
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আওয়ামী স্বেচ্ছাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব জাতীয় পার্টি পালন করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে উত্তরাঞ্চল ছাত্র ফোরাম আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
রিজভী বলেন, “গত ১৬ বছর জাতীয় পার্টির ভূমিকা ছিল আওয়ামী স্বৈরশাসনকে টিকিয়ে রাখা। শেখ হাসিনার রক্তপিপাসু ফ্যাসিবাদকে রক্ষার কাজ করেছে তারাই। জনগণের টাকা পাচারের সুযোগও করে দিয়েছে জাতীয় পার্টি।”
জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম পাটোয়ারীর বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “বিএনপি তো এখন রাষ্ট্রক্ষমতায় নেই, তাহলে দায়িত্ব নেবে কেন? যখন বিএনপি নেতাকর্মীরা গুম হয়েছিল তখন জাতীয় পার্টি কোথায় ছিল?”
তিনি আরও বলেন, ২০১৪ সালের ভোটারশূন্য নির্বাচনে না যাওয়ার ঘোষণা দিয়েও জাতীয় পার্টি অংশ নিয়েছিল। আবার ২০১৮ সালে বিএনপি অংশ নিলেও প্রার্থীদের গ্রেপ্তার করে সরকার প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ দেয়নি।
জি এম কাদেরের ভারত সফরের প্রসঙ্গ টেনে রিজভী বলেন, “আপনারা বাংলাদেশের দল, নাকি ভারতের অনুমতি ছাড়া কথা বলতে পারেন না? এটাই জাতীয় পার্টির চরিত্র।”
আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র, নির্বাচন ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ধ্বংস করেছে অভিযোগ করে রিজভী বলেন, “সত্যবাদী সাংবাদিকদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে বা হত্যা করা হয়েছে। অথচ আওয়ামী লীগের দাসত্ব করা সাংবাদিকরা আজ বড় বড় কথা বলেন, যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।”
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন।

আওয়ামী স্বেচ্ছাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব জাতীয় পার্টি পালন করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে উত্তরাঞ্চল ছাত্র ফোরাম আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
রিজভী বলেন, “গত ১৬ বছর জাতীয় পার্টির ভূমিকা ছিল আওয়ামী স্বৈরশাসনকে টিকিয়ে রাখা। শেখ হাসিনার রক্তপিপাসু ফ্যাসিবাদকে রক্ষার কাজ করেছে তারাই। জনগণের টাকা পাচারের সুযোগও করে দিয়েছে জাতীয় পার্টি।”
জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম পাটোয়ারীর বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “বিএনপি তো এখন রাষ্ট্রক্ষমতায় নেই, তাহলে দায়িত্ব নেবে কেন? যখন বিএনপি নেতাকর্মীরা গুম হয়েছিল তখন জাতীয় পার্টি কোথায় ছিল?”
তিনি আরও বলেন, ২০১৪ সালের ভোটারশূন্য নির্বাচনে না যাওয়ার ঘোষণা দিয়েও জাতীয় পার্টি অংশ নিয়েছিল। আবার ২০১৮ সালে বিএনপি অংশ নিলেও প্রার্থীদের গ্রেপ্তার করে সরকার প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ দেয়নি।
জি এম কাদেরের ভারত সফরের প্রসঙ্গ টেনে রিজভী বলেন, “আপনারা বাংলাদেশের দল, নাকি ভারতের অনুমতি ছাড়া কথা বলতে পারেন না? এটাই জাতীয় পার্টির চরিত্র।”
আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র, নির্বাচন ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ধ্বংস করেছে অভিযোগ করে রিজভী বলেন, “সত্যবাদী সাংবাদিকদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে বা হত্যা করা হয়েছে। অথচ আওয়ামী লীগের দাসত্ব করা সাংবাদিকরা আজ বড় বড় কথা বলেন, যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।”
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের দুই প্রতিবেশী দেশের অংশীদারত্ব আরও জোরদার করতে আপনার সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছি।’
২ দিন আগে
নতুন করে মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়া পাঁচজন হলেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ
২ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে ছারছীনার পির বলেন, “আপনি এ বিষয়ে সতর্ক থাকবেন। তাওহিদি জনতা আপনাদের ভোট দিয়েছে কেবল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয়; তারা ভোট দিয়েছে তাদের ঈমান, আক্বিদা, দিন ও আদর্শ রক্ষার প্রত্যাশায়। অতএব জনগণের দেওয়া ভোটাধিকার যে উদ্দেশ্যে প্রয়োগ করা হয়েছে, রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে
২ দিন আগে
প্রথম বিজ্ঞপ্তির প্রায় এক ঘণ্টা পর, বেলা ৩টার দিকে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন নতুন একটি বিবৃতি দেয়। এতে আগের বিজ্ঞপ্তিটি সম্পূর্ণ বাতিল করার কথা জানানো হয়। নতুন বিবৃতিতে বলা হয়, “আজ ২১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ‘শনিবার চেঞ্জ অব গার্ড অনুষ্ঠান হচ্ছে না’ শিরোনামে যে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল, তা প্রত্যাহার ক
২ দিন আগে