
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

টানা ১১ সপ্তাহের অবরোধের পর সীমান্ত অতিক্রম করে গাজায় ত্রাণের লরি ঢুকলেও এখনো কোনো সহায়তা বিতরণ করা যায়নি বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।
ইসরায়েলের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার গাজায় আটা, শিশু খাদ্য ও ওষুধসহ ত্রাণের ৯৩টি ট্রাক প্রবেশ করেছে। কিন্তু জাতিসংঘ জানিয়েছে, কেরেম শালোম ক্রসিংয়ের ফিলিস্তিনি অংশে ত্রাণের ট্রাক পৌঁছালেও এখন পর্যন্ত সেগুলো বিতরণ করা সম্ভব হয়নি।
জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেছেন, ত্রাণ বহনকারী দলটি ওই অঞ্চলে প্রবেশ করতে ইসরায়েলের অনুমতির জন্য কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করেছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, তারা আমাদের গুদামে সেই ত্রাণগুলো আনতে সক্ষম হয়নি।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা আসন্ন দুর্ভিক্ষের বিষয়ে যখন সতর্ক করেছেন তখন রোববার ইসরায়েল গাজায় প্রাথমিকভাবে কিছু পরিমাণ খাদ্য ও ত্রাণ প্রবেশের অনুমতি দিতে রাজি হয়েছে। তবে তাদের ওপর ক্রমাগত ত্রাণ প্রবেশের অনুমতি দিতে আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ছে।
গাজায় ইসরায়েলের ‘নৈতিকভাবে অযৌক্তিক’ সামরিক অভিযানের কারণে বাণিজ্য আলোচনা স্থগিত করার কথা জানিয়েছে যুক্তরাজ্য। দেশটির প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ের স্টারমার এ পরিস্থিতিকে ‘অসহনীয়’ বলে অভিহিত করেছেন। এদিকে ইইউয়ের পররাষ্ট্রনীতি প্রধান কাজা কালাস বলেছেন, গাজায় ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডের আলোকে তারা তাদের সঙ্গে করা বাণিজ্য চুক্তিটি পর্যালোচনা করবে।
ত্রাণ অভিযানকে ‘জটিল’ করে তোলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতিসংঘ কর্মকর্তা স্টিফেন ডুজারিক। তিনি বলেন, ইসরায়েল জাতিসংঘকে কেরেম শালোম ক্রসিংয়ের ফিলিস্তিনের দিকে সরবরাহ বন্ধ করতে এবং গাজা উপত্যকার ভেতরে আমাদের দলগুলোর প্রবেশ নিশ্চিত করার পরে আলাদাভাবে সেগুলো আবার লোড করার দাবি জানিয়েছে।
তা সত্ত্বেও মঙ্গলবার গাজায় কিছু ত্রাণের ট্রাক প্রবেশকে ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেন ডুজারিক, যদিও একে ‘প্রয়োজনের তুলনায় সমুদ্রে একটি ফোঁটা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন তিনি। কারণ জাতিসংঘের সংস্থাগুলো অনুমান করছে, গাজার দীর্ঘস্থায়ী মানবিক সংকট মোকাবিলা শুরু করতে প্রতিদিন ছয় শ ট্রাক ত্রাণ সহায়তা প্রয়োজন।
এর আগে জাতিসংঘের মানবিক সহায়তাবিষয়ক প্রধান টম ফ্লেচার বিবিসিকে বলেছিলেন, ইসরায়েল যদি অবিলম্বে ত্রাণ সহায়তা ঢুকতে না দেয় তবে গাজায় হাজার হাজার শিশু মারা যেতে পারে। তিনি বলেন, আমরা যদি তাদের কাছে পৌঁছাতে না পারি, তাহলে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ১৪ হাজার শিশু মারা যাবে।

খাদ্য ও ওষুধসহ ত্রাণ সহায়তা নিয়ে মঙ্গলবার ৯৩টি ট্রাক গাজায় প্রবেশ করলেও এখনো ত্রাণ বিতরণ করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। ছবি: সংগৃহীত
এ পরিসংখ্যানের বিষয়ে কীভাবে নিশ্চিত হয়েছেন— জানতে চাইলে জাতিসংঘের এই কর্মকর্তা বলেন, চিকিৎসাকেন্দ্র ও স্কুলগুলোতে ‘শক্তিশালী দল’ কাজ করছে। তাদের কাছ থেকেই এ তথ্য মিলেছে।
