
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

থাইল্যান্ডের ননথাবুরি প্রদেশের একটি স্কুলে ১৪ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর গুলিতে পাঁচ শিক্ষক নিহত ও অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। পরে ওই শিক্ষার্থীও আত্মহত্যা করেছে। স্কুলে এ হামলার আগে সে নিজের দাদা-দাদিকেও হত্যা করে বলে জানা গেছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল বলেছেন, মানসিক চাপে থাকা ওই শিক্ষার্থীর হামলাটি আগে থেকেই পরিকল্পিত ছিল।
বিবিসির খবরে বলা হয়, পুলিশ ওই শিক্ষার্থীর বাড়ি থেকে যে তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করেছে, তাতে দেখা যায় সে ভিডিও গেমে খুবই আসক্ত ছিল। থাইল্যান্ডের উপ-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পোলাপি সুভানচাওয়ি জানান, ১৪ বছর বয়সী ওই শিক্ষার্থী তার দাদা-দাদির সঙ্গে বসবাস করত। পরে তাদের দুজনকে বাড়িতে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।
কর্তৃপক্ষ বলছে, স্কুলে যাওয়ার আগে সে তার দাদা-দাদিকে হত্যা করে। এরপর ননথাবুরির ডেবসিরিন স্কুলে গিয়ে পাঁচ শিক্ষককে গুলি করে। পরে সে নিজেকেও গুলি করে এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যায়।
এদিকে দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী অনুতিন বলেন, পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে হামলাকারীর এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু জানিয়েছে, পড়াশোনা-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে সে মানসিক চাপে ছিল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ঘটনার আগে ও পরে তার কর্মকাণ্ড দেখে স্পষ্ট, সে হামলাটি আগে থেকেই পরিকল্পনা করেছিল।’ তিনি আরও জানান, এ ঘটনার পর দেশের অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নিয়ে পুলিশপ্রধানের সঙ্গে আলোচনা করবেন।
স্কুলটির এক শিক্ষক বিবিসিকে বলেন, ছেলেটি ভালো ছাত্র ছিল এবং তার পড়াশোনার ফলও ভালো ছিল। তাকে কখনোই আক্রমণাত্মক স্বভাবের মনে হয়নি।
হামলার পর প্রথমদিকে হতাহতের সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল। পরে দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী পাত্তানা প্রমফাত নিশ্চিত করেন, স্কুলে পাঁচ শিক্ষক নিহত হয়েছেন। এতে নিহতের মোট সংখ্যা দাঁড়ায় আটজনে। এর মধ্যে রয়েছেন হামলাকারীর দাদা-দাদি এবং হামলাকারী নিজেও।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, হামলাকারী স্কুলে যাওয়ার আগে নিজের দাদা-দাদিকেও হত্যা করে। এদিকে পুলিশ জানিয়েছে, হামলায় ব্যবহৃত ৯ মিলিমিটার পিস্তলটি তার দাদার, যিনি একজন শিক্ষক ছিলেন।
শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটের দিকে ননথাবুরি প্রদেশের ব্যাং ক্রুয়াই জেলার ডেবসিরিন স্কুলে গোলাগুলির ঘটনা শুরু হয়। এর কিছুক্ষণ পর পুলিশ ফেসবুকে সতর্কবার্তা দিয়ে জানায়, হামলাকারী স্কুলের কম্পিউটার কক্ষে অবস্থান করছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

তখনও যারা ভবনের ভেতরে আটকে ছিলেন, তাদের নিরাপদ স্থানে লুকিয়ে থাকতে এবং কর্তৃপক্ষের জন্য অপেক্ষা করতে বলা হয়। পরে থাই পুলিশ ও স্থানীয় গণমাধ্যম জানায়, সন্দেহভাজন হামলাকারী মারা গেছে। তবে সে পুলিশের গুলিতে নাকি আত্মহত্যা করেছে, তা তখনই নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পরবর্তীতে ননথাবুরি প্রাদেশিক পুলিশের প্রধান দেচরাপি কংদি বিবিসিকে জানান, হামলাকারী নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। থাইল্যান্ডে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বয়স সাধারণত ১৪ বছর।
