
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী ও বিএনপি নেত্রী অ্যাডভোকেট ড. আরিফা জেসমিন নাহিন বলেছেন, একজন মারা গেলে যেমন ফিরে আসে না, সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি মনোনয়ন না পাওয়াটা তার কাছে তেমনি ‘মৃত্যুর মতোই যন্ত্রণাময়’ অনুভূতি।
এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন অ্যাডভোকেট আরিফা। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক। মনোনয়ন না পেয়ে তিনি নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে আবেগঘন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, সংরক্ষিত নারী আসনে ৩৬ প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সোমবার (২০ এপ্রিল) রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেন।
তালিকায় একঝাঁক নতুন ও ত্যাগী নেত্রীর স্থান মিললেও বাদ পড়েছেন রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক মাধ্যমে আলোচিত একাধিক হেভিওয়েট নেত্রী ও তারকা প্রার্থী। এ নিয়ে দলের অভ্যন্তরে ও বাইরে শুরু হয়েছে জোর গুঞ্জন, নানা আলোচনা-সমালোচনা।
অ্যাডভোকেট আরিফাও মনোনয়ন না পেয়ে আবেগঘন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘এবার এই এমপি না হওয়াটা মানে হলো আমার জীবনে আর এমপি হতে পারব না। হাজার বার চাইলেও এমপি হওয়া আর ফিরে আসবে না।’
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বহুবার গ্রেপ্তার, মামলার মুখোমুখি হওয়া, কারাবরণ এবং রাজপথের আন্দোলনে সক্রিয় থাকার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি লেখেন, ‘মৃত্যুর মুখোমুখি হলাম পাঁচবার, রাজপথে গ্রেপ্তার হলাম আটবার। মামলার আসামি হলাম, জেল খাটলাম, আমার বাড়ি ভাঙল বারোবার। আইনজীবী হিসেবে ৪০ বছরের অভিজ্ঞতা।’
এ ছাড়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাধারণ আসনে মনোনয়ন না পেলেও নেতাকর্মীসহ পরিবার সবাইকে নিয়ে তিনি ধানের শীষের পক্ষে নির্বাচনি প্রচারণা করেছেন জানিয়ে তিনি আরও লেখেন, ‘১৯৮৪ সাল থেকে ২০২৬ পর্যন্ত রাজনীতির জন্য আমার স্বাভাবিক জীবন ছিল না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে পড়াশুনা শেষ করে আইনজীবী হয়ে যত টাকা আয় করেছি, সব টাকা ঢেলেছি রাজনীতির জন্য।’
‘আইন পেশায় আমার ভালো উপার্জন ছিল। এত মিছিল-মিটিং-মানববন্ধন আয়োজন করা একজন নারীর জন্য খুবই কঠিন। স্বামীর কাছ থেকে টাকাকড়ি নিয়ে সন্তান ও নাতিদের ঠকিয়েছি। পরিবারের সুখ-শান্তিকে তছনছ করে দিয়েছি। চোখ থেকে অঝোর ধারায় পানি ঝরছে আর মনে হচ্ছে— আমি আমার নিজের জীবনকে ঠকাতে পারি, কিন্তু সন্তানসহ পরিবারের অন্যদের ঠকানোর তো আমার কোন রাইট (অধিকার) নাই,’— লেখেন অ্যাডভোকেট আরিফা।
মনোনয়নবঞ্চিত এই বিএনপি নেত্রীর স্বামী তার কারণে কোনো ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারেনি উল্লেখ করে তিনি আরও লেখেন, ‘জমিজমা বিক্রয় করে পরিবারের সবাইকে কষ্টের মধ্যে ফেলে দিয়েছি। তাই আমার প্রাপ্য আজ মৃত্যুযন্ত্রণা।’
ফেসবুক পোস্টের শেষে তিনি উল্লেখ করেন, ‘মহান আল্লাহ উত্তম ফয়সালাকারী। আমি জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পাইনি। আমার শুভাকাঙ্ক্ষী-নেতাকর্মী কেউ কষ্ট পাবেন না। আল্লাহ যা করেন মঙ্গলের জন্যই করেন।’

সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী ও বিএনপি নেত্রী অ্যাডভোকেট ড. আরিফা জেসমিন নাহিন বলেছেন, একজন মারা গেলে যেমন ফিরে আসে না, সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি মনোনয়ন না পাওয়াটা তার কাছে তেমনি ‘মৃত্যুর মতোই যন্ত্রণাময়’ অনুভূতি।
এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন অ্যাডভোকেট আরিফা। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক। মনোনয়ন না পেয়ে তিনি নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে আবেগঘন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, সংরক্ষিত নারী আসনে ৩৬ প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সোমবার (২০ এপ্রিল) রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এ চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেন।
