
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপিকে এ দেশের রাজনীতিতে বিষফোড়া উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি স্বাধীনতার শত্রু, গণতন্ত্রের শত্রু। এদের প্রতিহত করার একটা সুযোগ এসেছে। ৭ জানুয়ারি নৌকায় ভোট দিয়ে এ দেশের রাজনীতি থেকে তাদের মুছে ফেলতে হবে।
আজ শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে নিজের নির্বাচনী এলাকা নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বামনী বাজারে গণসংযোগকালে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।
আগামী ৭ জানুয়ারি নৌকায় ভোট চেয়ে কাদের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ‘শুধু নিজেরা ভোট দিলে হবে না, বাড়িতে থাকা মা-বোনদের কেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে ভোট দিতে হবে। শুধু এ অনুরোধ করতেই আমি এখানে এসেছি।’ এ সময় লোকজন নৌকা-নৌকা বলে স্লোগান দিতে থাকেন।
এর আগে ওবায়দুল কাদের সকাল থেকে কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট, শান্তিরহাট, রংমালা বাজার, বাংলাবাজার এবং পরে পেশকারহাট, নতুন বাজার ও টেকেরবাজারসহ আশপাশের এলাকায় গণসংযোগ করেন।
মন্ত্রী দুপুরে কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বড় রাজাপুর গ্রামের নিজ বাড়িতে মধ্যাহ্ন ভোজ শেষে বিকেলে নির্বাচনী এলাকার আরেক উপজেলা কবিরহাটে পথসভায় বক্তব্য দেবেন। কবিরহাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র জহিরুল হক রায়হান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
আজ নির্বাচনী প্রচারের সময় কাদেরের সঙ্গে ছিলেন সংসদ সদস্য নিজাম হাজারী, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল কাদের মির্জা, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান বাদলসহ আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতারা।
নোয়াখালী-৫ আসনে ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য ব্যারিস্টার তানভীর আহমেদ (লাঙল), জাসদের মকছুদের রহমান মানিক (মশাল), ইসলামী ফ্রন্টের মোহাম্মদ শামছুদ্দোহা (চেয়ার) ও সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের শাকিল মাহমুদ চৌধুরী (ছড়ি) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
ওবায়দুল কাদের নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ-কবিরহাট) আসনে টানা চতুর্থবারের মতো আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী। তিনি ১৯৯৬ সালে এ আসন থেকে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে ২০০৮ সাল থেকে টানা তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

বিএনপিকে এ দেশের রাজনীতিতে বিষফোড়া উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি স্বাধীনতার শত্রু, গণতন্ত্রের শত্রু। এদের প্রতিহত করার একটা সুযোগ এসেছে। ৭ জানুয়ারি নৌকায় ভোট দিয়ে এ দেশের রাজনীতি থেকে তাদের মুছে ফেলতে হবে।
আজ শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) সকালে নিজের নির্বাচনী এলাকা নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বামনী বাজারে গণসংযোগকালে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।
আগামী ৭ জানুয়ারি নৌকায় ভোট চেয়ে কাদের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ‘শুধু নিজেরা ভোট দিলে হবে না, বাড়িতে থাকা মা-বোনদের কেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে ভোট দিতে হবে। শুধু এ অনুরোধ করতেই আমি এখানে এসেছি।’ এ সময় লোকজন নৌকা-নৌকা বলে স্লোগান দিতে থাকেন।
এর আগে ওবায়দুল কাদের সকাল থেকে কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট, শান্তিরহাট, রংমালা বাজার, বাংলাবাজার এবং পরে পেশকারহাট, নতুন বাজার ও টেকেরবাজারসহ আশপাশের এলাকায় গণসংযোগ করেন।
মন্ত্রী দুপুরে কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বড় রাজাপুর গ্রামের নিজ বাড়িতে মধ্যাহ্ন ভোজ শেষে বিকেলে নির্বাচনী এলাকার আরেক উপজেলা কবিরহাটে পথসভায় বক্তব্য দেবেন। কবিরহাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র জহিরুল হক রায়হান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
আজ নির্বাচনী প্রচারের সময় কাদেরের সঙ্গে ছিলেন সংসদ সদস্য নিজাম হাজারী, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল কাদের মির্জা, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান বাদলসহ আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতারা।
নোয়াখালী-৫ আসনে ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য ব্যারিস্টার তানভীর আহমেদ (লাঙল), জাসদের মকছুদের রহমান মানিক (মশাল), ইসলামী ফ্রন্টের মোহাম্মদ শামছুদ্দোহা (চেয়ার) ও সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের শাকিল মাহমুদ চৌধুরী (ছড়ি) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
ওবায়দুল কাদের নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ-কবিরহাট) আসনে টানা চতুর্থবারের মতো আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী। তিনি ১৯৯৬ সালে এ আসন থেকে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে ২০০৮ সাল থেকে টানা তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের দেওয়া হয়েছে ১৭৯ আসন, এনসিপিকে আসন দেওয়া হয়েছে ৩০টি। গত কয়েকদিন ধরেই আলোচনায় থাকা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এই নির্বাচনি জোটে অংশগ্রহণ এখনো অনিশ্চিত রয়ে গেছে।
১১ ঘণ্টা আগে
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমানের নামে থাকা ৫০টির বেশি ভুয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আইডি ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মূল কোম্পানি মেটা অপসারণ করেছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিন।
১১ ঘণ্টা আগে
এর আগে গত বছরের জুনে প্রধান উপদেষ্টা লন্ডন সফরে গেলে সেখানে তার সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক হয়। ওই বৈঠকের পরই ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের বিষয়টি চূড়ান্ত হয়। এর আগ পর্যন্ত বিএনপি গত বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের দাবি জানিয়ে আসছিল।
১২ ঘণ্টা আগে
মামুনুল হক বলেন, ১০টি দলের উপস্থিতিতে বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে। ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গেও কথা হয়েছে। রাতের সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে। আমাদের প্রত্যাশা একসঙ্গেই এগিয়ে যেতে পারবো। ইসলামী আন্দোলনকে সঙ্গে নিয়েই আসন ঘোষণা করতে পারবো এই আশা করছি।
১৬ ঘণ্টা আগে