
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কদের বলেছেন, তারা (বিএনপি) নির্বাচনে আসলে আমাদের আপত্তি নেই। তারা আসলে স্বাগতম। তাদের দলের কেউ কেউ আসতে পারেন। কেউ কেউ মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করছেন। ৩০ তারিখে সব ঠিক হয়ে যাবে।
মঙ্গলবার ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্নজন বিভিন্ন রকম মন্তব্য করছেন। অনেকে অনেক জল্পনা-কল্পনা করছেন। এসবের অবসান হবে সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে। তারপর অনেক সমালোচনাই বন্ধ হয়ে যাবে।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমাদের টার্গেট হলো পিসফুল, ফ্রি, ফেয়ার অ্যান্ড ক্রেডিবল ইলেকশন করা। নানা মনে নানা মত থাকবে। আমরা পিসফুল নির্বাচন করে দেখিয়ে দিতে চাই ফ্রি, ফেয়ার ইলেকশনের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছি।
শরিক দলের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে তিনি বলেন, ১৭ ডিসেম্বর মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন। এর মধ্যে আমরা অবজারভ করব, এডজাস্টমেন্ট করব। যেখানে যা প্রয়োজন তা করব। ১৭ তারিখের মধ্যে সবকিছু ফাইনালাইজড করা হবে।
আওয়ামী লীগের নেতারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড়ালে বিশৃঙ্খলা হবে কি-না? জানতে চাইলে কাদের বলেন, আমরা দেখছি কারা কারা চাইছে। আমাদের কৌশলগত সিদ্ধান্ত আছে। ১৭ তারিখ পর্যন্ত সময় আছে। এর ভেতরে আমরা পরিবর্তন, সংশোধন করতে পারবো। আমাদের কৌশলগত দিক থাকবে।
বিএনপিকে নির্বাচনে আনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তারা আসলে আমাদের আপত্তি নেই। তারা আসলে স্বাগতম। তাদের দলের কেউ কেউ আসতে পারেন। কেউ কেউ মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করছেন। ৩০ তারেখে সব ঠিক হয়ে যাবে।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কদের বলেছেন, তারা (বিএনপি) নির্বাচনে আসলে আমাদের আপত্তি নেই। তারা আসলে স্বাগতম। তাদের দলের কেউ কেউ আসতে পারেন। কেউ কেউ মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করছেন। ৩০ তারিখে সব ঠিক হয়ে যাবে।
মঙ্গলবার ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্নজন বিভিন্ন রকম মন্তব্য করছেন। অনেকে অনেক জল্পনা-কল্পনা করছেন। এসবের অবসান হবে সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে। তারপর অনেক সমালোচনাই বন্ধ হয়ে যাবে।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমাদের টার্গেট হলো পিসফুল, ফ্রি, ফেয়ার অ্যান্ড ক্রেডিবল ইলেকশন করা। নানা মনে নানা মত থাকবে। আমরা পিসফুল নির্বাচন করে দেখিয়ে দিতে চাই ফ্রি, ফেয়ার ইলেকশনের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছি।
শরিক দলের মধ্যে আসন বণ্টন নিয়ে তিনি বলেন, ১৭ ডিসেম্বর মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন। এর মধ্যে আমরা অবজারভ করব, এডজাস্টমেন্ট করব। যেখানে যা প্রয়োজন তা করব। ১৭ তারিখের মধ্যে সবকিছু ফাইনালাইজড করা হবে।
আওয়ামী লীগের নেতারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড়ালে বিশৃঙ্খলা হবে কি-না? জানতে চাইলে কাদের বলেন, আমরা দেখছি কারা কারা চাইছে। আমাদের কৌশলগত সিদ্ধান্ত আছে। ১৭ তারিখ পর্যন্ত সময় আছে। এর ভেতরে আমরা পরিবর্তন, সংশোধন করতে পারবো। আমাদের কৌশলগত দিক থাকবে।
বিএনপিকে নির্বাচনে আনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তারা আসলে আমাদের আপত্তি নেই। তারা আসলে স্বাগতম। তাদের দলের কেউ কেউ আসতে পারেন। কেউ কেউ মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করছেন। ৩০ তারেখে সব ঠিক হয়ে যাবে।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের দুই প্রতিবেশী দেশের অংশীদারত্ব আরও জোরদার করতে আপনার সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছি।’
২ দিন আগে
নতুন করে মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়া পাঁচজন হলেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ
২ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে ছারছীনার পির বলেন, “আপনি এ বিষয়ে সতর্ক থাকবেন। তাওহিদি জনতা আপনাদের ভোট দিয়েছে কেবল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয়; তারা ভোট দিয়েছে তাদের ঈমান, আক্বিদা, দিন ও আদর্শ রক্ষার প্রত্যাশায়। অতএব জনগণের দেওয়া ভোটাধিকার যে উদ্দেশ্যে প্রয়োগ করা হয়েছে, রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে
২ দিন আগে
প্রথম বিজ্ঞপ্তির প্রায় এক ঘণ্টা পর, বেলা ৩টার দিকে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন নতুন একটি বিবৃতি দেয়। এতে আগের বিজ্ঞপ্তিটি সম্পূর্ণ বাতিল করার কথা জানানো হয়। নতুন বিবৃতিতে বলা হয়, “আজ ২১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ‘শনিবার চেঞ্জ অব গার্ড অনুষ্ঠান হচ্ছে না’ শিরোনামে যে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল, তা প্রত্যাহার ক
২ দিন আগে