
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশ না নিলেও দলটির অনেক প্রার্থী স্বতন্ত্র হিসেব অংশ নিচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, নির্বাচনে ২৫ থেকে ৩০টি দল অংশ নিতে যাচ্ছে। বিএনপি অংশ না নিলেও দলটির অনেক প্রার্থী স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সব শেষ হওয়ার আগে এ প্রশ্নের ব্যাপারে কিছু না বলাই ভালো।
সোমবার দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলীয় মনোনয়নপত্র বিতরণকালে এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
বিরোধীরা সহিংসতা করছে দাবি করে ওবায়দুল কাদের বলেন, চোরাগুপ্তা হামলা করছে। সরকারি দল দেশের শান্তির জন্য নির্বাচনকে বেছে নিয়েছে। শান্তিপূর্ণ নির্বাচন দরকার, আমরা নির্বাচন চাই। আমরা কেন শান্তিপূর্ণ জায়গাটাকে ডিস্টার্ব করবো? কেন সহিংস পরিবেশ চাইব?
আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশে নির্বাচন হয়, একসঙ্গে সবার মনোনয়ন কে ঘোষণা করেছে? আপনারা প্রতিবেশী দেশগুলোর থেকে একটু জানুন। আমরা মাত্র দুইটা বাকি রেখেছি। সেটা আমাদের টেকনিক্যাল বিষয় থাকতে পারে। কৌশলগত বিষয় থাকতে পারে। সে কারণে আমরা দুইটা প্রকাশ করিনি। কৌশলগত দিক থেকে এখানে কোনো ত্রুটি হয়নি।
বর্তমান সংসদের ৭১ জনের এবার মনোনয়ন না পাওয়ার বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, সংখ্যাটা বড় কিংবা ছোট, সেটা আমাদের দলের মনোনয়ন বোর্ডের সিদ্ধান্ত। আমরা কাকে বাদ দেব, কাকে রাখব বোর্ডের সিদ্ধান্ত। আমাদের একটাই কথা, উইনেবল এবং ইলেক্টেবল যে প্রার্থী তাকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। সেই বিচারে যারা এসেছে, তারা মনোনয়ন পেয়েছে। যারা আসেনি, ধরে নিতে পারেন তারা পায়নি। আমাদের ক্যাটাগরির মধ্যে যারা পড়েনি, তাদের দেওয়া হয়নি।
আওয়ামী লীগের জোটগতভাবে নির্বাচনে অংশ নেয়ার প্রশ্নে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, কার সঙ্গে কী এডজাস্টমেন্ট হবে, কাকে কত সিট দেবে, আমরা কীভাবে জোট করব, জোটটা নির্বাচনের স্বার্থে কোন পথে সুবিধাজনক, অনেক কিছু আমাদের ভাবতে হবে। নির্বাচনে মনোনয়ন ফরম জমা এবং প্রত্যাহারেও সময় আছে।
নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, কেউ অংশ নিলে নির্বাচন ফেয়ার, অংশ না নিলেই নির্বাচনের বৈধ নয়, অংশগ্রহণমূলক নয়, এই কথা দিয়ে কী জাস্টিফাই করবে।
স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ব্যাপারে ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর রেওয়াজ আছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নির্বাচন করতে পারে। সেটা করবে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দলীয় নেতাদের ব্যাপারে এখনো সুনির্দিষ্ট কিছু বলা হয়নি। এটা আমাদের আরো কিছু বিষয় নিয়ে ভাবনা-চিন্তার ব্যাপার আছে। আমাদের শরিক কারা হবে, যদি আমরা শরিকদের নিয়ে নির্বাচন করি, অথবা অপজিশন কে হয়, সবকিছু বিবেচনা করে, আমাদের ভোটারের উপস্থিতি বিষয়টা মাথায় রেখে সিদ্ধান্ত হবে। গতকালকে ঘোষণার পরপরই সারা বাংলাদেশে উৎসব, মিছিল হচ্ছে, মনে হচ্ছে না সেখানে আওয়ামী লীগ আছে, বিরোধী দল নেই। পরিবেশটা একদম নির্বাচনের অনুকূলে। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে যে রূপ সেই রূপই দেখা যাচ্ছে।
ডামি প্রার্থী নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ‘কেস টু কেস’ হতে পারে বলে মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশ না নিলেও দলটির অনেক প্রার্থী স্বতন্ত্র হিসেব অংশ নিচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, নির্বাচনে ২৫ থেকে ৩০টি দল অংশ নিতে যাচ্ছে। বিএনপি অংশ না নিলেও দলটির অনেক প্রার্থী স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সব শেষ হওয়ার আগে এ প্রশ্নের ব্যাপারে কিছু না বলাই ভালো।
সোমবার দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলীয় মনোনয়নপত্র বিতরণকালে এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
বিরোধীরা সহিংসতা করছে দাবি করে ওবায়দুল কাদের বলেন, চোরাগুপ্তা হামলা করছে। সরকারি দল দেশের শান্তির জন্য নির্বাচনকে বেছে নিয়েছে। শান্তিপূর্ণ নির্বাচন দরকার, আমরা নির্বাচন চাই। আমরা কেন শান্তিপূর্ণ জায়গাটাকে ডিস্টার্ব করবো? কেন সহিংস পরিবেশ চাইব?
আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশে নির্বাচন হয়, একসঙ্গে সবার মনোনয়ন কে ঘোষণা করেছে? আপনারা প্রতিবেশী দেশগুলোর থেকে একটু জানুন। আমরা মাত্র দুইটা বাকি রেখেছি। সেটা আমাদের টেকনিক্যাল বিষয় থাকতে পারে। কৌশলগত বিষয় থাকতে পারে। সে কারণে আমরা দুইটা প্রকাশ করিনি। কৌশলগত দিক থেকে এখানে কোনো ত্রুটি হয়নি।
বর্তমান সংসদের ৭১ জনের এবার মনোনয়ন না পাওয়ার বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, সংখ্যাটা বড় কিংবা ছোট, সেটা আমাদের দলের মনোনয়ন বোর্ডের সিদ্ধান্ত। আমরা কাকে বাদ দেব, কাকে রাখব বোর্ডের সিদ্ধান্ত। আমাদের একটাই কথা, উইনেবল এবং ইলেক্টেবল যে প্রার্থী তাকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। সেই বিচারে যারা এসেছে, তারা মনোনয়ন পেয়েছে। যারা আসেনি, ধরে নিতে পারেন তারা পায়নি। আমাদের ক্যাটাগরির মধ্যে যারা পড়েনি, তাদের দেওয়া হয়নি।
আওয়ামী লীগের জোটগতভাবে নির্বাচনে অংশ নেয়ার প্রশ্নে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, কার সঙ্গে কী এডজাস্টমেন্ট হবে, কাকে কত সিট দেবে, আমরা কীভাবে জোট করব, জোটটা নির্বাচনের স্বার্থে কোন পথে সুবিধাজনক, অনেক কিছু আমাদের ভাবতে হবে। নির্বাচনে মনোনয়ন ফরম জমা এবং প্রত্যাহারেও সময় আছে।
নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হবে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, কেউ অংশ নিলে নির্বাচন ফেয়ার, অংশ না নিলেই নির্বাচনের বৈধ নয়, অংশগ্রহণমূলক নয়, এই কথা দিয়ে কী জাস্টিফাই করবে।
স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ব্যাপারে ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর রেওয়াজ আছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নির্বাচন করতে পারে। সেটা করবে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দলীয় নেতাদের ব্যাপারে এখনো সুনির্দিষ্ট কিছু বলা হয়নি। এটা আমাদের আরো কিছু বিষয় নিয়ে ভাবনা-চিন্তার ব্যাপার আছে। আমাদের শরিক কারা হবে, যদি আমরা শরিকদের নিয়ে নির্বাচন করি, অথবা অপজিশন কে হয়, সবকিছু বিবেচনা করে, আমাদের ভোটারের উপস্থিতি বিষয়টা মাথায় রেখে সিদ্ধান্ত হবে। গতকালকে ঘোষণার পরপরই সারা বাংলাদেশে উৎসব, মিছিল হচ্ছে, মনে হচ্ছে না সেখানে আওয়ামী লীগ আছে, বিরোধী দল নেই। পরিবেশটা একদম নির্বাচনের অনুকূলে। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে যে রূপ সেই রূপই দেখা যাচ্ছে।
ডামি প্রার্থী নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ‘কেস টু কেস’ হতে পারে বলে মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার পরিবারের সদস্যরা।
১৫ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের দেওয়া হয়েছে ১৭৯ আসন, এনসিপিকে আসন দেওয়া হয়েছে ৩০টি। গত কয়েকদিন ধরেই আলোচনায় থাকা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এই নির্বাচনি জোটে অংশগ্রহণ এখনো অনিশ্চিত রয়ে গেছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমানের নামে থাকা ৫০টির বেশি ভুয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আইডি ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মূল কোম্পানি মেটা অপসারণ করেছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিন।
১৫ ঘণ্টা আগে
এর আগে গত বছরের জুনে প্রধান উপদেষ্টা লন্ডন সফরে গেলে সেখানে তার সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক হয়। ওই বৈঠকের পরই ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের বিষয়টি চূড়ান্ত হয়। এর আগ পর্যন্ত বিএনপি গত বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের দাবি জানিয়ে আসছিল।
১৭ ঘণ্টা আগে