
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপি নির্বাচনে আসতে ভয় পায় বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, বিএনপি নির্বাচনে আসতে ভয় পায়। মাঠে এক হাজার ৮৯৬ জন খেলোয়াড় আছে। ৭ জানুয়ারি ফাইনাল খেলা। যুক্তরাষ্ট্র বলে নির্বাচনে বাধা দিলে স্যাংশনস দেবে। আমরা কি নির্বাচনে বাধা দিচ্ছি?’
শুক্রবার বিকেলে নোয়াখালীর বসুরহাট বঙ্গবন্ধু চত্বরে এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় বিএনপি পল্টন থেকে দৌড়াতে দৌড়াতে পালিয়ে গেছে বলেও মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।
বিএনপির অসহযোগ আন্দোলন প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি প্ল্যান করেছে খাজনা-ট্যাক্স বন্ধ করতে। লন্ডন থেকে হাওয়া ভবনের চোরাও বলে খাজনা-ট্যাক্স দেবেন না। সাহস থাকলে বাংলাদেশে আসেন। রাজপথে থেকে মোকাবিলা করেন। বিএনপির কথায় এখন ঘোড়াও হাসে। তাদের অবরোধ-ধর্মঘট কেউ মানে না বরং উল্টো জনগণ বিএনপিকেই অবরোধ দিয়ে দেবে।
কাদের বলেন, ২৮ তারিখ (অক্টোবর) বিএনপি অলিগলিও খুঁজে পায়নি। তারা লালকার্ড খেয়ে খেলার মাঠের বাইরে চলে গেছে। বিএনপি এখন অবরোধ আর ধর্মঘটের ডাক দেয়। তাদের অবরোধ ভুয়া, ধর্মঘট ভুয়া। বিএনপির ডাকা অবরোধে আর কিছু না হোক, রাস্তায় জ্যাম বেড়ে গেছে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, গণতন্ত্র বাঁচাতে হলে সংবিধান বাঁচাতে হবে। মুক্তিযুদ্ধকে বাঁচাতে হলে আওয়ামী লীগকে বাঁচাতে হবে। স্বাধীনতার আদর্শকে রক্ষা করতে হলে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনতে হবে। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে চাইলে শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নাই।
নির্বাচনী আচরণবিধির বিষয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, শেখ হাসিনা এমন নেত্রী গোপালগঞ্জে গেছেন গাড়িতে পতাকা লাগাননি। সিলেটে সরকারি কর্মকর্তারা রিসিভ করতে চেয়েছেন, সে সুযোগ দেননি। আমিও আজ গাড়িতে পতাকা লাগাইনি। নির্বাচনের আচরণবিধি কেউ ভাঙবেন না। ভাঙলে আইনি বাধার মুখোমুখি হবেন।
কোম্পানিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারী, নোয়াখালী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল ওয়াদুদ পিন্টু ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান বাদল প্রমুখ।

বিএনপি নির্বাচনে আসতে ভয় পায় বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, বিএনপি নির্বাচনে আসতে ভয় পায়। মাঠে এক হাজার ৮৯৬ জন খেলোয়াড় আছে। ৭ জানুয়ারি ফাইনাল খেলা। যুক্তরাষ্ট্র বলে নির্বাচনে বাধা দিলে স্যাংশনস দেবে। আমরা কি নির্বাচনে বাধা দিচ্ছি?’
শুক্রবার বিকেলে নোয়াখালীর বসুরহাট বঙ্গবন্ধু চত্বরে এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় বিএনপি পল্টন থেকে দৌড়াতে দৌড়াতে পালিয়ে গেছে বলেও মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।
বিএনপির অসহযোগ আন্দোলন প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি প্ল্যান করেছে খাজনা-ট্যাক্স বন্ধ করতে। লন্ডন থেকে হাওয়া ভবনের চোরাও বলে খাজনা-ট্যাক্স দেবেন না। সাহস থাকলে বাংলাদেশে আসেন। রাজপথে থেকে মোকাবিলা করেন। বিএনপির কথায় এখন ঘোড়াও হাসে। তাদের অবরোধ-ধর্মঘট কেউ মানে না বরং উল্টো জনগণ বিএনপিকেই অবরোধ দিয়ে দেবে।
কাদের বলেন, ২৮ তারিখ (অক্টোবর) বিএনপি অলিগলিও খুঁজে পায়নি। তারা লালকার্ড খেয়ে খেলার মাঠের বাইরে চলে গেছে। বিএনপি এখন অবরোধ আর ধর্মঘটের ডাক দেয়। তাদের অবরোধ ভুয়া, ধর্মঘট ভুয়া। বিএনপির ডাকা অবরোধে আর কিছু না হোক, রাস্তায় জ্যাম বেড়ে গেছে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, গণতন্ত্র বাঁচাতে হলে সংবিধান বাঁচাতে হবে। মুক্তিযুদ্ধকে বাঁচাতে হলে আওয়ামী লীগকে বাঁচাতে হবে। স্বাধীনতার আদর্শকে রক্ষা করতে হলে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনতে হবে। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে চাইলে শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নাই।
নির্বাচনী আচরণবিধির বিষয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, শেখ হাসিনা এমন নেত্রী গোপালগঞ্জে গেছেন গাড়িতে পতাকা লাগাননি। সিলেটে সরকারি কর্মকর্তারা রিসিভ করতে চেয়েছেন, সে সুযোগ দেননি। আমিও আজ গাড়িতে পতাকা লাগাইনি। নির্বাচনের আচরণবিধি কেউ ভাঙবেন না। ভাঙলে আইনি বাধার মুখোমুখি হবেন।
কোম্পানিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারী, নোয়াখালী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল ওয়াদুদ পিন্টু ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান বাদল প্রমুখ।

রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
১ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
২ দিন আগে
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
২ দিন আগে
বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে শিষ্টাচারবহির্ভূত মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, "রাজনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনকারীদের আমরা স্পষ্ট ভাষায় হুঁশিয়ার করে দিতে চাই—যুবদল রাজপথের সংগঠন। রাজপথে থেকেই আমরা অতীতে সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেছি, এবারও এসব অপপ্রচারের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।"
২ দিন আগে