
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

স্মার্ট নৌকা সকল বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৬ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীয় নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। তিনি বলেছেন, প্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনার স্মার্ট নৌকার শুধু ফ্রন্ট গিয়ার আছে। এ নৌকা উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে সকল বাধা পেরিয়ে।
সোমবার দুপুরে পুরান ঢাকার দয়াগঞ্জে গণসংযোগে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র।
এবার ঢাকা-৬ আসনের জনগণ স্মার্ট নৌকার সঙ্গী হতে চায় জানিয়ে মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বলেন, দেশের মানুষের কাছে ডিজিটাল বাংলাদেশের ওয়াদা করেছিলেন প্রাণপ্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনা। তিনি তার ওয়াদা অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছেন। তার কল্যাণে বাংলাদেশ ডিজিটালাইজড হয়েছে। এখন তিনি স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তাই স্মার্ট ঢাকা বিনিমার্ণে নৌকা প্রতীকে ভোট চাই।
তিনি বলেন, আমরা সবসময় বলেছি অংশগ্রহণমূলক অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নেত্রী জনগণের কাছে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তা পূরণের জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। ৭ জানুয়ারি নির্বাচনে বিপুল ভোটার উপস্থিতির মাধ্যমে নৌকার বিজয় হবে এবং শেখ হাসিনা ফের প্রধানমন্ত্রী হবেন, ইনশাআল্লাহ।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কবরস্থানে লাশ দাফন ও শ্মশানে দাহ ফের ফ্রি করে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বলেন, আমি যখন ঢাকা দক্ষিণের মেয়র ছিলাম পুরান ঢাকায় পার্ক, খেলার মাঠ, কমিউনিটি সেন্টার নির্মাণসহ ব্যাপক উন্নয়ন কাজ করেছি। কবরস্থানের উন্নয়ন এবং সংস্কারের পরে আমরা দাফন সম্পূর্ণ ফ্রি করে দিয়েছিলাম। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য শ্মশানে দাহ ফ্রি করা হয়েছিল। এখন দাফন ও দাহে টাকা নেওয়া হয়। আমি কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করবো আবার ফ্রি করে দেওয়ার জন্য। তিনি বলেন, আল্লাহ আমাকে আবার সুযোগ দিলে এই এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকতে চাই।
মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বলেন, আমি পুরান ঢাকার সন্তান, এটাই আমার বড় পরিচয়। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র থাকা অবস্থায় এবং এরপরেও আমি যে কাজ করেছি তাতে বিশ্বাস করি এই এলাকার মানুষ তাদের ভালোবাসার উপহার স্বরুপ আমাকে একটি করে ভোট দিবে। সে হিসেবে আমি বিশ্বাস করি অন্যান্য আসন থেকে এখানে ভোটার উপস্থিতি বেশি হবে। এই এলাকার ভোটারদের কেউ আটকাতে পারবে না।

স্মার্ট নৌকা সকল বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৬ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীয় নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। তিনি বলেছেন, প্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনার স্মার্ট নৌকার শুধু ফ্রন্ট গিয়ার আছে। এ নৌকা উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে সকল বাধা পেরিয়ে।
সোমবার দুপুরে পুরান ঢাকার দয়াগঞ্জে গণসংযোগে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র।
এবার ঢাকা-৬ আসনের জনগণ স্মার্ট নৌকার সঙ্গী হতে চায় জানিয়ে মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বলেন, দেশের মানুষের কাছে ডিজিটাল বাংলাদেশের ওয়াদা করেছিলেন প্রাণপ্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনা। তিনি তার ওয়াদা অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছেন। তার কল্যাণে বাংলাদেশ ডিজিটালাইজড হয়েছে। এখন তিনি স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তাই স্মার্ট ঢাকা বিনিমার্ণে নৌকা প্রতীকে ভোট চাই।
তিনি বলেন, আমরা সবসময় বলেছি অংশগ্রহণমূলক অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নেত্রী জনগণের কাছে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তা পূরণের জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। ৭ জানুয়ারি নির্বাচনে বিপুল ভোটার উপস্থিতির মাধ্যমে নৌকার বিজয় হবে এবং শেখ হাসিনা ফের প্রধানমন্ত্রী হবেন, ইনশাআল্লাহ।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কবরস্থানে লাশ দাফন ও শ্মশানে দাহ ফের ফ্রি করে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বলেন, আমি যখন ঢাকা দক্ষিণের মেয়র ছিলাম পুরান ঢাকায় পার্ক, খেলার মাঠ, কমিউনিটি সেন্টার নির্মাণসহ ব্যাপক উন্নয়ন কাজ করেছি। কবরস্থানের উন্নয়ন এবং সংস্কারের পরে আমরা দাফন সম্পূর্ণ ফ্রি করে দিয়েছিলাম। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য শ্মশানে দাহ ফ্রি করা হয়েছিল। এখন দাফন ও দাহে টাকা নেওয়া হয়। আমি কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করবো আবার ফ্রি করে দেওয়ার জন্য। তিনি বলেন, আল্লাহ আমাকে আবার সুযোগ দিলে এই এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকতে চাই।
মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বলেন, আমি পুরান ঢাকার সন্তান, এটাই আমার বড় পরিচয়। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র থাকা অবস্থায় এবং এরপরেও আমি যে কাজ করেছি তাতে বিশ্বাস করি এই এলাকার মানুষ তাদের ভালোবাসার উপহার স্বরুপ আমাকে একটি করে ভোট দিবে। সে হিসেবে আমি বিশ্বাস করি অন্যান্য আসন থেকে এখানে ভোটার উপস্থিতি বেশি হবে। এই এলাকার ভোটারদের কেউ আটকাতে পারবে না।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের দুই প্রতিবেশী দেশের অংশীদারত্ব আরও জোরদার করতে আপনার সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছি।’
২ দিন আগে
নতুন করে মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়া পাঁচজন হলেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ
২ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে ছারছীনার পির বলেন, “আপনি এ বিষয়ে সতর্ক থাকবেন। তাওহিদি জনতা আপনাদের ভোট দিয়েছে কেবল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয়; তারা ভোট দিয়েছে তাদের ঈমান, আক্বিদা, দিন ও আদর্শ রক্ষার প্রত্যাশায়। অতএব জনগণের দেওয়া ভোটাধিকার যে উদ্দেশ্যে প্রয়োগ করা হয়েছে, রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে
২ দিন আগে
প্রথম বিজ্ঞপ্তির প্রায় এক ঘণ্টা পর, বেলা ৩টার দিকে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন নতুন একটি বিবৃতি দেয়। এতে আগের বিজ্ঞপ্তিটি সম্পূর্ণ বাতিল করার কথা জানানো হয়। নতুন বিবৃতিতে বলা হয়, “আজ ২১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ‘শনিবার চেঞ্জ অব গার্ড অনুষ্ঠান হচ্ছে না’ শিরোনামে যে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল, তা প্রত্যাহার ক
২ দিন আগে