
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক পদের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন সাদিক কায়েম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) এই ভিপি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, ওই নির্বাচন সামনে রেখেই সাদিক ছাত্রশিবির থেকে সরে দাাঁড়িয়েছেন।
সোমবার (১৩ জুলাই) নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্ট দিয়ে ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব থেকে বিদায়ের কথা জানান সাদিক কায়েম নিজেই। এ দিন কেন্দ্রীয় কমিটির আরও আট নেতাও ছাত্রশিবির থেকে বিদায় নিয়েছেন।
ছাত্রশিবির নেতা নাজমুল হক মাহাদী গণমাধ্যমকে বলেন, কেন্দ্রীয় কমিটির কেউ যথাযথ কারণ দেখিয়ে সরে দাঁড়াতে চাইলে কেন্দ্রীয় সভাপতি সেটি বিবেচনায় নিতে পারেন। আবার কেন্দ্রীয় কমিটির যাদের পড়ালেখা শেষ হয়ে গেছে, তারাও সাধারণত সংগঠন থেকে বিদায় নিয়ে থাকেন। সেভাবেই আমাদের ৯ জন সম্পাদক সংগঠন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
এদিকে সাদিক কায়েম নিজের ফেসবুক পোস্টে ছাত্রশিবির থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানিয়ে লিখেছেন, দেখতে দেখতে দীর্ঘ এক সোনালি অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল। সংগঠনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ইসলামী ছাত্রশিবির থেকে আজ আমার আনুষ্ঠানিক ছুটি হয়েছে। সবকিছুর জন্য আল্লাহর কাছে অগণিত শুকরিয়া আদায় করছি। জীবনের সবচেয়ে সুন্দর ও প্রোডাক্টিভ সময়গুলো কেটেছে এই কাফেলার সঙ্গে।
এর আগে গত ১ মে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে সাদিক কায়েমের নাম ঘোষণা করা হয় এক অনুষ্ঠানে। ওই সময় ছাত্রশিবির জানায়, তাদের সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে নির্বাচন করার সুযোগ নেই। তখনই সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছিলেন, নির্বাচনের আগে ছাত্রশিবির ছাড়তে পারেন সাদিক কায়েম।
এর মধ্যে আগামী আগস্টে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রথম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার কথা জানিয়েছে সরকার। কয়েক ধাপ পরে সিটি করপোরেশন নির্বাচন শুরু হবে। অন্যদিকে গত মাসে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র পদে সাদিক কায়েমের নাম চূড়ান্ত করা হয়, যা দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পরিষদ মজলিশে শুরার চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। সব মিলিয়ে ভোটের তারিখ এগিয়ে আসার কারণেই সাদিক কায়েম ছাত্রশিবির ছাড়লেন বলে জানিয়েছেন জামায়াতের সূত্রগুলো।
সাদিক কায়েম ছাড়াও ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটির আরও আট নেতা বিদায় নিয়েছেন। তারা হলেন— কেন্দ্রীয় মিডিয়া সম্পাদক মুতাসিম বিল্লাহ, এইচআরডি সম্পাদক শরীফ মাহমুদ, ছাত্র অধিকার সম্পাদক মুহিবুর রহমান, প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম, ব্যবসায় শিক্ষা সম্পাদক নুরুল হুদা, পাঠাগার সম্পাদক আরাফাত হোসেন, বিতর্ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান ও দাওয়াহ সম্পাদক শাহীন আহমেদ।

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক পদের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন সাদিক কায়েম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) এই ভিপি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, ওই নির্বাচন সামনে রেখেই সাদিক ছাত্রশিবির থেকে সরে দাাঁড়িয়েছেন।
সোমবার (১৩ জুলাই) নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্ট দিয়ে ছাত্রশিবিরের দায়িত্ব থেকে বিদায়ের কথা জানান সাদিক কায়েম নিজেই। এ দিন কেন্দ্রীয় কমিটির আরও আট নেতাও ছাত্রশিবির থেকে বিদায় নিয়েছেন।