পরে বিবিসির পক্ষ থেকে এ তথ্য নিয়ে আরও স্পষ্ট তথ্য পেতে যোগাযোগ করা হয় জাতিসংঘের মানবিক সহায়তাবিষয়ক সমন্বয় কার্যালয়ের সঙ্গে। সংস্থাটি বলেছে, আমরা গাজায় তীব্র অপুষ্টিতে ভুগছে— এমন আনুমানিক ১৪ হাজার শিশুকে বাঁচাতে ত্রাণ সরবরাহ পৌঁছানোর প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরছি। আইপিসি যেটার বিষয়ে সতর্ক করেছে। যত দ্রুতসম্ভব আমাদের ত্রাণ সরবরাহ পৌঁছাতে হবে, ঠিকভাবে বললে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই।
ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেজ ক্লাসিফিকেশনের (আইপিসি) এক প্রতিবেদনেও এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৬ সালের মার্চের মধ্যে ছয় থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের মধ্যে তীব্র অপুষ্টির শিকারের ১৪ হাজার এক শটি গুরুতর ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করেছে আইপিসি।
এই ঘটনা ৪৮ ঘণ্টায় নয়, বরং প্রায় এক বছরের মধ্যে ঘটতে পারে বলে আইপিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
এ পরিসংখ্যানের গুরুত্ব বোঝাতে এক সংবাদ সম্মেলনে ইউএনওসিএইচএর মুখপাত্র জেন্স লারকে বলেন, আপাতত আমি কেবল এটুকুই বলতে চাই যে এমন কিছু শিশুর কথা আমরা জানি যাদের জীবন রক্ষাকারী এই সাপ্লিমেন্টগুলোর জরুরি প্রয়োজন রয়েছে। কারণ তাদের মায়েরা তাদের নিজে খাওয়াতে পারছে না। এখন যদি তারা এগুলো না পায় তবে মারাত্মক বিপদে পড়বে।
এর আগে গত সপ্তাহে হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ১১ সপ্তাহে অপুষ্টিতে ভুগে ৫৭ জন শিশু মারা গেছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও মঙ্গলবার গাজায় কিছু সহায়তা পৌঁছানোর অনুমতি দেওয়ায় ইসরায়েলকে স্বাগত জানিয়েছেন। সিনেটের বৈদেশিক সম্পর্ক কমিটিকে তিনি বলেন, আমরা আনন্দিত যে ত্রাণ সহায়তা আবার আসতে শুরু করেছে।
গাজায় যে পরিমাণ ত্রাণের ট্রাকের অনুমতি দেওয়া হয়েছে তা খুবই কম— একজন ডেমোক্র্যাটের এমন প্রশ্নের জবাবে রুবিও বলেন, এটি যে পর্যাপ্ত পরিমাণের নয়, আপনার এমন বক্তব্য আমি বুঝতে পারছি। কিন্তু এই সিদ্ধান্ত যে নেওয়া হয়েছে তা দেখে আমরা খুশি হয়েছি।
এ ছাড়া সোমবার যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও কানাডার নেতারা একটি বিবৃতি জারি করে ইসরায়েলের সরকারকে ‘তাদের সামরিক অভিযান বন্ধ’ এবং ‘অবিলম্বে গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবেশের অনুমতি দেওয়া’র আহ্বান জানিয়েছেন। এ ঘোষণার অংশ হিসেবে যুক্তরাজ্য বেশ কয়েকটি ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারী ও তাদের সঙ্গে সম্পর্কিত সম্প্রদায়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

টানা ১১ সপ্তাহের অবরোধের পর সীমান্ত অতিক্রম করে গাজায় ত্রাণের লরি ঢুকলেও এখনো কোনো সহায়তা বিতরণ করা যায়নি বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।
ইসরায়েলের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার গাজায় আটা, শিশু খাদ্য ও ওষুধসহ ত্রাণের ৯৩টি ট্রাক প্রবেশ করেছে। কিন্তু জাতিসংঘ জানিয়েছে, কেরেম শালোম ক্রসিংয়ের ফিলিস্তিনি অংশে ত্রাণের ট্রাক পৌঁছালেও এখন পর্যন্ত সেগুলো বিতরণ করা সম্ভব হয়নি।
জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেছেন, ত্রাণ বহনকারী দলটি ওই অঞ্চলে প্রবেশ করতে ইসরায়েলের অনুমতির জন্য কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করেছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, তারা আমাদের গুদামে সেই ত্রাণগুলো আনতে সক্ষম হয়নি।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা আসন্ন দুর্ভিক্ষের বিষয়ে যখন সতর্ক করেছেন তখন রোববার ইসরায়েল গাজায় প্রাথমিকভাবে কিছু পরিমাণ খাদ্য ও ত্রাণ প্রবেশের অনুমতি দিতে রাজি হয়েছে। তবে তাদের ওপর ক্রমাগত ত্রাণ প্রবেশের অনুমতি দিতে আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ছে।
গাজায় ইসরায়েলের ‘নৈতিকভাবে অযৌক্তিক’ সামরিক অভিযানের কারণে বাণিজ্য আলোচনা স্থগিত করার কথা জানিয়েছে যুক্তরাজ্য। দেশটির প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ের স্টারমার এ পরিস্থিতিকে ‘অসহনীয়’ বলে অভিহিত করেছেন। এদিকে ইইউয়ের পররাষ্ট্রনীতি প্রধান কাজা কালাস বলেছেন, গাজায় ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডের আলোকে তারা তাদের সঙ্গে করা বাণিজ্য চুক্তিটি পর্যালোচনা করবে।
ত্রাণ অভিযানকে ‘জটিল’ করে তোলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতিসংঘ কর্মকর্তা স্টিফেন ডুজারিক। তিনি বলেন, ইসরায়েল জাতিসংঘকে কেরেম শালোম ক্রসিংয়ের ফিলিস্তিনের দিকে সরবরাহ বন্ধ করতে এবং গাজা উপত্যকার ভেতরে আমাদের দলগুলোর প্রবেশ নিশ্চিত করার পরে আলাদাভাবে সেগুলো আবার লোড করার দাবি জানিয়েছে।
তা সত্ত্বেও মঙ্গলবার গাজায় কিছু ত্রাণের ট্রাক প্রবেশকে ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেন ডুজারিক, যদিও একে ‘প্রয়োজনের তুলনায় সমুদ্রে একটি ফোঁটা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন তিনি। কারণ জাতিসংঘের সংস্থাগুলো অনুমান করছে, গাজার দীর্ঘস্থায়ী মানবিক সংকট মোকাবিলা শুরু করতে প্রতিদিন ছয় শ ট্রাক ত্রাণ সহায়তা প্রয়োজন।
এর আগে জাতিসংঘের মানবিক সহায়তাবিষয়ক প্রধান টম ফ্লেচার বিবিসিকে বলেছিলেন, ইসরায়েল যদি অবিলম্বে ত্রাণ সহায়তা ঢুকতে না দেয় তবে গাজায় হাজার হাজার শিশু মারা যেতে পারে। তিনি বলেন, আমরা যদি তাদের কাছে পৌঁছাতে না পারি, তাহলে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ১৪ হাজার শিশু মারা যাবে।

খাদ্য ও ওষুধসহ ত্রাণ সহায়তা নিয়ে মঙ্গলবার ৯৩টি ট্রাক গাজায় প্রবেশ করলেও এখনো ত্রাণ বিতরণ করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। ছবি: সংগৃহীত
এ পরিসংখ্যানের বিষয়ে কীভাবে নিশ্চিত হয়েছেন— জানতে চাইলে জাতিসংঘের এই কর্মকর্তা বলেন, চিকিৎসাকেন্দ্র ও স্কুলগুলোতে ‘শক্তিশালী দল’ কাজ করছে। তাদের কাছ থেকেই এ তথ্য মিলেছে।
পরে বিবিসির পক্ষ থেকে এ তথ্য নিয়ে আরও স্পষ্ট তথ্য পেতে যোগাযোগ করা হয় জাতিসংঘের মানবিক সহায়তাবিষয়ক সমন্বয় কার্যালয়ের সঙ্গে। সংস্থাটি বলেছে, আমরা গাজায় তীব্র অপুষ্টিতে ভুগছে— এমন আনুমানিক ১৪ হাজার শিশুকে বাঁচাতে ত্রাণ সরবরাহ পৌঁছানোর প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরছি। আইপিসি যেটার বিষয়ে সতর্ক করেছে। যত দ্রুতসম্ভব আমাদের ত্রাণ সরবরাহ পৌঁছাতে হবে, ঠিকভাবে বললে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই।
ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেজ ক্লাসিফিকেশনের (আইপিসি) এক প্রতিবেদনেও এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৬ সালের মার্চের মধ্যে ছয় থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের মধ্যে তীব্র অপুষ্টির শিকারের ১৪ হাজার এক শটি গুরুতর ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করেছে আইপিসি।
এই ঘটনা ৪৮ ঘণ্টায় নয়, বরং প্রায় এক বছরের মধ্যে ঘটতে পারে বলে আইপিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
এ পরিসংখ্যানের গুরুত্ব বোঝাতে এক সংবাদ সম্মেলনে ইউএনওসিএইচএর মুখপাত্র জেন্স লারকে বলেন, আপাতত আমি কেবল এটুকুই বলতে চাই যে এমন কিছু শিশুর কথা আমরা জানি যাদের জীবন রক্ষাকারী এই সাপ্লিমেন্টগুলোর জরুরি প্রয়োজন রয়েছে। কারণ তাদের মায়েরা তাদের নিজে খাওয়াতে পারছে না। এখন যদি তারা এগুলো না পায় তবে মারাত্মক বিপদে পড়বে।
এর আগে গত সপ্তাহে হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ১১ সপ্তাহে অপুষ্টিতে ভুগে ৫৭ জন শিশু মারা গেছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও মঙ্গলবার গাজায় কিছু সহায়তা পৌঁছানোর অনুমতি দেওয়ায় ইসরায়েলকে স্বাগত জানিয়েছেন। সিনেটের বৈদেশিক সম্পর্ক কমিটিকে তিনি বলেন, আমরা আনন্দিত যে ত্রাণ সহায়তা আবার আসতে শুরু করেছে।
গাজায় যে পরিমাণ ত্রাণের ট্রাকের অনুমতি দেওয়া হয়েছে তা খুবই কম— একজন ডেমোক্র্যাটের এমন প্রশ্নের জবাবে রুবিও বলেন, এটি যে পর্যাপ্ত পরিমাণের নয়, আপনার এমন বক্তব্য আমি বুঝতে পারছি। কিন্তু এই সিদ্ধান্ত যে নেওয়া হয়েছে তা দেখে আমরা খুশি হয়েছি।
এ ছাড়া সোমবার যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও কানাডার নেতারা একটি বিবৃতি জারি করে ইসরায়েলের সরকারকে ‘তাদের সামরিক অভিযান বন্ধ’ এবং ‘অবিলম্বে গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবেশের অনুমতি দেওয়া’র আহ্বান জানিয়েছেন। এ ঘোষণার অংশ হিসেবে যুক্তরাজ্য বেশ কয়েকটি ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারী ও তাদের সঙ্গে সম্পর্কিত সম্প্রদায়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে একের পর এক হুমকি দিয়েই যাচ্ছেন। সর্বশেষ হুমকিতে ট্রাম্প বলেছেন, আগামীকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত তাঁর দেওয়া সময়সীমা শেষ হওয়ার আগে যদি তেহরান ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো শান্তিচুক্তিতে পৌঁছাতে না পারে, তবে তিনি ‘পুরো ইরান উড়িয়ে দেবেন।’
৫ ঘণ্টা আগে
অশালীন ভাষা ব্যবহার করে ট্রাম্প লিখেছেন, মঙ্গলবার হবে ‘পাওয়ার প্ল্যান্ট ডে’ এবং ‘ব্রিজ (সেতু) ডে’। সবকিছু একবারে হবে। এমন কিছু, যা আগে কখনো দেখা যায়নি।
১৫ ঘণ্টা আগে
ইরানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে নিখোঁজ মার্কিন পাইলটকে উদ্ধারে যৌথ হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এ হামলায় অন্তত পাঁচ ইরানি নাগরিক নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
২১ ঘণ্টা আগে
‘হরমুজ প্রণালি’ এককভাবে বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুট। এই প্রণালি খুলে দিতে একের পর এক আলটিমেটাম ও হুমকি দিয়ে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তাতে কাজ হয়নি। উলটো সবশেষ এক মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য বলছে, ইরানের পক্ষ থেকে সহজে বা দ্রুত এই প্রণালি খুলে দেওয়ার সম্ভাবনা খুব কম।
১ দিন আগে