ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটার এর মধ্যে বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ঘণ্টায় ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়ের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে।
বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড় ‘ডানা’য় পরিণত হয়েছে। এটি বর্তমানে কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৬২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। এই অবস্থায় দেশের ৪ সমুদ্রবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত নামিয়ে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দ
দেশের ছয় অঞ্চলে সন্ধ্যার মধ্যে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ জন্য এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। বুধবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এমনটি জানানো হয়েছে।
চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলায় স্থানীয় লোকজনের হাতে ধরা পড়েছে বিরল প্রজাতির ৩টি প্রাণী। মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টায় সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের মোস্তফাপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।
ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘ডানা’। পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও অগ্রসর ও ঘণীভূত হয়ে আজ বুধবার (২৩ অক্টোবর) ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে এর নাম হবে ‘ড
উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) ভোর ৬টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যাবেক্ষণাগার কার্যালয়। এর আগে সোমবার দেশের সর্বনিম্ন ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড হয়েছিল।
সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। যেন স্বল্প সময়ের নোটিশে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে পারে।
অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক বলেন, ‘সাগরে একটি লঘুচাপ হয়েছে। মঙ্গল বা বুধবারের মধ্যে মধ্যে এটি নিম্নচাপ এবং বুধ বা বৃহস্পতিবারের মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। ২৫ অক্টোবরের (শুক্রবার) মধ্যে এটি স্থলভাগ অতিক্রম করতে পারে। সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টির গতিপথ এখন পর্যন্ত আমরা ভারতের ওড়িষা ও পশ্চিমবঙ্গের
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক বলেন, এখন পর্যন্ত যেটা দেখতে পাচ্ছি, ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের ওড়িশা বা পশ্চিমবঙ্গের দিকে আঘাত হানতে পারে। তবে গতিপথ পরিবর্তন করে বাংলাদেশেও আঘাত হানার শঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। গতি-প্রকৃতি দেখে কখন কোথায় আঘাত হানতে পারে, সে পূর্বাভাস দেবে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
দেশের ছয় অঞ্চলের ওপর দিয়ে দুপুরের মধ্যে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিমি বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের নদীবন্দরের জন্য দেয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ‘হাতি সংরক্ষণ প্রকল্পবিষয়ক সভায়’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন তিনি। সভায় তিনি হাতি সংরক্ষণ এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
শুক্রবার সকাল থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত ঢাকা, খুলনা ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দুই-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বর্তমানে দেশে প্রায় ৪ কোটি টন খাদ্যশস্য উৎপাদিত হচ্ছে উল্লেখ করে কৃষি উপদেষ্টা বলেন, দেশ এখন দানা জাতীয় খাদ্যশস্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ। পর্যাপ্ত পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার বিশেষ করে ফল, সবজি, ডাল, তেল, মাছ, মাংস, দুধ ও ডিম উৎপাদনেও আমাদের সক্ষমতা কয়েকগুণ বেড়েছে।
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি নিম্নচাপে পরিণত হওয়ায় দেশের সুমদ্রবন্দরগুলোকে এক নম্বর দূরবর্তী সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
ঢাকাসহ দেশের সাত অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এছাড়া দেশের সব বিভাগেই বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। সেইসঙ্গে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শনিবার (১২ অক্টোবর) ভোরে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আরেক পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মৌসুমি বায়ুর অক্ষ বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর কম সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে দুর্বল থেকে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।