
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপিকে সন্ত্রাসী দল হিসেবে আখ্যা দিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপি কোনো রাজনৈতিক দল নয়, সন্ত্রাসী দল। জামায়াত যুদ্ধাপরাধী দল। এই যুদ্ধাপরাধী এবং সন্ত্রাসীদের হাত থেকে দেশকে মুক্ত রাখতে হবে। দেশে তাহলে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে।
শনিবার বিকেলে কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা, নেত্রকোনা, রাঙ্গামাটি এবং বরগুনা জেলার বামনা ও পাথরঘাটা উপজেলার জনসভায় ভার্চুয়ালি দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
রাজধানীর তেজগাঁওয়ের ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ অফিস থেকে ভিডিও কনফারেন্সে তিনি এসব জেলার জনসভায় অংশ নেন।
তিনি বলেন, উন্নয়নের ধারা তখনই অব্যাহত থাকবে যখন নির্বাচন সুষ্ঠু হবে, নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তার মন মত প্রার্থী বেছে নেবে এবং গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকবে।
শেখ হাসিনা বলেন, গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে হবে, উন্নয়নের ধারাও অব্যাহত রাখতে হবে।
আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, আজকে বিএনপি নির্বাচনে আসেনি, নির্বাচন ঠেকানোর নামে ২০১৩-১৪ সালে যেভাবে অগ্নি সন্ত্রাস করেছিল আবার তারা তাদের সেই ভয়ংকর রূপ নিয়ে (মাঠে) নেমেছে। মাত্র কয়েকদিন আগে রেলে আগুন দিলো, ফিসপ্লেট খুলে ফেলল, আগুনে পুড়িয়ে মানুষ মারল। আবার তারা অগ্নি সন্ত্রাস শুরু করেছে।
শেখ হাসিনা বলেন, সামনে ইলেকশন, এই নির্বাচন আমরা এবার উন্মুক্ত করে দিয়েছি। তার কারণ আমরা চাই জনগণ অংশগ্রহণ করুক, শান্তি মত ভোট দিক।
তিনি বলেন, সকলে জনগণের কাছে যাবে, জনগণ যাকে ভোট দেবে সেই নির্বাচিত হবে। আমি চাই নির্বাচনটা শান্তিপূর্ণ হোক। জনগণের যে ভোটের অধিকার সেটা তারা সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে পারুক। গণতন্ত্রকে আমরা সুরক্ষিত করতে চাই।
শেখ হাসিনা বলেন, দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ থাকলে, গণতান্ত্রিক বিধি ব্যবস্থা থাকলে দেশে উন্নতি হয়।
শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে শান্তিপূর্ণভাবে একবারই ক্ষমতা হস্তান্তর হয়েছিল, তিনি (শেখ হাসিনা) সেটা ২০০১ সালে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছি।

বিএনপিকে সন্ত্রাসী দল হিসেবে আখ্যা দিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপি কোনো রাজনৈতিক দল নয়, সন্ত্রাসী দল। জামায়াত যুদ্ধাপরাধী দল। এই যুদ্ধাপরাধী এবং সন্ত্রাসীদের হাত থেকে দেশকে মুক্ত রাখতে হবে। দেশে তাহলে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে।
শনিবার বিকেলে কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা, নেত্রকোনা, রাঙ্গামাটি এবং বরগুনা জেলার বামনা ও পাথরঘাটা উপজেলার জনসভায় ভার্চুয়ালি দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
রাজধানীর তেজগাঁওয়ের ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ অফিস থেকে ভিডিও কনফারেন্সে তিনি এসব জেলার জনসভায় অংশ নেন।
তিনি বলেন, উন্নয়নের ধারা তখনই অব্যাহত থাকবে যখন নির্বাচন সুষ্ঠু হবে, নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তার মন মত প্রার্থী বেছে নেবে এবং গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকবে।
শেখ হাসিনা বলেন, গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে হবে, উন্নয়নের ধারাও অব্যাহত রাখতে হবে।
আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, আজকে বিএনপি নির্বাচনে আসেনি, নির্বাচন ঠেকানোর নামে ২০১৩-১৪ সালে যেভাবে অগ্নি সন্ত্রাস করেছিল আবার তারা তাদের সেই ভয়ংকর রূপ নিয়ে (মাঠে) নেমেছে। মাত্র কয়েকদিন আগে রেলে আগুন দিলো, ফিসপ্লেট খুলে ফেলল, আগুনে পুড়িয়ে মানুষ মারল। আবার তারা অগ্নি সন্ত্রাস শুরু করেছে।
শেখ হাসিনা বলেন, সামনে ইলেকশন, এই নির্বাচন আমরা এবার উন্মুক্ত করে দিয়েছি। তার কারণ আমরা চাই জনগণ অংশগ্রহণ করুক, শান্তি মত ভোট দিক।
তিনি বলেন, সকলে জনগণের কাছে যাবে, জনগণ যাকে ভোট দেবে সেই নির্বাচিত হবে। আমি চাই নির্বাচনটা শান্তিপূর্ণ হোক। জনগণের যে ভোটের অধিকার সেটা তারা সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে পারুক। গণতন্ত্রকে আমরা সুরক্ষিত করতে চাই।
শেখ হাসিনা বলেন, দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ থাকলে, গণতান্ত্রিক বিধি ব্যবস্থা থাকলে দেশে উন্নতি হয়।
শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে শান্তিপূর্ণভাবে একবারই ক্ষমতা হস্তান্তর হয়েছিল, তিনি (শেখ হাসিনা) সেটা ২০০১ সালে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছি।

বিপুল সংখ্যক প্রার্থীর উপস্থিতিতে মনোনয়ন বাছাই যেমন জটিল হয়ে উঠেছে, তেমনি দীর্ঘদিনের ত্যাগ ও সাংগঠনিক ভূমিকার স্বীকৃতি নিয়ে ভেতরে ভেতরে আলোচনা-প্রত্যাশাও বাড়ছে। ফলে আসন্ন নির্বাচন শুধু আসন বণ্টনের বিষয় নয়, বরং দলগুলোর অভ্যন্তরীণ ভারসাম্য ও রাজনৈতিক মূল্যায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষায় পরিণত হয়েছে।
১ দিন আগে
বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ বলেন, ‘বিগত সময়ে পহেলা বৈশাখসহ অনেকগুলো উৎসবকে দলীয়করণ করা হয়েছিল। এখন সেই উৎসবগুলোকেও নাগরিক উৎসব হিসেবে উদ্যাপনের চেষ্টা করছি আমরা। একইসঙ্গে আমাদের সংস্কার এবং সাংস্কৃতিক মুক্তির লড়াই চলমান থাকবে।’
২ দিন আগে
পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্মরণ করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দলের চেয়ারপারসন প্রয়াত খালেদা জিয়াকে।
২ দিন আগে
তিনি আরো বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসের মাধ্যমে প্রিয় দেশ ও জাতিকে ফ্যাসিবাদমুক্ত করার আপসহীন লড়াই চালিয়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে জনগণের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তিত বাংলাদেশ গড়ে তোলাই হোক আমাদের অঙ্গীকার। আসুন সবার জন্য ন্যায়বিচার, অর্থনৈতিক মুক্তি ও মানবিক সমাজ গড়ার লক্ষ্যে একধাপ এগিয়ে যাই।’
৩ দিন আগে