
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা শেষে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হলেও তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে পরাজয় স্বীকার করেননি। বরং তিনি অভিযোগ করেছেন, নির্বাচন কমিশনের সহায়তায় বিজেপি অন্তত একশোটি আসন তাদের কাছ থেকে ‘লুট করে নিয়েছে’।
এদিকে রাজ্য জুড়ে গেরুয়া ঝড়ের প্রভাব পড়েছে টলিউডের একাধিক তারকা প্রার্থীর ওপরও। সোমবার (৪ মে) ঘোষিত ফলাফলে দেখা গেছে, কিছু হেভিওয়েট প্রার্থী বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন, আবার অনেকে পরাজয়ের মুখোমুখি হয়েছেন।
হাওড়ার শিবপুর কেন্দ্র থেকে বিজেপি প্রার্থী রুদ্রনীল ঘোষ উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। তিনি তৃণমূল প্রার্থী রানা চট্টোপাধ্যায়কে প্রায় ১৬ হাজার ভোটে পরাজিত করেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রায় একসময় বাম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও পরে তৃণমূল ঘনিষ্ঠ হয়ে অবশেষে বিজেপিতে যোগ দেন তিনি।
তৃণমূল কংগ্রেসের তারকা প্রার্থী সোহম চক্রবর্তী ও সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ও হেরেছেন। নদীয়ার করিমপুর কেন্দ্রে শুরুতে এগিয়ে থাকলেও শেষ মুহূর্তে ব্যবধান উলটে গিয়ে সোহম চক্রবর্তী বিজেপি প্রার্থীর কাছে প্রায় ১০ হাজার ভোটে পরাজিত হন।
বরানগর কেন্দ্রেও তৃণমূল প্রার্থী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় বড় ব্যবধানে বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষের কাছে পরাজিত হন। উপনির্বাচনে জয়ের পর এটি তার রাজনৈতিক জীবনে একটি বড় ধাক্কা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
হাওড়ার শ্যামপুর কেন্দ্র থেকে অভিনেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায় তৃণমূল প্রার্থীকে ২২ হাজারেরও বেশি ভোটে পরাজিত করেছেন। ব্যারাকপুর কেন্দ্রে চলচ্চিত্র নির্মাতা রাজ চক্রবর্তী বিজেপি প্রার্থী কৌস্তুভ বাগচীর কাছে ১৫ হাজারেরও বেশি ভোটে পরাজিত হন।
সব মিলিয়ে এবারের নির্বাচনে তারকা প্রার্থীদের লড়াই পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। একদিকে নতুন মুখের উত্থান ঘটেছে, অন্যদিকে একাধিক পরিচিত মুখকে পরাজয়ের মুখোমুখি হতে হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা শেষে চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হলেও তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে পরাজয় স্বীকার করেননি। বরং তিনি অভিযোগ করেছেন, নির্বাচন কমিশনের সহায়তায় বিজেপি অন্তত একশোটি আসন তাদের কাছ থেকে ‘লুট করে নিয়েছে’।
এদিকে রাজ্য জুড়ে গেরুয়া ঝড়ের প্রভাব পড়েছে টলিউডের একাধিক তারকা প্রার্থীর ওপরও। সোমবার (৪ মে) ঘোষিত ফলাফলে দেখা গেছে, কিছু হেভিওয়েট প্রার্থী বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন, আবার অনেকে পরাজয়ের মুখোমুখি হয়েছেন।
হাওড়ার শিবপুর কেন্দ্র থেকে বিজেপি প্রার্থী রুদ্রনীল ঘোষ উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। তিনি তৃণমূল প্রার্থী রানা চট্টোপাধ্যায়কে প্রায় ১৬ হাজার ভোটে পরাজিত করেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রায় একসময় বাম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও পরে তৃণমূল ঘনিষ্ঠ হয়ে অবশেষে বিজেপিতে যোগ দেন তিনি।
তৃণমূল কংগ্রেসের তারকা প্রার্থী সোহম চক্রবর্তী ও সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ও হেরেছেন। নদীয়ার করিমপুর কেন্দ্রে শুরুতে এগিয়ে থাকলেও শেষ মুহূর্তে ব্যবধান উলটে গিয়ে সোহম চক্রবর্তী বিজেপি প্রার্থীর কাছে প্রায় ১০ হাজার ভোটে পরাজিত হন।
বরানগর কেন্দ্রেও তৃণমূল প্রার্থী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় বড় ব্যবধানে বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষের কাছে পরাজিত হন। উপনির্বাচনে জয়ের পর এটি তার রাজনৈতিক জীবনে একটি বড় ধাক্কা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
হাওড়ার শ্যামপুর কেন্দ্র থেকে অভিনেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায় তৃণমূল প্রার্থীকে ২২ হাজারেরও বেশি ভোটে পরাজিত করেছেন। ব্যারাকপুর কেন্দ্রে চলচ্চিত্র নির্মাতা রাজ চক্রবর্তী বিজেপি প্রার্থী কৌস্তুভ বাগচীর কাছে ১৫ হাজারেরও বেশি ভোটে পরাজিত হন।
সব মিলিয়ে এবারের নির্বাচনে তারকা প্রার্থীদের লড়াই পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। একদিকে নতুন মুখের উত্থান ঘটেছে, অন্যদিকে একাধিক পরিচিত মুখকে পরাজয়ের মুখোমুখি হতে হয়েছে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে টানা তিন বার ক্ষমতায় থাকার পর বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে পরাজয়ের পর পদত্যাগ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
৪ ঘণ্টা আগে
সংবাদ সম্মেলনে নিজের বিস্ফোরক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেছেন যে এবারের নির্বাচনে তৃণমূলের লড়াই কোনো রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে ছিল না, বরং তাদের লড়াই করতে হয়েছে খোদ ভারতের নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিরুদ্ধে।
৫ ঘণ্টা আগে
বহুত্ববাদী সমাজ হিসেবে পরিচিত পশ্চিমবঙ্গে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি অতীতে তেমন প্রভাব ফেলতে পারেনি। তবে প্রতিবেশী বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি রাজ্যের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন মোড় এনে দিয়েছে এবং বিজেপির জন্য ক্ষমতায় যাওয়ার পথ তৈরি করেছে বলে মনে করেন দ্য প্রিন্টের কন্ট্রিবিউটিং এডিটর দ্বীপ হালদার।
৮ ঘণ্টা আগে
১৫ বছরের শাসনের অবসান এবং ভবানীপুর কেন্দ্রে নিজের পরাজয়ের পর নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে মমতার তোলা ‘ভোট চুরির’ অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজ্য় রাজনীতিতে এখন চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
১০ ঘণ্টা আগে