
বিজ্ঞপ্তি

ফিলিস্তিনির গাজায় ইসলায়েলি দখলদার বাহিনীর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি। আজ মঙ্গলবার দলটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কমরেড মাহমুদুল হাসান মানিক ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক কমরেড নুর আহমদ বকুল এক বিবৃতিতে এ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, জাতিসংঘ ও বিশ্ব জনমতকে উপেক্ষা করে একের পর এক অত্যাধুনিক ক্ষেপনাস্ত্র হামলা চালিয়ে নিরস্ত্র নারী-পুরুষ-শিশুদের হত্যা ও আবাসিক ভবন ধ্বংস করায় গাজা উপত্যকা এখন এক বিরান ভূমিতে পরিণত হয়েছে। ইসরাইলি পোড়ামাটির নীতির কারণে আজ ফিলিস্তিনিরা নিজভূমি থেকে বিতাড়িত। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজায় নির্বিচারে হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। স্থানীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব মতে তখন থেকে উপত্যকাটিতে অন্তত ৫০ হাজার ৬৬৯ জন ফিলিস্তিন নিহত হয়েছে। আহত ১ লাখ ১৫ হাজার ২২৫ জন। জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় কিছুদিন যুদ্ধ বিরতি মেনে চললেও আবারও ইসরাইলি বাহিনী গত ১৮ মার্চ থেকে যুদ্ধ বিরতি লঙ্ঘন করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অব্যাহত রেখেছে। ইসরাইলি বাহিনীর অব্যাহত হামলায় পুরো গাজা এলাকা ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে। জাতিসংঘের হিসাব মতে গাজার ২৩ লাখ বাসিন্দার বেশিভাগই এখন উদ্বাস্তুতে পরিণত হয়েছে।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, ইউএনআরডব্লিউ-এর হিসাবে গাজায় গত ১৮ মাসে ১৫ হাজার শিশুকে চিকিৎসকসহ হত্যা করেছে ইসরাইল। মা-বাবা হারিয়ে এতিম হয়েছে ৩৯ হাজার শিশু। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নিস্ক্রিয়তা ও দায়মুক্তির কারণে ইসরাইলি দখলদাররা নারী-শিশু-সাংবাদিকসহ গাজাবাসীকে হত্যা করছে। যুদ্ধের সকল নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে তারা মসজিদ ও হাসপাতালে নির্বিচারে হামলা অব্যাহত রেখেছে। অ্যাম্বুলেন্সেও হামলা করেছে। ডাক্তারদেরকে হত্যা করেছে। সারা বিশ্বের মানুষ যখন এই বর্বর ও নৃশংসতায় স্তম্ভিত তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই ইসরাইলকে সামরিক সরঞ্জামাদিসহ সকল ধরণের সহায়তা আরো বাড়ানোর কথা বলেছেন। যা নিন্দনীয় ও ক্ষমার অযোগ্য।

ফিলিস্তিনির গাজায় ইসলায়েলি দখলদার বাহিনীর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি। আজ মঙ্গলবার দলটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কমরেড মাহমুদুল হাসান মানিক ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক কমরেড নুর আহমদ বকুল এক বিবৃতিতে এ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, জাতিসংঘ ও বিশ্ব জনমতকে উপেক্ষা করে একের পর এক অত্যাধুনিক ক্ষেপনাস্ত্র হামলা চালিয়ে নিরস্ত্র নারী-পুরুষ-শিশুদের হত্যা ও আবাসিক ভবন ধ্বংস করায় গাজা উপত্যকা এখন এক বিরান ভূমিতে পরিণত হয়েছে। ইসরাইলি পোড়ামাটির নীতির কারণে আজ ফিলিস্তিনিরা নিজভূমি থেকে বিতাড়িত। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজায় নির্বিচারে হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। স্থানীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব মতে তখন থেকে উপত্যকাটিতে অন্তত ৫০ হাজার ৬৬৯ জন ফিলিস্তিন নিহত হয়েছে। আহত ১ লাখ ১৫ হাজার ২২৫ জন। জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় কিছুদিন যুদ্ধ বিরতি মেনে চললেও আবারও ইসরাইলি বাহিনী গত ১৮ মার্চ থেকে যুদ্ধ বিরতি লঙ্ঘন করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অব্যাহত রেখেছে। ইসরাইলি বাহিনীর অব্যাহত হামলায় পুরো গাজা এলাকা ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে। জাতিসংঘের হিসাব মতে গাজার ২৩ লাখ বাসিন্দার বেশিভাগই এখন উদ্বাস্তুতে পরিণত হয়েছে।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, ইউএনআরডব্লিউ-এর হিসাবে গাজায় গত ১৮ মাসে ১৫ হাজার শিশুকে চিকিৎসকসহ হত্যা করেছে ইসরাইল। মা-বাবা হারিয়ে এতিম হয়েছে ৩৯ হাজার শিশু। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নিস্ক্রিয়তা ও দায়মুক্তির কারণে ইসরাইলি দখলদাররা নারী-শিশু-সাংবাদিকসহ গাজাবাসীকে হত্যা করছে। যুদ্ধের সকল নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে তারা মসজিদ ও হাসপাতালে নির্বিচারে হামলা অব্যাহত রেখেছে। অ্যাম্বুলেন্সেও হামলা করেছে। ডাক্তারদেরকে হত্যা করেছে। সারা বিশ্বের মানুষ যখন এই বর্বর ও নৃশংসতায় স্তম্ভিত তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই ইসরাইলকে সামরিক সরঞ্জামাদিসহ সকল ধরণের সহায়তা আরো বাড়ানোর কথা বলেছেন। যা নিন্দনীয় ও ক্ষমার অযোগ্য।

বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৪ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৪ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৭ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৮ দিন আগে