
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঢাকা-৮ আসনের বিএনপির প্রার্থী ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে ভোটাধিকার আদায় করা হয়েছে। কেউ ষড়যন্ত্র করে এই ভোট নষ্ট করার চেষ্টা করলে তা প্রতিহত করা হবে। ভোটের দিন সবাইকে পোলিং সেন্টার পাহারা দিয়ে ভোটের ফল ঘরে আনার আহ্বান জানান তিনি।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর পীর জঙ্গি মাজারের সামনে এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বক্তব্যের শুরুতে মির্জা আব্বাস তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, সারা দেশে ঘুরে ঘুরে নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে গিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যানকে অনেক কষ্ট করতে হচ্ছে।
তিনি বলেন, ১৯৯১ সালে এই স্থান থেকেই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তার মনোনয়ন ঘোষণা করেছিলেন। একই স্থানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উপস্থিতিতে আগে জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশের জনগণ ভোট দেওয়ার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। তবে কিছু মহল ঢাকাসহ দেশের কয়েকটি আসনে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে ফল প্রভাবিত করার ষড়যন্ত্র করছে।
এ বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে, সরকারি বা বেসরকারি যে-ই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
এলাকার বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে মির্জা আব্বাস বলেন, ঢাকার এই এলাকায় গ্যাস, পানি ও জলাবদ্ধতার সমস্যা রয়েছে। এসব সমস্যার স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন। তিনি জানান, এলাকায় খেলার মাঠ নেই। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান একসময় মাঠ ও কমিউনিটি সেন্টারের ব্যবস্থা করেছিলেন, কিন্তু ষড়যন্ত্রের কারণে তা টিকিয়ে রাখা যায়নি।
তিনি আরও বলেন, এলাকায় কবরস্থানের জায়গা দখল করে সরকারি স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। ওই কবরস্থানের জায়গা এবং মাঠের জায়গা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানান তিনি। পাশাপাশি স্কুলিং এরিয়া হওয়ায় নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা, যাতায়াত সুবিধা এবং পানির ব্যবস্থার অভাবের কথাও তুলে ধরেন।

ঢাকা-৮ আসনের বিএনপির প্রার্থী ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে ভোটাধিকার আদায় করা হয়েছে। কেউ ষড়যন্ত্র করে এই ভোট নষ্ট করার চেষ্টা করলে তা প্রতিহত করা হবে। ভোটের দিন সবাইকে পোলিং সেন্টার পাহারা দিয়ে ভোটের ফল ঘরে আনার আহ্বান জানান তিনি।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর পীর জঙ্গি মাজারের সামনে এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বক্তব্যের শুরুতে মির্জা আব্বাস তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, সারা দেশে ঘুরে ঘুরে নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে গিয়ে বিএনপির চেয়ারম্যানকে অনেক কষ্ট করতে হচ্ছে।
তিনি বলেন, ১৯৯১ সালে এই স্থান থেকেই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তার মনোনয়ন ঘোষণা করেছিলেন। একই স্থানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উপস্থিতিতে আগে জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশের জনগণ ভোট দেওয়ার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। তবে কিছু মহল ঢাকাসহ দেশের কয়েকটি আসনে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে ফল প্রভাবিত করার ষড়যন্ত্র করছে।
এ বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে, সরকারি বা বেসরকারি যে-ই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
এলাকার বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে মির্জা আব্বাস বলেন, ঢাকার এই এলাকায় গ্যাস, পানি ও জলাবদ্ধতার সমস্যা রয়েছে। এসব সমস্যার স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন। তিনি জানান, এলাকায় খেলার মাঠ নেই। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান একসময় মাঠ ও কমিউনিটি সেন্টারের ব্যবস্থা করেছিলেন, কিন্তু ষড়যন্ত্রের কারণে তা টিকিয়ে রাখা যায়নি।
তিনি আরও বলেন, এলাকায় কবরস্থানের জায়গা দখল করে সরকারি স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। ওই কবরস্থানের জায়গা এবং মাঠের জায়গা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানান তিনি। পাশাপাশি স্কুলিং এরিয়া হওয়ায় নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা, যাতায়াত সুবিধা এবং পানির ব্যবস্থার অভাবের কথাও তুলে ধরেন।

হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, বিএনপি সরকারের প্রথম এই বাজেটে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের’ প্রকৃত আকাঙ্ক্ষার কোনো প্রতিফলন ঘটেনি। এই বাজেট দেশবাসীকে চরমভাবে হতাশ করেছে।
৪ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকার সুন্দর কথা বলছে। তবে বাজেট নিয়ে খুব বেশি আশাবাদী হতে পারছি না। ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বাজেট দেখানো হচ্ছে। আসলে এটি ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ঘাটতি বাজেট। এই বাজেট চানাচুরের মতো— খেতে ভালো লাগবে, কিন্তু পুষ্টিগুণ নেই।
৪ দিন আগে
প্রখ্যাত রাজনৈতিক চিন্তাবিদ ও স্বাধীনতার অন্যতম সংগঠক সিরাজুল আলম খানের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তারা রাষ্ট্র সংস্কার ও অংশীদারিত্বমূলক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
৬ দিন আগে
বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহের বিকাশ, সুশাসন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সমসাময়িক বিষয় নিয়েও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। উভয়পক্ষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও বোঝাপড়ার ভিত্তিতে বিদ্যমান সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
৬ দিন আগে