ডেবসিরিন স্কুল থাইল্যান্ডের একটি সুপরিচিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এর শাখা রয়েছে। ননথাবুরির শাখাটি ব্যাংককের উত্তর-পশ্চিম উপকণ্ঠে অবস্থিত। ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত মূল ডেবসিরিন স্কুল থেকে দেশটির বহু কূটনীতিক, ক্রীড়াবিদ এবং একাধিক প্রধানমন্ত্রী পড়াশোনা করেছেন। থাইল্যান্ডে স্কুলটি শিক্ষাগত মর্যাদার প্রতীক হিসেবে পরিচিত।
স্কুলের এক শিক্ষার্থী রয়টার্সকে বলেন, প্রথমে তিনি গুলির শব্দকে আতশবাজি বা কোনো কিছু আঘাত করার শব্দ ভেবেছিলেন। তিনি বলেন, ‘প্রথমে আমার মনে হয়নি এটা গুলির শব্দ। অনেকবার গুলির শব্দ শুনেছি— ব্যাং, ব্যাং, ব্যাং। এরপর কিছুক্ষণ নীরব ছিল। তারপর আবার শুরু হয়।’
গুলির ঘটনার সময় শিক্ষার্থীদের স্কুল থেকে দৌড়ে বেরিয়ে যেতে দেখা যায়। বাইরে অপেক্ষমাণ ডেবসিরিন ননথাবুরি স্কুলের শিক্ষক-কর্মচারীদেরও উদ্বিগ্ন ও বিপর্যস্ত দেখাচ্ছিল।
প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল নিহতদের পরিবারের প্রতি শোক প্রকাশ করে বলেন, ‘এটি খুবই ভয়াবহ। এমনটি কখনোই হওয়া উচিত ছিল না। শুধু নিহতদের জন্যই নয়, আমাদের দেশেই এমন ঘটনা ঘটেছে— এ জন্যও আমি গভীরভাবে দুঃখিত।’ তিনি আরও বলেন, ‘এ কারণেই সরকার সাধারণ নাগরিকদের অস্ত্র রাখার অনুমতি দেয় না।’
এদিকে বিরোধী দল পিপলস পার্টির নেতা নাত্তাফং রুয়েংপানিয়াউত এ ঘটনার পর দেশের অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতিও সমবেদনা জানান।
ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, হামলার উদ্দেশ্য এখনো স্পষ্ট নয়। তবে সমাজের সবচেয়ে নিরাপদ জায়গাগুলোর একটি হওয়া উচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। সেখানে এমন সহিংসতা থাই সমাজকে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গুরুত্বের সঙ্গে এবং প্রাতিষ্ঠানিকভাবে পুনর্বিবেচনার প্রয়োজনীয়তার কথা মনে করিয়ে দেয়।
স্কুলের ওই ভবনটি থেকে প্রাণে বেঁচে বেরিয়ে আসা সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রী বিবিসিকে জানায়, সে শ্রেণিকক্ষে ছিল, তখন হামলাকারীকে এক কক্ষ থেকে আরেক কক্ষে যেতে দেখেছে। তার ভাষ্য, এরপর হামলাকারী তার শ্রেণিকক্ষের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষককে গুলি করে। এরপর আর কিছু দেখতে পারেনি সে।
বিবিসি লিখেছে, থাইল্যান্ডে অস্ত্র আইন বেশ কঠোর। অবৈধভাবে আগ্নেয়াস্ত্র রাখলে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। তবে এরপরও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে থাইল্যান্ডে সাধারণ মানুষের হাতে আগ্নেয়াস্ত্রের মালিকানার হার অন্যতম বেশি।
দেশটিতে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে একাধিক প্রাণঘাতী গুলির ঘটনা ঘটেছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে দক্ষিণ থাইল্যান্ডে একটি স্কুল অবরোধের সময় ১৮ বছর বয়সী এক বন্দুকধারীর গুলিতে এক প্রধান শিক্ষক ও এক ছাত্রী আহত হন। পরদিন হাসপাতালে ওই প্রধান শিক্ষকের মৃত্যু হয়। এ ছাড়া গত বছর ব্যাংককের একটি খাদ্যবাজারে গুলির ঘটনায় পাঁচজন নিহত হন।

থাইল্যান্ডের ননথাবুরি প্রদেশের একটি স্কুলে ১৪ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর গুলিতে পাঁচ শিক্ষক নিহত ও অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। পরে ওই শিক্ষার্থীও আত্মহত্যা করেছে। স্কুলে এ হামলার আগে সে নিজের দাদা-দাদিকেও হত্যা করে বলে জানা গেছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল বলেছেন, মানসিক চাপে থাকা ওই শিক্ষার্থীর হামলাটি আগে থেকেই পরিকল্পিত ছিল।
