
কূটনৈতিক প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশের নির্বাচন, সার্বিক আইনশৃঙ্খলা ও সংখ্যালঘুসহ বিভিন্ন ইস্যুতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের করা মন্তব্যকে ‘অযাচিত ও বিভ্রান্তিকর’ অভিহিত করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এসব মন্তব্যকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ইস্যুতে হস্তক্ষেপের শামিল বলে বর্ণনা করে এ ধরনের মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকতেও আহ্বান জানিয়েছে নয়া দিল্লিকে।
বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রফিকুল আলম বাংলাদেশের এ অবস্থান তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ আশা করছে, ভারত সরকার এ ধরনের মন্তব্যের পুনরাবৃত্তি রোধে পদক্ষেপ নেবে।
রফিকুল আলম বলেন, গত ৭ মার্চ ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের মন্তব্যের বিষয়টি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। বাংলাদেশের নির্বাচন, সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সংখ্যালঘু সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে মন্তব্য করা হয়েছে। বাংলাদেশ মনে করে, এ বিষয়গুলো একান্তই বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এ ধরনের মন্তব্য অযাচিত ও অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ ইস্যুতে হস্তক্ষেপের শামিল। এ ধরনের মন্তব্য বিভ্রান্তিকর ও বাস্তবতার ভুল প্রতিফলন।

বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সাপ্তাহিক ব্রিফ করেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রফিকুল আলম। ছবি: মন্ত্রণালয়
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই মুখপাত্র আরও বলেন, বাংলাদেশ সব দেশের সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক অখণ্ডতা ও অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতিতে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বিশ্বাস ও বোঝাপড়ার ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ ও গঠনমূলক সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা আশা করি, ভারত সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ ধরনের মন্তব্যের পুনরাবৃত্তি রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।
গত শুক্রবার দিল্লিতে এক ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশের নির্বাচন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সংখ্যালঘুদের নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য করেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রাণধীর জয়সওয়াল। তিনি বলেন, ভারত একটি স্থিতিশীল, শান্তিপূর্ণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও প্রগতিশীল বাংলাদেশকে সমর্থন করবে, যেখানে অন্তর্ভুক্তি ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক উপায়ে সব সমস্যার সমাধান হবে।
বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করেন জয়সওয়াল। পাশাপাশি বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নিপীড়নের অভিযোগের প্রসঙ্গও ওঠে ওই ব্রিফিংয়ে। জয়সওয়াল বলেন, কোনো পার্থক্য তৈরি না করে সহিংসতা, হত্যা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকার অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনবে বলে তারা প্রত্যাশা করেন।

বাংলাদেশের নির্বাচন, সার্বিক আইনশৃঙ্খলা ও সংখ্যালঘুসহ বিভিন্ন ইস্যুতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের করা মন্তব্যকে ‘অযাচিত ও বিভ্রান্তিকর’ অভিহিত করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এসব মন্তব্যকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ইস্যুতে হস্তক্ষেপের শামিল বলে বর্ণনা করে এ ধরনের মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকতেও আহ্বান জানিয়েছে নয়া দিল্লিকে।
বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রফিকুল আলম বাংলাদেশের এ অবস্থান তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ আশা করছে, ভারত সরকার এ ধরনের মন্তব্যের পুনরাবৃত্তি রোধে পদক্ষেপ নেবে।
রফিকুল আলম বলেন, গত ৭ মার্চ ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের মন্তব্যের বিষয়টি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। বাংলাদেশের নির্বাচন, সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সংখ্যালঘু সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে মন্তব্য করা হয়েছে। বাংলাদেশ মনে করে, এ বিষয়গুলো একান্তই বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এ ধরনের মন্তব্য অযাচিত ও অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ ইস্যুতে হস্তক্ষেপের শামিল। এ ধরনের মন্তব্য বিভ্রান্তিকর ও বাস্তবতার ভুল প্রতিফলন।

বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সাপ্তাহিক ব্রিফ করেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রফিকুল আলম। ছবি: মন্ত্রণালয়
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই মুখপাত্র আরও বলেন, বাংলাদেশ সব দেশের সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক অখণ্ডতা ও অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতিতে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বিশ্বাস ও বোঝাপড়ার ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ ও গঠনমূলক সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা আশা করি, ভারত সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ ধরনের মন্তব্যের পুনরাবৃত্তি রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।
গত শুক্রবার দিল্লিতে এক ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশের নির্বাচন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সংখ্যালঘুদের নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য করেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রাণধীর জয়সওয়াল। তিনি বলেন, ভারত একটি স্থিতিশীল, শান্তিপূর্ণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও প্রগতিশীল বাংলাদেশকে সমর্থন করবে, যেখানে অন্তর্ভুক্তি ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক উপায়ে সব সমস্যার সমাধান হবে।
বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করেন জয়সওয়াল। পাশাপাশি বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নিপীড়নের অভিযোগের প্রসঙ্গও ওঠে ওই ব্রিফিংয়ে। জয়সওয়াল বলেন, কোনো পার্থক্য তৈরি না করে সহিংসতা, হত্যা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকার অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনবে বলে তারা প্রত্যাশা করেন।

রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
১ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
১ দিন আগে
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
১ দিন আগে
বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে শিষ্টাচারবহির্ভূত মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, "রাজনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনকারীদের আমরা স্পষ্ট ভাষায় হুঁশিয়ার করে দিতে চাই—যুবদল রাজপথের সংগঠন। রাজপথে থেকেই আমরা অতীতে সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেছি, এবারও এসব অপপ্রচারের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।"
১ দিন আগে