
নিজস্ব প্রতিবেদক

সাবেক রাষ্ট্রপতি ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী আজ শনিবার রাত সাড়ে ৩টায় রাজধানীর উত্তরা মহিলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। তাঁর ছেলে মাহি বি চৌধুরী এই খবর নিশ্চিত করেছেন। তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
রাষ্ট্রপতির কার্যালয় থেকে পাঠানো এক শোকবার্তায় বলা হয়েছে, সাবেক রাষ্ট্রপতি বদরুদ্দোজা চৌধুরীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শোক বার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বদরুদ্দোজা চৌধুরীর মৃত্যুতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে যে ক্ষতি হলো তা অপূরণীয়।’ তিনি মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
এ ছাড়া, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে পাঠানো শোক বার্তায় বলা হয়েছে, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস আজ শনিবার সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বাংলাদেশের প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও সংসদ সদস্য একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন।
গত বুধবার সকালে ফুসফুসে সংক্রমণ ধরা পড়ায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। উত্তরা মহিলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের হেড অব কার্ডিওলজিস্ট অপর্ণা রহমান, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ মারুফ বিন হাবিব ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. শায়লা চৌধুরীর তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন ছিলেন বদরুদ্দোজা চৌধুরী।
৯৫ বছর বয়সী সাবেক এই রাষ্ট্রপতি বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন। তিনি আগেও একাধিকবার এ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।
অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরী ১৯৭৮ সালে বিএনপিতে যোগ দিয়ে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। তিনি দলটির প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব ছিলেন। জিয়াউর রহমান সরকারে উপ-প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তিনি। ২০০১ সালের ১৪ নভেম্বর বিএনপির মনোনয়নে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী।
রাজনৈতিক কারণে ২০০২ সালের ২১ জুন রাষ্ট্রপতির পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি। পরে তিনি ২০০৪ সালের ৮ মে বিকল্পধারা বাংলাদেশ নামে একটি রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে দলটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি।

সাবেক রাষ্ট্রপতি ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী আজ শনিবার রাত সাড়ে ৩টায় রাজধানীর উত্তরা মহিলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। তাঁর ছেলে মাহি বি চৌধুরী এই খবর নিশ্চিত করেছেন। তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
রাষ্ট্রপতির কার্যালয় থেকে পাঠানো এক শোকবার্তায় বলা হয়েছে, সাবেক রাষ্ট্রপতি বদরুদ্দোজা চৌধুরীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শোক বার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বদরুদ্দোজা চৌধুরীর মৃত্যুতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে যে ক্ষতি হলো তা অপূরণীয়।’ তিনি মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
এ ছাড়া, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে পাঠানো শোক বার্তায় বলা হয়েছে, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস আজ শনিবার সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বাংলাদেশের প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও সংসদ সদস্য একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন।
গত বুধবার সকালে ফুসফুসে সংক্রমণ ধরা পড়ায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। উত্তরা মহিলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের হেড অব কার্ডিওলজিস্ট অপর্ণা রহমান, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ মারুফ বিন হাবিব ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. শায়লা চৌধুরীর তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন ছিলেন বদরুদ্দোজা চৌধুরী।
৯৫ বছর বয়সী সাবেক এই রাষ্ট্রপতি বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন। তিনি আগেও একাধিকবার এ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।
অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরী ১৯৭৮ সালে বিএনপিতে যোগ দিয়ে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। তিনি দলটির প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব ছিলেন। জিয়াউর রহমান সরকারে উপ-প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তিনি। ২০০১ সালের ১৪ নভেম্বর বিএনপির মনোনয়নে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী।
রাজনৈতিক কারণে ২০০২ সালের ২১ জুন রাষ্ট্রপতির পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি। পরে তিনি ২০০৪ সালের ৮ মে বিকল্পধারা বাংলাদেশ নামে একটি রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে দলটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি।

রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৩ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৪ দিন আগে
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
৪ দিন আগে
বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে শিষ্টাচারবহির্ভূত মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, "রাজনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনকারীদের আমরা স্পষ্ট ভাষায় হুঁশিয়ার করে দিতে চাই—যুবদল রাজপথের সংগঠন। রাজপথে থেকেই আমরা অতীতে সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেছি, এবারও এসব অপপ্রচারের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।"
৪ দিন আগে