বিবিসির খবরে বলা হয়, পুলিশ ওই শিক্ষার্থীর বাড়ি থেকে যে তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করেছে, তাতে দেখা যায় সে ভিডিও গেমে খুবই আসক্ত ছিল। থাইল্যান্ডের উপ-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পোলাপি সুভানচাওয়ি জানান, ১৪ বছর বয়সী ওই শিক্ষার্থী তার দাদা-দাদির সঙ্গে বসবাস করত। পরে তাদের দুজনকে বাড়িতে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।
কর্তৃপক্ষ বলছে, স্কুলে যাওয়ার আগে সে তার দাদা-দাদিকে হত্যা করে। এরপর ননথাবুরির ডেবসিরিন স্কুলে গিয়ে পাঁচ শিক্ষককে গুলি করে। পরে সে নিজেকেও গুলি করে এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যায়।
এদিকে দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী অনুতিন বলেন, পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে হামলাকারীর এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু জানিয়েছে, পড়াশোনা-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে সে মানসিক চাপে ছিল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ঘটনার আগে ও পরে তার কর্মকাণ্ড দেখে স্পষ্ট, সে হামলাটি আগে থেকেই পরিকল্পনা করেছিল।’ তিনি আরও জানান, এ ঘটনার পর দেশের অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নিয়ে পুলিশপ্রধানের সঙ্গে আলোচনা করবেন।
স্কুলটির এক শিক্ষক বিবিসিকে বলেন, ছেলেটি ভালো ছাত্র ছিল এবং তার পড়াশোনার ফলও ভালো ছিল। তাকে কখনোই আক্রমণাত্মক স্বভাবের মনে হয়নি।
হামলার পর প্রথমদিকে হতাহতের সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল। পরে দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী পাত্তানা প্রমফাত নিশ্চিত করেন, স্কুলে পাঁচ শিক্ষক নিহত হয়েছেন। এতে নিহতের মোট সংখ্যা দাঁড়ায় আটজনে। এর মধ্যে রয়েছেন হামলাকারীর দাদা-দাদি এবং হামলাকারী নিজেও।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, হামলাকারী স্কুলে যাওয়ার আগে নিজের দাদা-দাদিকেও হত্যা করে। এদিকে পুলিশ জানিয়েছে, হামলায় ব্যবহৃত ৯ মিলিমিটার পিস্তলটি তার দাদার, যিনি একজন শিক্ষক ছিলেন।
শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটের দিকে ননথাবুরি প্রদেশের ব্যাং ক্রুয়াই জেলার ডেবসিরিন স্কুলে গোলাগুলির ঘটনা শুরু হয়। এর কিছুক্ষণ পর পুলিশ ফেসবুকে সতর্কবার্তা দিয়ে জানায়, হামলাকারী স্কুলের কম্পিউটার কক্ষে অবস্থান করছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

তখনও যারা ভবনের ভেতরে আটকে ছিলেন, তাদের নিরাপদ স্থানে লুকিয়ে থাকতে এবং কর্তৃপক্ষের জন্য অপেক্ষা করতে বলা হয়। পরে থাই পুলিশ ও স্থানীয় গণমাধ্যম জানায়, সন্দেহভাজন হামলাকারী মারা গেছে। তবে সে পুলিশের গুলিতে নাকি আত্মহত্যা করেছে, তা তখনই নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পরবর্তীতে ননথাবুরি প্রাদেশিক পুলিশের প্রধান দেচরাপি কংদি বিবিসিকে জানান, হামলাকারী নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। থাইল্যান্ডে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বয়স সাধারণত ১৪ বছর।
ডেবসিরিন স্কুল থাইল্যান্ডের একটি সুপরিচিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এর শাখা রয়েছে। ননথাবুরির শাখাটি ব্যাংককের উত্তর-পশ্চিম উপকণ্ঠে অবস্থিত। ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত মূল ডেবসিরিন স্কুল থেকে দেশটির বহু কূটনীতিক, ক্রীড়াবিদ এবং একাধিক প্রধানমন্ত্রী পড়াশোনা করেছেন। থাইল্যান্ডে স্কুলটি শিক্ষাগত মর্যাদার প্রতীক হিসেবে পরিচিত।
স্কুলের এক শিক্ষার্থী রয়টার্সকে বলেন, প্রথমে তিনি গুলির শব্দকে আতশবাজি বা কোনো কিছু আঘাত করার শব্দ ভেবেছিলেন। তিনি বলেন, ‘প্রথমে আমার মনে হয়নি এটা গুলির শব্দ। অনেকবার গুলির শব্দ শুনেছি— ব্যাং, ব্যাং, ব্যাং। এরপর কিছুক্ষণ নীরব ছিল। তারপর আবার শুরু হয়।’
