
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৬ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বলেছেন, রাজনীতিটা কোনো অনলাইন গেম নয়। কেউ লন্ডনে বসে সুইচ টিপ দিলো, ঢাকা শহরের মানুষ নাচতে শুরু করলো বিষয়টা মোটেও এরকম না। লন্ডনে বসে বাটন টিপে রাজনীতি হয় না।
মঙ্গলবার দুপুরে পুরান ঢাকার ওয়ারীতে গণসংযোগে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ মন্তব্য করেন মোহাম্মদ সাঈদ খোকন।
তিনি বলেন, আইন ও সংবিধান সম্মতভাবে জনমত সৃষ্টি করার মাধ্যমে যে কেউ ভোট বা নির্বাচন বর্জনের চেষ্টা করতে পারে। সেখানে আমাদের কোনো বিষয় থাকে না।
বিএনপি-জামায়াত নির্বাচন বাতিলের জন্য সারা দেশে লিফলেট বিতরণ করছে। এতে জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তির মাধ্যমে জলঘোলা করার চেষ্টা করছে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র
ভোটারদের কেন্দ্রে নিয়ে আসতে কোনো চাপ বা চ্যালেঞ্জ মনে করছেন কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বলেন, অন্যান্য জায়গাতে একটু চ্যালেঞ্জ থাকতে পারে। তবে পুরান ঢাকার হিসেবটা একটু ভিন্ন। এখানে সেরকম কিছু হবে না। প্রথমত, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর যে উন্নয়ন-অগ্রযাত্রা, সেটাকে স্বীকৃতি বা উৎসাহ দেবার জন্য মানুষ ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নৌকা প্রতীকে ভোট দিবেন। দ্বিতীয়ত, আমি তাদের সন্তান, সে হিসেবে তাঁরা একটা ভোট দিতে কেন্দ্রে যাবেন বলে আমি আশা করি।
৭ জানুয়ারি ঢাকা-৬ আসনে ভোটার উপস্থিতি সব চেয়ে বেশি হবে জানিয়ে মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বলেন, 'আমি পুরান ঢাকার সন্তান হিসেবে ভোটারদের স্নেহ-ভালোবাসা আছে। আলহামদুলিল্লাহ, গণসংযোগে ভালো সাড়া পাচ্ছি। আশা করি ৭ জানুয়ারি জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট কেন্দ্রে যাবেন। প্রিয় নেত্রীকে ফের প্রধানমন্ত্রী করতে নৌকা প্রতিকে ভোট দিবেন।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৬ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বলেছেন, রাজনীতিটা কোনো অনলাইন গেম নয়। কেউ লন্ডনে বসে সুইচ টিপ দিলো, ঢাকা শহরের মানুষ নাচতে শুরু করলো বিষয়টা মোটেও এরকম না। লন্ডনে বসে বাটন টিপে রাজনীতি হয় না।
মঙ্গলবার দুপুরে পুরান ঢাকার ওয়ারীতে গণসংযোগে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ মন্তব্য করেন মোহাম্মদ সাঈদ খোকন।
তিনি বলেন, আইন ও সংবিধান সম্মতভাবে জনমত সৃষ্টি করার মাধ্যমে যে কেউ ভোট বা নির্বাচন বর্জনের চেষ্টা করতে পারে। সেখানে আমাদের কোনো বিষয় থাকে না।
বিএনপি-জামায়াত নির্বাচন বাতিলের জন্য সারা দেশে লিফলেট বিতরণ করছে। এতে জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তির মাধ্যমে জলঘোলা করার চেষ্টা করছে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র
ভোটারদের কেন্দ্রে নিয়ে আসতে কোনো চাপ বা চ্যালেঞ্জ মনে করছেন কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বলেন, অন্যান্য জায়গাতে একটু চ্যালেঞ্জ থাকতে পারে। তবে পুরান ঢাকার হিসেবটা একটু ভিন্ন। এখানে সেরকম কিছু হবে না। প্রথমত, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর যে উন্নয়ন-অগ্রযাত্রা, সেটাকে স্বীকৃতি বা উৎসাহ দেবার জন্য মানুষ ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নৌকা প্রতীকে ভোট দিবেন। দ্বিতীয়ত, আমি তাদের সন্তান, সে হিসেবে তাঁরা একটা ভোট দিতে কেন্দ্রে যাবেন বলে আমি আশা করি।
৭ জানুয়ারি ঢাকা-৬ আসনে ভোটার উপস্থিতি সব চেয়ে বেশি হবে জানিয়ে মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বলেন, 'আমি পুরান ঢাকার সন্তান হিসেবে ভোটারদের স্নেহ-ভালোবাসা আছে। আলহামদুলিল্লাহ, গণসংযোগে ভালো সাড়া পাচ্ছি। আশা করি ৭ জানুয়ারি জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট কেন্দ্রে যাবেন। প্রিয় নেত্রীকে ফের প্রধানমন্ত্রী করতে নৌকা প্রতিকে ভোট দিবেন।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের দুই প্রতিবেশী দেশের অংশীদারত্ব আরও জোরদার করতে আপনার সঙ্গে কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছি।’
২ দিন আগে
নতুন করে মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়া পাঁচজন হলেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ
২ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে ছারছীনার পির বলেন, “আপনি এ বিষয়ে সতর্ক থাকবেন। তাওহিদি জনতা আপনাদের ভোট দিয়েছে কেবল ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয়; তারা ভোট দিয়েছে তাদের ঈমান, আক্বিদা, দিন ও আদর্শ রক্ষার প্রত্যাশায়। অতএব জনগণের দেওয়া ভোটাধিকার যে উদ্দেশ্যে প্রয়োগ করা হয়েছে, রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে
২ দিন আগে
প্রথম বিজ্ঞপ্তির প্রায় এক ঘণ্টা পর, বেলা ৩টার দিকে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন নতুন একটি বিবৃতি দেয়। এতে আগের বিজ্ঞপ্তিটি সম্পূর্ণ বাতিল করার কথা জানানো হয়। নতুন বিবৃতিতে বলা হয়, “আজ ২১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ‘শনিবার চেঞ্জ অব গার্ড অনুষ্ঠান হচ্ছে না’ শিরোনামে যে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল, তা প্রত্যাহার ক
২ দিন আগে