
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক স্পিকার ও প্রবীণ রাজনীতিবিদ ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে আগামীকাল সোমবার (১৩ জুলাই) দেশব্যাপী একদিনের শোক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি।
আজ রবিবার (১২ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
সংবাদ সম্মেলনে রুহুল কবির রিজভী জানান, কেন্দ্র ঘোষিত এই শোক কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোমবার সারা দেশে দলীয় কার্যালয়গুলোতে দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে এবং উত্তোলন করা হবে কালো পতাকা। একই সঙ্গে দেশব্যাপী দল ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের কালো ব্যাজ ধারণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনায় এদিন বিশেষ দোয়া মাহফিলও অনুষ্ঠিত হবে।
বর্ষীয়ান এই নেতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে রিজভী বলেন, ‘এদেশের জাতীয় রাজনীতি ও প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের অসামান্য অবদান ছিল। তিনি দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে দলের সংকটে ও রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনে বিভিন্ন সময় অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে গুরুদায়িত্ব পালন করেছেন। এই অভিজ্ঞ ও বিজ্ঞ রাজনীতিবিদের মহিমান্বিত অবদান দেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।’
সংবাদ সম্মেলনে প্রয়াত সাবেক স্পিকারের জানাজার সময়সূচিও জানানো হয়। রুহুল কবির রিজভী বলেন, মরহুমের প্রথম জানাজা ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন ও দ্বিতীয় জানাজার জন্য বিকেল ৫টায় তার মরদেহ জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় নিয়ে যাওয়া হবে।
জরুরি এই সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল এবং আব্দুস সালাম আজাদ।
রোববার (১২ জুলাই) ভোর ৪টা ১৯ মিনিটে রাজধানীর শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মৃত্যুকালে দেশের বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে হাসপাতালে গিয়েছিলেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বার্ধক্যজনিত ও বিভিন্ন শারীরিক অসুস্থতার কারণে বেশ কিছুদিন ধরে তিনি বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
তার মৃত্যুর সংবাদে রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিএনপির শীর্ষ নেতারাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে।
ব্যারিস্টার মুহাম্মদ জমির উদ্দিন সরকার বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও সাবেক স্পিকার। তিনি ২০০১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত অষ্টম জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০২ সালে রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক এ. কিউ. এম. বদরুদ্দোজা চৌধুরীর পদত্যাগের পর নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বও পালন করেন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রতিষ্ঠালগ্নের অন্যতম নেতা এবং দীর্ঘদিন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
জমির উদ্দিন সরকার ১৯৩১ সালের ১ ডিসেম্বর তৎকালীন জলপাইগুড়ি জেলার (বর্তমান পঞ্চগড় জেলার) তেতুলিয়া উপজেলার নয়াবাড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মৌলভী আলী বক্স এবং মাতা বেগম ফখরুন্নেছা। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে সম্মান ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর এলএলবি সম্পন্ন করেন। পরে ১৯৬০ সালে আইন পেশায় যোগ দেন এবং ১৯৬১ সালে যুক্তরাজ্যে গিয়ে লন্ডনের লিংকনস ইন থেকে ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল ডিগ্রি লাভ করেন। দেশে ফিরে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সংবিধান, দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইন বিষয়ে সুনামের সঙ্গে আইন পেশা পরিচালনা করেন।
রাজনৈতিক জীবনে তিনি প্রথমে ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক উদ্যোগে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন এবং বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর দলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে স্থায়ী কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হন। তিনি একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং বিভিন্ন সময়ে ভূমি, শিক্ষা, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কসহ গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন।
রাজনীতি/এসআর

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক স্পিকার ও প্রবীণ রাজনীতিবিদ ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে আগামীকাল সোমবার (১৩ জুলাই) দেশব্যাপী একদিনের শোক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি।
আজ রবিবার (১২ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
সংবাদ সম্মেলনে রুহুল কবির রিজভী জানান, কেন্দ্র ঘোষিত এই শোক কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোমবার সারা দেশে দলীয় কার্যালয়গুলোতে দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে এবং উত্তোলন করা হবে কালো পতাকা। একই সঙ্গে দেশব্যাপী দল ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের কালো ব্যাজ ধারণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনায় এদিন বিশেষ দোয়া মাহফিলও অনুষ্ঠিত হবে।
