নতুন ব্রিটিশ ডেপুটি হাইকমিশনার জেমস গোল্ডম্যান

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশনের নতুন ডেপুটি হাইকমিশনার ও উন্নয়ন পরিচালক জেমস গোল্ডম্যান। নতুন দায়িত্ব পালনে তিনি ইতোমধ্যে ঢাকায় এসেছেন। মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) ঢাকার ব্রিটিশ হাইকমিশন তাদের এক্স হ্যান্ডেলে এক পোস্টে এ তথ্য জানায়।

নতুন ডেপুটি হাইকমিশনার বলেন, আমি ব্রিটিশ হাইকমিশন ঢাকায় যোগ দিতে পেরে আনন্দিত এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে কাজ করার জন্য উন্মুখ হয়ে আছি। কারণ এ সরকার বাংলাদেশের মানুষের জন্য শান্তি ও শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের জন্য শান্তিপূর্ণ পথ তৈরি করতে কাজ করছে।

যুক্তরাজ্য সরকারের ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য বলছে, বর্তমান দায়িত্বের আগে জেমস ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলের ইরবিলে কনসাল জেনারেল ছিলেন। ২০২২-২০২৩ পর্যন্ত তিনি ব্রিটিশ মিশন মাস্কাটে চার্জ ডি অ্যাফেয়ার্স এবং এর আগে ২০১৯ সাল থেকে মাস্কাট মিশনের ডেপুটি হেড ছিলেন।

ad
ad

রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটিতে রদবদল

নতুন এই রদবদলে কেন্দ্রীয় স্কুল কার্যক্রম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ডা. জায়েদ আহমাদ। তিনি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ থেকে (২০১৮-২০১৯ সেশন) এমবিবিএস পাস করেছেন। এর আগে তিনি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের সভাপতি এবং মেডিকেল জোনের সেক্রেটারি ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার গ্রামের

১ দিন আগে

সরকারকে প্রমাণ দিতে হবে, তারা জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে: নাহিদ

নাহিদ বলেন, সরকার বলেছিল, তারা জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে। কিন্তু আজ আমরা দেখছি, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে নানা টালবাহানা করা হচ্ছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হবে কি না, তা নিয়েই সন্দেহ দেখা দিয়েছে। তাই সরকার যদি বলে তারা জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে, তাহলে বিচার আর সংস্কার প্রক্রিয়াকে আন্ত

২ দিন আগে

বিদ্যমান শিক্ষাব্যবস্থা ফারাক্কা বাঁধের চেয়েও বড় মরণফাঁদ: নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী

নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী তার পোস্টে বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় শিক্ষাব্যবস্থা এখনও কোনো সুস্পষ্ট জাতীয় সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারেনি এবং বর্তমান বিজ্ঞান, কলা ও ব্যবসায় শিক্ষার কাঠামো দক্ষ জনশক্তি গড়ার পরিবর্তে একটি বৃহৎ শিক্ষিত বেকার জনগোষ্ঠী তৈরি করছে।

২ দিন আগে

মতপার্থক্য থাকতেই পারে, ঐক্য যেন নষ্ট না হয়: দলীয় সভায় প্রধানমন্ত্রী

বিগত ১৭ বছরের দুঃশাসনের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, 'গুম, খুন ও চরম নির্যাতনের শিকার হয়েও আপনারা সবাই মিলে দল সামলেছেন। নিজের পরিবারের চেয়ে দলকে বেশি সময় ও অর্থ দিয়েছেন। তখন সবাই সবার পাশে থেকে ঐক্যবদ্ধভাবে দল চালিয়েছেন। এখন নির্যাতনের সেই ভয় নেই, তাহলে এখন কেন ঐক্যবদ্ধ থা

৩ দিন আগে