গুলির ঘটনার সময় শিক্ষার্থীদের স্কুল থেকে দৌড়ে বেরিয়ে যেতে দেখা যায়। বাইরে অপেক্ষমাণ ডেবসিরিন ননথাবুরি স্কুলের শিক্ষক-কর্মচারীদেরও উদ্বিগ্ন ও বিপর্যস্ত দেখাচ্ছিল।
প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল নিহতদের পরিবারের প্রতি শোক প্রকাশ করে বলেন, ‘এটি খুবই ভয়াবহ। এমনটি কখনোই হওয়া উচিত ছিল না। শুধু নিহতদের জন্যই নয়, আমাদের দেশেই এমন ঘটনা ঘটেছে— এ জন্যও আমি গভীরভাবে দুঃখিত।’ তিনি আরও বলেন, ‘এ কারণেই সরকার সাধারণ নাগরিকদের অস্ত্র রাখার অনুমতি দেয় না।’
এদিকে বিরোধী দল পিপলস পার্টির নেতা নাত্তাফং রুয়েংপানিয়াউত এ ঘটনার পর দেশের অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতিও সমবেদনা জানান।
ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, হামলার উদ্দেশ্য এখনো স্পষ্ট নয়। তবে সমাজের সবচেয়ে নিরাপদ জায়গাগুলোর একটি হওয়া উচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। সেখানে এমন সহিংসতা থাই সমাজকে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গুরুত্বের সঙ্গে এবং প্রাতিষ্ঠানিকভাবে পুনর্বিবেচনার প্রয়োজনীয়তার কথা মনে করিয়ে দেয়।
স্কুলের ওই ভবনটি থেকে প্রাণে বেঁচে বেরিয়ে আসা সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রী বিবিসিকে জানায়, সে শ্রেণিকক্ষে ছিল, তখন হামলাকারীকে এক কক্ষ থেকে আরেক কক্ষে যেতে দেখেছে। তার ভাষ্য, এরপর হামলাকারী তার শ্রেণিকক্ষের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষককে গুলি করে। এরপর আর কিছু দেখতে পারেনি সে।
বিবিসি লিখেছে, থাইল্যান্ডে অস্ত্র আইন বেশ কঠোর। অবৈধভাবে আগ্নেয়াস্ত্র রাখলে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। তবে এরপরও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে থাইল্যান্ডে সাধারণ মানুষের হাতে আগ্নেয়াস্ত্রের মালিকানার হার অন্যতম বেশি।
দেশটিতে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে একাধিক প্রাণঘাতী গুলির ঘটনা ঘটেছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে দক্ষিণ থাইল্যান্ডে একটি স্কুল অবরোধের সময় ১৮ বছর বয়সী এক বন্দুকধারীর গুলিতে এক প্রধান শিক্ষক ও এক ছাত্রী আহত হন। পরদিন হাসপাতালে ওই প্রধান শিক্ষকের মৃত্যু হয়। এ ছাড়া গত বছর ব্যাংককের একটি খাদ্যবাজারে গুলির ঘটনায় পাঁচজন নিহত হন।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে দেশটির মধ্যাঞ্চলীয় ননথাবুরি প্রদেশের বাং কুরাই জেলায় এ ঘটনা ঘটে। হামলার সময় স্কুলে নিয়মিত কার্যক্রম চলছিল।
৬ ঘণ্টা আগে
বর্তমানে ট্রাম্পের সামনে মূলত দুটি পথ খোলা— ইরান ও ওমানের মধ্যে আলোচনায় থাকা একটি অন্তর্বর্তী চুক্তি মেনে নেওয়া, যা কার্যকর হলে যুদ্ধের আগে কখনো না পাওয়া হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণের একটি অংশ পাবে তেহরান; অন্য পথে ট্রাম্প চাইলে তার দেওয়া হুঁশিয়ারি অনুযায়ী সামরিক অভিযান আরও জোরদার করতে পারেন, যাতে
১০ ঘণ্টা আগে
এ বিষয়ে অবগত সূত্রগুলোর ভাষ্য, উপসাগর জুড়ে বড় ধরনের অর্থনৈতিক অস্থিরতার আশঙ্কা তৈরি করে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন করে সামরিক পদক্ষেপ থেকে বিরত রাখাই ছিল ইরানের বৃহত্তর কৌশলের অংশ। ২৮ জুলাই ট্রাম্প ইরানের জ্বালানি নেটওয়ার্ক ও অবকাঠামোয় হামলার হুমকি দেওয়ার পর উচ্চপর্যায়ের একাধিক কূটনৈতিক যোগাযোগের মাধ্যমে এ
২০ ঘণ্টা আগে
হরমুজ প্রণালিতে নৌযান চলাচলের নিয়ন্ত্রণ ইরানের হাতে গেলে আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যে তেহরানের পক্ষে বড় পরিবর্তন ঘটবে। ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের শুরু করা ইরান যুদ্ধের আগে বিশ্বের সব দেশের জাহাজ কোনো ধরনের ফি ছাড়াই অবাধে হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করতে পারত।
১ দিন আগে