বর্ষীয়ান এই নেতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে রিজভী বলেন, ‘এদেশের জাতীয় রাজনীতি ও প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের অসামান্য অবদান ছিল। তিনি দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে দলের সংকটে ও রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনে বিভিন্ন সময় অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে গুরুদায়িত্ব পালন করেছেন। এই অভিজ্ঞ ও বিজ্ঞ রাজনীতিবিদের মহিমান্বিত অবদান দেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।’
সংবাদ সম্মেলনে প্রয়াত সাবেক স্পিকারের জানাজার সময়সূচিও জানানো হয়। রুহুল কবির রিজভী বলেন, মরহুমের প্রথম জানাজা ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদন ও দ্বিতীয় জানাজার জন্য বিকেল ৫টায় তার মরদেহ জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় নিয়ে যাওয়া হবে।
জরুরি এই সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল এবং আব্দুস সালাম আজাদ।
রোববার (১২ জুলাই) ভোর ৪টা ১৯ মিনিটে রাজধানীর শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মৃত্যুকালে দেশের বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে হাসপাতালে গিয়েছিলেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বার্ধক্যজনিত ও বিভিন্ন শারীরিক অসুস্থতার কারণে বেশ কিছুদিন ধরে তিনি বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
তার মৃত্যুর সংবাদে রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিএনপির শীর্ষ নেতারাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে।
ব্যারিস্টার মুহাম্মদ জমির উদ্দিন সরকার বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও সাবেক স্পিকার। তিনি ২০০১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত অষ্টম জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০২ সালে রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক এ. কিউ. এম. বদরুদ্দোজা চৌধুরীর পদত্যাগের পর নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বও পালন করেন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রতিষ্ঠালগ্নের অন্যতম নেতা এবং দীর্ঘদিন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
জমির উদ্দিন সরকার ১৯৩১ সালের ১ ডিসেম্বর তৎকালীন জলপাইগুড়ি জেলার (বর্তমান পঞ্চগড় জেলার) তেতুলিয়া উপজেলার নয়াবাড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মৌলভী আলী বক্স এবং মাতা বেগম ফখরুন্নেছা। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে সম্মান ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর এলএলবি সম্পন্ন করেন। পরে ১৯৬০ সালে আইন পেশায় যোগ দেন এবং ১৯৬১ সালে যুক্তরাজ্যে গিয়ে লন্ডনের লিংকনস ইন থেকে ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল ডিগ্রি লাভ করেন। দেশে ফিরে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সংবিধান, দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইন বিষয়ে সুনামের সঙ্গে আইন পেশা পরিচালনা করেন।
রাজনৈতিক জীবনে তিনি প্রথমে ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক উদ্যোগে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন এবং বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর দলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে স্থায়ী কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হন। তিনি একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং বিভিন্ন সময়ে ভূমি, শিক্ষা, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কসহ গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন।
রাজনীতি/এসআর

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ফেরার পর আমাকে গ্রেপ্তার করতে পারে, এমনকি মেরেও ফেলতে পারে। তারপরও আমাকে ফিরতে হবে। আমার দলের নেতাকর্মীরা ভয়াবহ দমন-পীড়নের শিকার। মৃত্যু যদি আসেই, তবে আমি চাই সেটা আমার নিজের মাটিতে আসুক— যেখানে আমার বাবা-মা শায়িত আছেন, যেখানে তাদের রক্ত ঝরেছে।’
২ দিন আগে
শাহে আলম আরও বলেন, ‘শ্রদ্ধেয় তারেক রহমান বড় হয়েছেন পড়াশোনা করেছে ঢাকা শহরে। আমার জন্ম, বেড়ে ওঠা, পড়াশোনা বগুড়া এবং শিবগঞ্জে। উনার সঙ্গে আমার রাজনৈতিকভাবে সাক্ষাতই হয়েছে ৯৩-৯৪ সালে, আমি ছাত্রদলের সেক্রেটারি হওয়ার পরে... যখন উনি বগুড়া যাওয়া আসা শুরু করেন।’
৩ দিন আগে
রাশেদ খানের ভাষ্য, মীর শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে তুলে ধরে তার সমালোচনার আড়ালে মূলত প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
৩ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, “ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের পরিচয় ছিল নিরপেক্ষ, দল নিরপেক্ষ। তারাও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। এটা তারাই স্বীকার করেছে যে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে।”
৪ দিন আগে