অভিবাসী তাড়াতে ফ্লোরিডায় ২০০ মেরিন সেনা মোতায়েন

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পূর্ব রাজ্য ফ্লোরিডায় অভিবাসনবিরোধী অভিযানে প্রশাসনিক ও লজিস্টিক সহায়তা দিতে প্রায় ২০০ মেরিন সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। মার্কিন স্বরাষ্ট্র দপ্তরের অনুরোধে প্রথম দফায় মোতায়েন করা হয়েছে তাদের।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী অভিযান পরিচালনার জন্য বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) এসব সেনা মোতায়েন করা হয়। এসব সেনা ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট সংস্থাকে সহায়তা করবে।

প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ সর্বোচ্চ ৭০০ সৈন্য মোতায়েনের অনুমোদন দিয়েছেন। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দক্ষিণ মার্কিন রাজ্য লুইসিয়ানা এবং টেক্সাসে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে।

এসব সেনারা শুধু প্রশাসনিক ও লজিস্টিক কাজের উপর মনোনিবেশ করবে। তারা আইসিই হেফাজতে থাকা ব্যক্তিদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারবে না।

এ সপ্তাহের শুরুতে, ট্রাম্প ফ্লোরিডার একটি নতুন অভিবাসী আটক কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন যা 'অ্যালিগেটর আলকাট্রাজ' নামে পরিচিত। সেখানে সর্বোচ্চ ১,০০০ জনকে আটক রাখা যায়।

এর আগে, আইসিই কর্তৃক পরিচালিত অভিবাসন অভিযানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখা দিলে রিপাবলিকান নেতা ট্রাম্প ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসে ৪,০০০ ন্যাশনাল গার্ড সদস্য এবং ৭০০ মেরিন সেনা মোতায়েন করেন।

ক্যালিফোর্নিয়ার কর্মকর্তারা ট্রাম্পের এমন সামরিক বাহিনী ব্যবহারের তীব্র সমালোচনা করেছেন।

ট্রাম্প প্রশাসন অবশ্য জোর দিয়ে বলছে, অস্থিরতা দমন, রাষ্ট্রের সম্পত্তি ও নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য এই সেনা মোতায়েন করা জরুরি ছিল।

ad
ad

বিশ্ব রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

১৩ মার্কিন সেনা নিহতের কথা স্বীকার করল পেন্টাগন

৫ ঘণ্টা আগে

ইরান যুদ্ধে পাকিস্তান সক্রিয় হলেও কোণঠাসা কি ভারত?

আবার এই সপ্তাহেই, পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরান ও আমেরিকার মধ্যেকার সংঘাত নিরসনে পাঁচ-দফা শান্তি পরিকল্পনার জন্য চীনের সমর্থন চাইতে বেইজিংয়ে গেছেন।

৬ ঘণ্টা আগে

হরমুজ প্রণালির কাছে মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত

একই দিনে দুটি অত্যাধুনিক বিমান হারানোর ঘটনাকে ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় ধরনের ধাক্কা হিসেবে দেখছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।

৬ ঘণ্টা আগে

মার্কিন যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ইরানের

ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফারস নিউজ-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বুধবার এই প্রস্তাবটি পাঠানো হয়েছিল। মূলত ওই অঞ্চলে মার্কিন সেনাদের ওপর ক্রমবর্ধমান চাপ ও ঝুঁকি কমাতেই ওয়াশিংটন এই তড়িঘড়ি উদ্যোগ নেয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ইরান কোনো লিখিত জবাব না দিয়ে তাদের সামরিক তৎপরতা অব্যাহত রাখার মাধ্যমে নিজ

৬ ঘণ্টা আগে