি আরও মর্যাদাপূর্ণ হতো বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরুর সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, প্রশাসনের সর্বস্তরে বিএনপি সরকার দলীয়করণ করছে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনেও দলীয় প্রার্থী দেওয়ার মাধ্যমে একই ধরনের দলীয়করণ করা হচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী নিজেই দলীয় প্রার্থীকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত করছেন এবং সংসদ সদস্যদের স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, ৭০ অনুচ্ছেদ না থাকলে সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারতেন। এতে রাষ্ট্রপতি পদটি আরও সম্মানিত হওয়ার পাশাপাশি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার পথও তৈরি হতো।
এবারের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী দলের সদ্য সাবেক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী, এনসিপিসহ ১১ দলের বিরোধীদলীয় ঐক্যের প্রার্থী এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ।
সংসদে বিএনপির দুই-তৃতীয়াংশের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় এবং সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে ভোট দেওয়ার সুযোগ না থাকায় মির্জা ফখরুলের জয় কার্যত নিশ্চিত বলে মনে করছেন নাহিদ।
তিনি বলেন, তাঁরা গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। সরকার প্রয়োজনীয় সংস্কার না করলেও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা। নির্বাচনটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করা এবং এ নির্বাচন নিয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরিই তাদের অংশগ্রহণের উদ্দেশ্য।
নাহিদ বলেন, বিরোধী দলগুলোর জোট থেকে প্রার্থী দিয়ে তাঁরা দেখাতে চেয়েছেন যে সরকারি দল যেন এককভাবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নিজেদের প্রার্থী নির্বাচিত করতে না পারে। জনগণের কাছে রাজনৈতিক বার্তা দেওয়াও এ অংশগ্রহণের একটি উদ্দেশ্য।
এবারের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে পুরোনো স্বৈরতান্ত্রিক সাংবিধানিক ব্যবস্থার ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখছেন নাহিদ ইসলাম।
তিনি অভিযোগ করেন, সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়নের কথা বললেও বাস্তবে আগের ব্যবস্থাই অনুসরণ করছে। এর মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী ও স্বৈরতান্ত্রিক সাংবিধানিক কাঠামোর ধারাবাহিকতা বজায় থাকছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
নাহিদ আরও বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন জনগণের কাছে সেই বার্তাই দিচ্ছে। বিএনপি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন গোপন ব্যালটে হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তা করা হয়নি। তার অভিযোগ, বিএনপি মুখে এক কথা বললেও কাজে তার প্রতিফলন নেই।
সংসদ অধিবেশনের পরিবর্তে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য বিশেষ বৈঠক এবং সেখানে স্পিকারের পরিবর্তে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সভাপতিত্বের বিষয়টিও উল্লেখ করেন তিনি।
নাহিদ ইসলামের অভিযোগ, সরকার গণভোটের রায়, জনগণ ও গণতন্ত্রের সঙ্গে প্রতারণা করেছে এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গেও বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।
তিনি বলেন, সারা দেশে ও প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে দলীয়করণের পর এখন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনেও তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। সংসদ সদস্যদের স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ না থাকায় সরকারকে গণতন্ত্রের পক্ষে অবস্থানকারী বলা যায় না বলেও মন্তব্য করেন এনসিপির আহ্বায়ক।

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বলেছেন, তাড়াহুড়ো করে নয়; বরং দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, বিশ্বাস, সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা, কূটনৈতিক আলাপ-আলোচনা এবং সম্মানজনক আমন্ত্রণ প্রস্তাবের ভিত্তিতে উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি হলেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর অনুষ্ঠিত হতে পারে।
৪ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডাকা হয়েছে। এ দিন দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট দিতে পারবেন সংসদ সদস্যরা। ভোটে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি পরদিন শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন বঙ্গভবনে শপথ নেবেন।
৭ ঘণ্টা আগে
জরিপের ফলাফলে উঠে এসেছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভালোভাবে তার দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের মধ্যে ৬৫ দশমিক ৫০ শতাংশ, এনসিপি সমর্থকদের মধ্যে ৬৫ দশমিক ৮০ শতাংশ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সমর্থকদের মধ্যে ৫২ দশমিক ৫০ শতাংশ।
১৯ ঘণ্টা আগে
সভায় অংশ নেওয়া একাধিক সংসদ সদস্য জানান, কয়েক মিনিটের বক্তব্যে অন্তত চার-পাঁচবার কেঁদেছিলেন মির্জা ফখরুল। এতে সভায় আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও এ সময় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
২১ ঘণ্টা আগে