তালিকায় একঝাঁক নতুন ও ত্যাগী নেত্রীর স্থান মিললেও বাদ পড়েছেন রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক মাধ্যমে আলোচিত একাধিক হেভিওয়েট নেত্রী ও তারকা প্রার্থী। এ নিয়ে দলের অভ্যন্তরে ও বাইরে শুরু হয়েছে জোর গুঞ্জন, নানা আলোচনা-সমালোচনা।
অ্যাডভোকেট আরিফাও মনোনয়ন না পেয়ে আবেগঘন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘এবার এই এমপি না হওয়াটা মানে হলো আমার জীবনে আর এমপি হতে পারব না। হাজার বার চাইলেও এমপি হওয়া আর ফিরে আসবে না।’
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বহুবার গ্রেপ্তার, মামলার মুখোমুখি হওয়া, কারাবরণ এবং রাজপথের আন্দোলনে সক্রিয় থাকার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি লেখেন, ‘মৃত্যুর মুখোমুখি হলাম পাঁচবার, রাজপথে গ্রেপ্তার হলাম আটবার। মামলার আসামি হলাম, জেল খাটলাম, আমার বাড়ি ভাঙল বারোবার। আইনজীবী হিসেবে ৪০ বছরের অভিজ্ঞতা।’
এ ছাড়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাধারণ আসনে মনোনয়ন না পেলেও নেতাকর্মীসহ পরিবার সবাইকে নিয়ে তিনি ধানের শীষের পক্ষে নির্বাচনি প্রচারণা করেছেন জানিয়ে তিনি আরও লেখেন, ‘১৯৮৪ সাল থেকে ২০২৬ পর্যন্ত রাজনীতির জন্য আমার স্বাভাবিক জীবন ছিল না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে পড়াশুনা শেষ করে আইনজীবী হয়ে যত টাকা আয় করেছি, সব টাকা ঢেলেছি রাজনীতির জন্য।’
‘আইন পেশায় আমার ভালো উপার্জন ছিল। এত মিছিল-মিটিং-মানববন্ধন আয়োজন করা একজন নারীর জন্য খুবই কঠিন। স্বামীর কাছ থেকে টাকাকড়ি নিয়ে সন্তান ও নাতিদের ঠকিয়েছি। পরিবারের সুখ-শান্তিকে তছনছ করে দিয়েছি। চোখ থেকে অঝোর ধারায় পানি ঝরছে আর মনে হচ্ছে— আমি আমার নিজের জীবনকে ঠকাতে পারি, কিন্তু সন্তানসহ পরিবারের অন্যদের ঠকানোর তো আমার কোন রাইট (অধিকার) নাই,’— লেখেন অ্যাডভোকেট আরিফা।
মনোনয়নবঞ্চিত এই বিএনপি নেত্রীর স্বামী তার কারণে কোনো ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারেনি উল্লেখ করে তিনি আরও লেখেন, ‘জমিজমা বিক্রয় করে পরিবারের সবাইকে কষ্টের মধ্যে ফেলে দিয়েছি। তাই আমার প্রাপ্য আজ মৃত্যুযন্ত্রণা।’
ফেসবুক পোস্টের শেষে তিনি উল্লেখ করেন, ‘মহান আল্লাহ উত্তম ফয়সালাকারী। আমি জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পাইনি। আমার শুভাকাঙ্ক্ষী-নেতাকর্মী কেউ কষ্ট পাবেন না। আল্লাহ যা করেন মঙ্গলের জন্যই করেন।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের চূড়ান্ত প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। মনোনয়ন পাওয়া তালিকায় রয়েছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেত্রী মানছুরা আক্তার।
৬ ঘণ্টা আগে
দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিগত দিনের আন্দোলন-সংগ্রাম ও ত্যাগী ভূমিকা বিবেচনায় নিয়ে দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন নেত্রীদের পাশাপাশি একঝাঁক নতুন মুখকেও এবারের মনোনয়ন তালিকায় স্থান দেওয়া হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে পাওয়া সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সকাল সাড়ে ১০টায় বগুড়া সার্কিট হাউজে পৌঁছাবেন। সকাল ১১টায় জেলা জজ আদালত প্রাঙ্গণে জেলা আইনজীবী সমিতির (বার সমিতি) নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন করবেন তিনি। এর পরপরই জেলা ও দায়রা জজের কনফারেন্স কক্ষে সারা দেশে একযোগে ই-বেইলবন্
১১ ঘণ্টা আগে
দলটির ঘোষিত নীতি ও আদর্শে রাষ্ট্রীয় কাঠামো, অর্থনীতি, বিচারব্যবস্থা, শিক্ষা, পররাষ্ট্রনীতি এবং সামাজিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরা হয়েছে।
১ দিন আগে