
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা পদে নিয়োগ পেয়েছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী। বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা কবি হিসেবেই বেশ জনপ্রিয়। ১৯৮২ সালের নিয়মিত বিসিএস ব্যাচের এই কর্মকর্তা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৫৭ সালের ২৮ জানুয়ারি কামাল চৌধুরীর জন্ম কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বিজয় করা গ্রামে। বাবা আহমদ হোসেন চৌধুরী ও মা বেগম তাহেরা হোসেনের ছয় সন্তানের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়। ১৯৭৩ সালে নারায়ণগঞ্জের গোদনাইল হাইস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং ১৯৭৫ সালে ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন তিনি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় কবিতার প্রতি অনুরাগী হয়ে ওঠেন কামাল চৌধুরী। রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, তসলিমা নাসরিনসহ সমসাময়িক কবিদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন সমাজবিজ্ঞানে। সরকারি চাকরির অবসরের ফাঁকে নৃবিজ্ঞানে পিএইচডি করেন। পিএইচডি গবেষণা করেছেন গারো জনগোষ্ঠীর মাতৃসূত্রীয় আবাসপ্রথা নিয়ে।
পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর অনেক প্রতিষ্ঠিত কবিও এর প্রতিবাদ করে কবিতা লেখার সাহস পাননি। কিন্তু সব ভয়ভীতি উপক্ষো করে এই নারকীয় হত্যার প্রতিবাদ করে সেই সময় প্রথম কবিতা লেখেন কামাল চৌধুরী। ১৯৮১ সালের বাংলা একাডেমি বইমেলা উপলক্ষে ৪৮টি কবিতা নিয়ে প্রকাশিত হয় কামাল চৌধুরীর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘মিছিলের সমান বয়সী’।
১৯৯১ সালে প্রকাশিত হয় কামাল চৌধুরীর দ্বিতীয় কবিতা সংকলন ‘টানাপোড়েনের দিন’। অতঃপর একে একে আরও আটটি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়। সেগুলো হলো ‘এই পথ এই কোলাহল’,‘ এসেছি নিজের ভোরে’, ‘এই মেঘ বিদ্যুতে ভরা’, ‘ধূলি ও সাগর দৃশ্য ২’, ‘রোদ বৃষ্টি অন্ত্যমিল’, ‘হে মাটি পৃথিবীপুত্র’, ‘প্রেমের কবিতা’ এবং ‘পান্থশালার ঘোড়া’। ১৯৯৫ সালে তিনি প্রকাশ করেছেন একটি বাছাই সংকলন ‘নির্বাচিত কবিতা’।
এই ধারাবাহিকতায় ২০১১ সালে প্রকাশ করেছেন ‘কবিতা সংকলন’। ১১টি গ্রন্থ থেকে ৩০৯টি কবিতা এ গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে। এ ছাড়া কামাল চৌধুরী ২০০৭ সালে প্রকাশ করেন কিশোর কবিতা সংকলন ‘আপন মনের পাঠশালাতে’। ১৯৯৫ সালে আলী রীয়াজের সঙ্গে যৌথভাবে সম্পাদনা করেছেন সত্তরের দশকের কবিদের কবিতা।
কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ২০০০ সালে পেয়েছেন রুদ্র পুরস্কার, ২০০৩ সালে পেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের সৌহার্দ্য সম্মাননা, ২০০৪ সালে কবিতালাপ সাহিত্য পুরস্কার, ২০০৮ সালে পেয়েছেন জীবনানন্দ পুরস্কার, ২০১০ সালে সিটি আনন্দ আলো সাহিত্য পুরস্কার, ২০১০ সালে পান দরিয়ানগর কবিতা সম্মাননা এবং ২০১২ সালে কবি কামাল চৌধুরী লাভ করেন বাংলা একাডেমি পুরস্কার।
নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের পর এবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছয়জন উপদেষ্টা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে পাঁচজন উপদেষ্টা আগেও ছিলেন। এবার নতুন করে উপদেষ্টা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক মুখ্য সচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা পদে নিয়োগ পেয়েছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী। বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা কবি হিসেবেই বেশ জনপ্রিয়। ১৯৮২ সালের নিয়মিত বিসিএস ব্যাচের এই কর্মকর্তা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৫৭ সালের ২৮ জানুয়ারি কামাল চৌধুরীর জন্ম কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বিজয় করা গ্রামে। বাবা আহমদ হোসেন চৌধুরী ও মা বেগম তাহেরা হোসেনের ছয় সন্তানের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়। ১৯৭৩ সালে নারায়ণগঞ্জের গোদনাইল হাইস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং ১৯৭৫ সালে ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন তিনি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় কবিতার প্রতি অনুরাগী হয়ে ওঠেন কামাল চৌধুরী। রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, তসলিমা নাসরিনসহ সমসাময়িক কবিদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন সমাজবিজ্ঞানে। সরকারি চাকরির অবসরের ফাঁকে নৃবিজ্ঞানে পিএইচডি করেন। পিএইচডি গবেষণা করেছেন গারো জনগোষ্ঠীর মাতৃসূত্রীয় আবাসপ্রথা নিয়ে।
পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর অনেক প্রতিষ্ঠিত কবিও এর প্রতিবাদ করে কবিতা লেখার সাহস পাননি। কিন্তু সব ভয়ভীতি উপক্ষো করে এই নারকীয় হত্যার প্রতিবাদ করে সেই সময় প্রথম কবিতা লেখেন কামাল চৌধুরী। ১৯৮১ সালের বাংলা একাডেমি বইমেলা উপলক্ষে ৪৮টি কবিতা নিয়ে প্রকাশিত হয় কামাল চৌধুরীর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘মিছিলের সমান বয়সী’।
১৯৯১ সালে প্রকাশিত হয় কামাল চৌধুরীর দ্বিতীয় কবিতা সংকলন ‘টানাপোড়েনের দিন’। অতঃপর একে একে আরও আটটি কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়। সেগুলো হলো ‘এই পথ এই কোলাহল’,‘ এসেছি নিজের ভোরে’, ‘এই মেঘ বিদ্যুতে ভরা’, ‘ধূলি ও সাগর দৃশ্য ২’, ‘রোদ বৃষ্টি অন্ত্যমিল’, ‘হে মাটি পৃথিবীপুত্র’, ‘প্রেমের কবিতা’ এবং ‘পান্থশালার ঘোড়া’। ১৯৯৫ সালে তিনি প্রকাশ করেছেন একটি বাছাই সংকলন ‘নির্বাচিত কবিতা’।
এই ধারাবাহিকতায় ২০১১ সালে প্রকাশ করেছেন ‘কবিতা সংকলন’। ১১টি গ্রন্থ থেকে ৩০৯টি কবিতা এ গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে। এ ছাড়া কামাল চৌধুরী ২০০৭ সালে প্রকাশ করেন কিশোর কবিতা সংকলন ‘আপন মনের পাঠশালাতে’। ১৯৯৫ সালে আলী রীয়াজের সঙ্গে যৌথভাবে সম্পাদনা করেছেন সত্তরের দশকের কবিদের কবিতা।
কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ২০০০ সালে পেয়েছেন রুদ্র পুরস্কার, ২০০৩ সালে পেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের সৌহার্দ্য সম্মাননা, ২০০৪ সালে কবিতালাপ সাহিত্য পুরস্কার, ২০০৮ সালে পেয়েছেন জীবনানন্দ পুরস্কার, ২০১০ সালে সিটি আনন্দ আলো সাহিত্য পুরস্কার, ২০১০ সালে পান দরিয়ানগর কবিতা সম্মাননা এবং ২০১২ সালে কবি কামাল চৌধুরী লাভ করেন বাংলা একাডেমি পুরস্কার।
নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের পর এবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছয়জন উপদেষ্টা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে পাঁচজন উপদেষ্টা আগেও ছিলেন। এবার নতুন করে উপদেষ্টা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক মুখ্য সচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী।

জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীদের দেওয়া হয়েছে ১৭৯ আসন, এনসিপিকে আসন দেওয়া হয়েছে ৩০টি। গত কয়েকদিন ধরেই আলোচনায় থাকা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এই নির্বাচনি জোটে অংশগ্রহণ এখনো অনিশ্চিত রয়ে গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমানের নামে থাকা ৫০টির বেশি ভুয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আইডি ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মূল কোম্পানি মেটা অপসারণ করেছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিন।
৩ ঘণ্টা আগে
এর আগে গত বছরের জুনে প্রধান উপদেষ্টা লন্ডন সফরে গেলে সেখানে তার সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক হয়। ওই বৈঠকের পরই ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের বিষয়টি চূড়ান্ত হয়। এর আগ পর্যন্ত বিএনপি গত বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের দাবি জানিয়ে আসছিল।
৪ ঘণ্টা আগে
মামুনুল হক বলেন, ১০টি দলের উপস্থিতিতে বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে। ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গেও কথা হয়েছে। রাতের সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে। আমাদের প্রত্যাশা একসঙ্গেই এগিয়ে যেতে পারবো। ইসলামী আন্দোলনকে সঙ্গে নিয়েই আসন ঘোষণা করতে পারবো এই আশা করছি।
৭ ঘণ্টা আগে