
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও ঢাকা-১৩ আসনে নৌকার প্রার্থী জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, নির্বাচন যারা প্রতিহত করছে, তারা আসলে অদৃশ্যমান। জনগণ নির্বাচনমুখী হয়ে গিয়েছে।
এই কারণেই তারা উন্মাদ হয়ে গেছে। তারা যে কোনো কিছুই করুক না কেন জনগণ নির্বাচনের দিকে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। তারা চোরাগোপ্তা হামলা করে নির্বাচন বন্ধ করতে পারবে না। জনগণ শেখ হাসিনার পক্ষে রায় দেওয়ার জন্য উন্মুখ হয়ে আছে।
শুক্রবার সংসদীয় আসনের অন্তর্গত ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী প্রচারে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় তিনি এই ওয়ার্ডের শিয়া মসজিদ রোড, মোহাম্মদীয়া হাউজিং লিমিটেড, মোহাম্মদীয়া হাউজিং সোসাইটি এলাকা, কাটাশুর, কাদেরিয়া হাউজিং এলাকায় বিভিন্ন সড়কে গণসংযোগ করেন।
নৌকা মার্কায় ভোট চেয়ে জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, আগামী ৭ জানুয়ারি যে ভোট, এই ভোটের দিন এই এলাকার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট কেন্দ্রে যাবে এবং ভোট দেবে। আমি সবাইকে অনুরোধ করবো, আবেদন জানাবো, সবাইকে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ-সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে নির্বাচন করার জন্য। যদি কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে তাহলে প্রচলিত আইনে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে, একইভাবে সাংগঠনিকভাবেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, জনগণ অতীতের মতো এবার নৌকায় ভোট দিয়ে আমাকে বিজয়ী করবে এই বিশ্বাস আমার আছে।
এ সময় তার কর্মীরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে নৌকার পক্ষে উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেন। রাস্তার দুই পাশের বাসাবাড়ির মানুষকে সালাম জানিয়ে ভোট প্রার্থনা করেন তিনি।
এ নির্বাচনী প্রচারে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক রানা, ৩৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আসিফ আহমেদসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও ঢাকা-১৩ আসনে নৌকার প্রার্থী জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, নির্বাচন যারা প্রতিহত করছে, তারা আসলে অদৃশ্যমান। জনগণ নির্বাচনমুখী হয়ে গিয়েছে।
এই কারণেই তারা উন্মাদ হয়ে গেছে। তারা যে কোনো কিছুই করুক না কেন জনগণ নির্বাচনের দিকে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। তারা চোরাগোপ্তা হামলা করে নির্বাচন বন্ধ করতে পারবে না। জনগণ শেখ হাসিনার পক্ষে রায় দেওয়ার জন্য উন্মুখ হয়ে আছে।
শুক্রবার সংসদীয় আসনের অন্তর্গত ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী প্রচারে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় তিনি এই ওয়ার্ডের শিয়া মসজিদ রোড, মোহাম্মদীয়া হাউজিং লিমিটেড, মোহাম্মদীয়া হাউজিং সোসাইটি এলাকা, কাটাশুর, কাদেরিয়া হাউজিং এলাকায় বিভিন্ন সড়কে গণসংযোগ করেন।
নৌকা মার্কায় ভোট চেয়ে জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, আগামী ৭ জানুয়ারি যে ভোট, এই ভোটের দিন এই এলাকার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট কেন্দ্রে যাবে এবং ভোট দেবে। আমি সবাইকে অনুরোধ করবো, আবেদন জানাবো, সবাইকে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ-সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে নির্বাচন করার জন্য। যদি কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে তাহলে প্রচলিত আইনে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে, একইভাবে সাংগঠনিকভাবেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, জনগণ অতীতের মতো এবার নৌকায় ভোট দিয়ে আমাকে বিজয়ী করবে এই বিশ্বাস আমার আছে।
এ সময় তার কর্মীরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে নৌকার পক্ষে উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেন। রাস্তার দুই পাশের বাসাবাড়ির মানুষকে সালাম জানিয়ে ভোট প্রার্থনা করেন তিনি।
এ নির্বাচনী প্রচারে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক রানা, ৩৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আসিফ আহমেদসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

বিপুল সংখ্যক প্রার্থীর উপস্থিতিতে মনোনয়ন বাছাই যেমন জটিল হয়ে উঠেছে, তেমনি দীর্ঘদিনের ত্যাগ ও সাংগঠনিক ভূমিকার স্বীকৃতি নিয়ে ভেতরে ভেতরে আলোচনা-প্রত্যাশাও বাড়ছে। ফলে আসন্ন নির্বাচন শুধু আসন বণ্টনের বিষয় নয়, বরং দলগুলোর অভ্যন্তরীণ ভারসাম্য ও রাজনৈতিক মূল্যায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষায় পরিণত হয়েছে।
১ দিন আগে
বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ বলেন, ‘বিগত সময়ে পহেলা বৈশাখসহ অনেকগুলো উৎসবকে দলীয়করণ করা হয়েছিল। এখন সেই উৎসবগুলোকেও নাগরিক উৎসব হিসেবে উদ্যাপনের চেষ্টা করছি আমরা। একইসঙ্গে আমাদের সংস্কার এবং সাংস্কৃতিক মুক্তির লড়াই চলমান থাকবে।’
২ দিন আগে
পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্মরণ করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দলের চেয়ারপারসন প্রয়াত খালেদা জিয়াকে।
২ দিন আগে
তিনি আরো বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসের মাধ্যমে প্রিয় দেশ ও জাতিকে ফ্যাসিবাদমুক্ত করার আপসহীন লড়াই চালিয়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে জনগণের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তিত বাংলাদেশ গড়ে তোলাই হোক আমাদের অঙ্গীকার। আসুন সবার জন্য ন্যায়বিচার, অর্থনৈতিক মুক্তি ও মানবিক সমাজ গড়ার লক্ষ্যে একধাপ এগিয়ে যাই।’
৩ দিন আগে