ছাত্রশিবির নেতা নাজমুল হক মাহাদী গণমাধ্যমকে বলেন, কেন্দ্রীয় কমিটির কেউ যথাযথ কারণ দেখিয়ে সরে দাঁড়াতে চাইলে কেন্দ্রীয় সভাপতি সেটি বিবেচনায় নিতে পারেন। আবার কেন্দ্রীয় কমিটির যাদের পড়ালেখা শেষ হয়ে গেছে, তারাও সাধারণত সংগঠন থেকে বিদায় নিয়ে থাকেন। সেভাবেই আমাদের ৯ জন সম্পাদক সংগঠন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
এদিকে সাদিক কায়েম নিজের ফেসবুক পোস্টে ছাত্রশিবির থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানিয়ে লিখেছেন, দেখতে দেখতে দীর্ঘ এক সোনালি অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল। সংগঠনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ইসলামী ছাত্রশিবির থেকে আজ আমার আনুষ্ঠানিক ছুটি হয়েছে। সবকিছুর জন্য আল্লাহর কাছে অগণিত শুকরিয়া আদায় করছি। জীবনের সবচেয়ে সুন্দর ও প্রোডাক্টিভ সময়গুলো কেটেছে এই কাফেলার সঙ্গে।
এর আগে গত ১ মে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে সাদিক কায়েমের নাম ঘোষণা করা হয় এক অনুষ্ঠানে। ওই সময় ছাত্রশিবির জানায়, তাদের সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে নির্বাচন করার সুযোগ নেই। তখনই সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছিলেন, নির্বাচনের আগে ছাত্রশিবির ছাড়তে পারেন সাদিক কায়েম।
এর মধ্যে আগামী আগস্টে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রথম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার কথা জানিয়েছে সরকার। কয়েক ধাপ পরে সিটি করপোরেশন নির্বাচন শুরু হবে। অন্যদিকে গত মাসে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র পদে সাদিক কায়েমের নাম চূড়ান্ত করা হয়, যা দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পরিষদ মজলিশে শুরার চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। সব মিলিয়ে ভোটের তারিখ এগিয়ে আসার কারণেই সাদিক কায়েম ছাত্রশিবির ছাড়লেন বলে জানিয়েছেন জামায়াতের সূত্রগুলো।
সাদিক কায়েম ছাড়াও ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটির আরও আট নেতা বিদায় নিয়েছেন। তারা হলেন— কেন্দ্রীয় মিডিয়া সম্পাদক মুতাসিম বিল্লাহ, এইচআরডি সম্পাদক শরীফ মাহমুদ, ছাত্র অধিকার সম্পাদক মুহিবুর রহমান, প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম, ব্যবসায় শিক্ষা সম্পাদক নুরুল হুদা, পাঠাগার সম্পাদক আরাফাত হোসেন, বিতর্ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান ও দাওয়াহ সম্পাদক শাহীন আহমেদ।

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী আরও বলেন, ৯০-এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন, ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে বিএনপি নেতৃত্ব দিয়েছে। বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা জীবন দিয়েছে। তাই, বিএনপি ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনের সকল পক্ষকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে চায়। অন্যদিকে জামায়াত ও এনসিপি ফ্যাসিবাদ বিরোধী শক্তিগুলোর মধ্
১ দিন আগে
অতীতে নুসরাত, তনু ও খাদিজার ওপর ঘটে যাওয়া নির্মম ঘটনার কথা স্মরণ করে রিজভী বলেন, বর্তমান সরকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমনে কঠোরভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
১ দিন আগে
অ্যানথ্রপিক বলেছে, ওই ব্যক্তি নিজেও জানতেন যে তিনি যে সংবাদ তৈরি করছেন সেগুলো মিথ্যা। তার নিজের নোট থেকে তদন্তকারীরা এমন প্রমাণ পেয়েছেন। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, ‘no one knows the news is fake’— অর্থাৎ ‘কেউ জানে না খবরটি ভুয়া’।
২ দিন আগে
তিনি বলেন, ‘যতক্ষণ পর্যন্ত এই দলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনগুলোর বাংলাদেশে নির্বাচন করা তো দূরের কথা, কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার অধিকার নেই। যদি তারা তা করে, তাহলে আইনের আওতায় আসবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের বিরুদ্ধে
২ দিন আগে